বিডিনিউজ২৪.কম ব্লগের “নাগরিক সাংবাদিকতায় ১ বছর” অনুষ্ঠানটিতে যারা আসতে পারেননি তাদের জন্য
আমরা দিনে দিনে যান্ত্রিক হয়ে ওঠছি, এ রকম একটি কথা ইদানিং প্রায়ই শুনতে হয়। হয়ত কথাটির মাঝে সত্যতা আছে অনেকটাই কিন্তু তারপরও এই যান্ত্রিকতার মধ্যেও গড়ে ওঠছে অনেক অনেক বন্ধুত্বপুর্ন হৃদায়ঙ্গম সম্পর্ক। গত ১২ই ফেব্রোয়ারী বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের “নাগরিক সাংবাদিকতার এক বছর” পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটিতে অংশ গ্রহন করতে গিয়ে উপলদ্ধি করলাম ভির্চুয়াল আমাদের মুক্ত মতামত প্রকাশের অনবদ্য সুযোগের সাথে সাথে বন্ধুত্বের পরিসিমাকেও করেছে বিস্তৃত। ওই আনন্দঘন মুহুর্তের কিছু ছবি হয়ে থাকবে জীবনের বড় পাওয়া স্বল্প কিছু সময়ের নিরব স্বাক্ষী। যারা ওই অনুষ্ঠানটিতে উপস্থত হতে পারেননি নানা কারনে তারা কিছুটা হলেও অনুষ্ঠানটির তাৎপর্যপুর্ন ছোয়া পেতে পারেন এই ছবিগুলি থেকে। তা হলে চলুন একটু ঘুরে আসি হয়ে যাওয়া ১২ই ফেব্রোয়ারী বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের “নাগরিক সাংবাদিকতার এক বছর” পুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি হতে-
০১. সম্মানিত অতিথীদের মঞ্চে আসার আহ্বান জানাচ্ছেন বিডি নিউজ টুয়েন্টফোর ডট কম ব্লগের সম্মানিত মডারেটর ও ব্লগার কৌশিক আহমেদ।

০২. বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক জনাব খালেদ ইমরোজ এবং অন্যান্য অতিথীদের পৃষ্ঠা উণ্টানোর মধ্য দিয়ে মোড়ক উন্মেচিত হচ্ছে ব্লগারদের লেখা নিয়ে বিডি নিউজ টুয়েন্টফোর ডট কম ব্লগের সংকলন-নগর নাব্য।

০৩. বিডি নিউজ টুয়েন্টফোর ডট কম ব্লগের সম্মানিত মডারেটর ও ব্লগার কৌশিক আহমেদ আগত অতিথীদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন।

০৪. বিডি নিউজ টুয়েন্টফোর ডট.কম ব্লগের আর এক সম্মানিত মডারেটর ও ব্লগার আইরিন সুলতানা সহ অনুষ্ঠানে আগত অন্যান্য ব্লগারদের একাংশ।

০৫. সামহোয়্যার ইন ব্লগের প্রধান জানা আপুর সাথে ওনার স্বামী ও কন্য।

০৬. নাগরিক সাংবাদিকায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য পুরস্কার গ্রহন করছেন আমাদের প্রিয় ব্লগার মোত্তালিব দরবারি।

০৭. প্রিয় ব্লগার জাহেদুর রহমান যখন কৌশিকদার কন্যার মিষ্টি দুষ্টমি মুখ ভেংচির কবলে।

সর্ব শেষ প্রত্যাশা রইল আগামীতে আবারো আরো অনেকের সাথে ২য় বর্ষে হবে দেখা পরিচয়। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন,সাথে থাকুন নাগরিক সাংবাদিকতার মুক্ত নঞ্চ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ব্লগের।
ম, সাহিদ
লিখার চেয়ে পড়তে বেশী ভাল লাগে,তবে মাঝে মাঝে কিছু লিখতে ইচ্ছা করে আর সেই কারনে লেখার চেষ্টা করি মাত্র। বন্ধুত্বকে সরল মনে সাদরে গ্রহন করার চেষ্টায় কখনও কৃপনতা করি না আর তাই কাউকেই খুব সহজে বন্ধুর বাইরে বিপরিত কিছু ভাবতে বড় কষ্ট হয়। নদী আমার ভাল লাগার শীর্ষে,আর তাই অবসরে যে কোন নদীর কাছে নিজের অতৃপ্ত শুখ খুজতে ছুটে বেড়ানো একটি অভ্যাস। ছবি আঁকতে পটু না হলেও লোকে দেখে প্রসংশা করে তবে যথা সম্ভব না দেখিয়ে নিজেই নিজের আঁকা ছবি দেখে মুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকার বদঅভ্যাসটি প্রবল। কবিতা লিখা ভাল লাগার আর একটি বিষয়,তাই লিখে চলেছি হয়ত কভু প্রকাশ হবে না তাতে কি মাঝে মাঝে নিজেতো পড়তে পারি। পেশায় সাংবাদিক তবে সংবাদ কর্মী হিসাবেই পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি বেশী। সবা চাইতে ভাল লাগে আশেপাশে তথা পরিচিত সবাইকে ভাল থাকতে দেখে।
ব্লগে যোগদান করেছেন:
শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১১

খুব ভাল লাগলো ছবিগুলো।
আররে সাহিদ ভাই, পরায় বেবাক ছবিতেই দেহি আমার ‘বদসুরত’ দেহা যাইতাছে! পাবলিকে তো জিগাইবো আমি আপনেরে কত টেকা খাওয়াইছি?
ধন্যবাদ সাহিদ ভাই শেয়ার করার জন্য।