ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

 

মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে সুদীর্ঘ সময় ধরে লড়াইরত অং সান সু চিকে আমরা এতোদিন ধরে বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছিলাম। একই কারণে তিনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন। সুচি মুক্তি পেলেন, মিয়ানমারে প্রতিষ্ঠিত হলো কতিথ গণতন্ত্র। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তাঁর আসল চেহারা দেখে বিশ্ব বিবেক হতবাক। নীরিহ রোহিঙ্গা নিধনে সামরিক জান্তার সাথে তিনিও আজ একাকার। তাঁর হাত আজ রঞ্জিত অসহায়, নীরিহ রোহিঙ্গার রক্তে । তাই আহবান জানাবো অবিলম্বে সুচির কাছ থেকে নোবেল প্রাইজ কেড়ে নেয়া হোক। তাঁর সাথে হিটলার, মুসোলিনির মাঝে কোনো পার্থক্য নেই।


বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানাবো তিনি যেন মুক্তিযুদ্ধের সময় ইন্দিরা গান্ধির ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। রোহিঙ্গা মুসলমানদের অধিকার আদায়ে জাতিসংঘ সহ বিবেকবান রাষ্ট্র সমূহের কাছে দ্বারস্থ হন।
রোহিঙ্গারা যদি মিয়ানমারের নাগরিক অধিকার না-ই পেয়ে থাকেন, তাদের অধিকার আছে রাখাইন রাজ্যে পৃথক স্বাধীন আবাস ভূমি প্রতিষ্ঠার। সুতরাং চীন ভারত বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অপরাপর রাষ্ট্রের এই বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখা উচিত। একই সাথে মিয়ানমার সিমান্তে বাংলাদেশে আরও সুরক্ষিত আশ্রয় শিবির খুলে নিরস্ত্র অসহায় শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়া হোক।

আমরা যদি এতোকাল ধরে ওদের খাওয়াতে পারি, ১৬ কোটি বাঙালি এক বেলা না খেয়ে হলেও ওদের খাওয়াবে। তথাপি মানবতার এই অপমান কোনোভাবেই মেনে যায়না। একইসাথে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের এই গণহত্যা বন্ধে জাতিসংঘের উদ্যোগে কুটনৈতিক এবং প্রয়োজনে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।

slide