ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

এক.

ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব কনক কান্তি দাস। এর আগে তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। তরুণ এই রাজনৈতিক ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে এক অসাধারণ মানুষ। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঝিনাইদহ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ পূজা উজ্জাপন কমিটির সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ পূজা উজ্জাপন কমিটির ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন ঝিনাইদহ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক।

২০০৯ সালের উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীতায় ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এসময় আমরা ঝিনাইদহ সদর উপজেলার অসহায় দরিদ্র মানুষের বিপদে-আপদে তার পাশে দাঁড়ানো ও সহযোগিতার হাত দেখেছি। উনি যেমন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত থেকেছেন তেমনি মুসলিম, খৃস্টানদের অনুষ্ঠানেও সম্পৃক্ত হয়েছেন। ঈদের আগে ওনাকে দেখেছি শহরের মোড়ে মোড়ে সেমাই, চিনি সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে মানুষের সাথে ঈদের ভাগীদার হয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা করেছেন।

ঝিনাইদহ জেলাপরিষদ চেয়ারম্যানঃ জনাব কনক কান্তি দাস.

২০১৫ সালের উপজেলা নির্বাচনে তাকে পরাজিত করার বিভিন্ন ষড়যন্ত্র আমরা দেখেছি। এবারো জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত প্রার্থী কনক কান্তিকে পরাজিত করার ষড়যন্ত্র হয়েছিল ব্যপকভাবে। কিন্তু জনগণের ভালবাসায় তিনি আজকে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।

গ্রুপিং নির্ভর রাজনীতিতে যারা মূলত আওয়ামী লীগের কর্মী ও সমর্থক তারা আজকের আদর্শ বিহীন রাজনীতির যাতাকলে পিষ্ট। কোন অদৃশ্য কারণে বিএনপি’র সন্ত্রাসীরা আজ বুক ফুলিয়ে বেড়ায় কিন্তু আওয়ামী লীগের লোকজন হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার!

গত ৬ তারিখে সদরের হাট গোপালপুর বাজারে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীগের সিনিয়ার সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম অপুকে প্রধান অতিথি করে জঙ্গিবাদ বিরোধী একটি সমাবেশ ও জনসভার আয়োজন করে সদর থানা আওয়ামী লীগ। কিন্তু বিরোধী একটি গ্রুপ পাল্টা সমাবেশের আয়োজন করায় ১৪৪ ধারা জারী করে প্রশাসন। জানিনা এখানে জঙ্গিবাদ বিরোধী সমাবেশ না করতে দেওয়ার সুফলতা কার ঘরে যাবে।

দুই.

গত কয়েক বছর আগে ঝিনাইদহ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের রাস্তায় গাছের ডাল ভেঙে তিন জন মারা যায়। ঝিনাইদহ শহরের বিভিন্ন রাস্তায় রয়েছে পুরাতন গাছ। যেগুলোর  অনেক ডালপালা বা মূল গাছটির অনেক জায়গায় শুকিয়ে গেছে। শুকনো ডাল ভেঙে অনেক সময় বিদ্যুতের লাইনের উপর পড়ে বিদ্যুৎ সংযোগের বিচ্ছিন্নতা ঘটায়। মরা ডাল ভেঙে পড়ে ঘটে বিভিন্ন দুর্ঘটনা। শহরবাসীর ও অত্র এলাকার নাগরিকদের দাবি ছিল এই সমস্ত মরা গাছ ও শুকানো ডালাপালা অপসারণ করা। পৌরসভার মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গা থেকে এর মধ্যে কিছুকিছু অপসারণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি জেলা পরিষদের এক সভায় এখন ঝড়ের মৌসুম হওয়ায় শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা থেকে মরা গাছ ও শুকনো ডালপালা অপসারণের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর গত পরশু জেলা পরিষদ কাজে হাত দেয়।

রাস্তার ছবি-১

.

কিন্তু ৭ তারিখ সকালে একটি মহল এটাকে পরিবেশের জন্য হুমকি বলে প্রচার করে। তারা মানব বন্ধনের ডাক দেয়। ঝিনাইদহের মানুষ অবশ্য সেই কথিত পরিবেশবাদী দের ডাকে সাড়া দেয়নি। এই পরিবেশবাদী দের একজন শহরের নামকরা ফার্ণিচার ব্যবসায়ী।

সব মিলিয়ে রাজনীতি কিসের জন্য ও কার পক্ষে এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ঝিনাইদহ শহরে। জনাব কনক কান্তি দাস রাত-দিন জেলার বিভিন্ন জায়গায় মানুষের ডাকে কাজ করে যাচ্ছেন। দায়িত্ব গ্রহণ করেই তিনি জেলা পরিষদের টেন্ডার উন্মুক্ত করেছেন। জেলার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন সব সময়। এই উন্নয়ন যারা বাধাগ্রস্থ করতে চায় তারা কারা? তাদের কিসের রাজনীতি? আবার কিছু সাংবাদিক আছেন যারা ফুটেজ নিয়ে রিভার্জ ডিলের অপেক্ষায় থাকে। ডিল না হলে খবর অন এয়ারে আসে।

কিন্তু ঝিনাইদহ বাসীর নিরাপত্তায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব কনক কান্তি দাসের আরো দৃঢ় পদক্ষেপ চাই আমরা। স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার আরো পরিচয় চাই আমরা।