ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি-আওয়ামীলীগের বাইরে অন্য কোন বিকল্প শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে চায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রগতিশীল জনতা। দুই দলের চরম হতাশাব্যাঞ্জক অবস্থান প্রগতিশীল জনতাকে বারবার মর্মাহত করেছে। প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠীর সাথে দুই দলের সখ্যতা বারবার প্রগতিশীল জনতাকে হতাশাগ্রস্ত করেছে।

Marxism-111

সামনের নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী গ্রগতিশীল দেশপ্রেমিক কোন বামজোটকে ক্ষমতায় দেখতে চায় বাংলার শান্তিকামী, দেশপ্রেমিক, প্রগতিশীল সাধারণ জনগন। প্রগতিশীল, দেশপ্রেমিক ও শান্তিকামী নেতৃত্বের দ্বারা একটি সরকার পরিচালিত হবে এরকম আকঙ্ক্ষা দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ থেকেই ছিল সাধারণ জনগণের মধ্যে। ৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত এবং অজস্ত্র মা-বোনের সম্ভ্রমের বিশাল ত্যাগের বিনিময়ে যে কারণে প্রতিক্রিয়াশীল পাকিস্তানী বর্বরদের হাত থেকে দেশ স্বাধীন করা। মানুষ প্রতিক্রিয়াশীলদেরকে বারবার প্রত্যাখান করেছে।

এরপরও তাদের সাথে বিএনপি-আওয়ামীলীগের সখ্যতা মানুষকে হতাশায় ফেলেছে। সাধারণ মানুষ মনে করে বিএনপি-আওয়ামীলীগ প্রতিক্রিয়াশীলদের বাইরে কিছু ভাবতে জানে না। তাই স্বাধীনতার এতগুলো বছর পরে এসেও মানুষকে দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের খোজ করতে হচ্ছে। দেশপ্রেমিক বামদলগুলোর মধ্যে ঐক্য স্থাপনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক একটি জোট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে জনগণের মাঝে নতুন গতি সঞ্চার হবে।

বাম নেতৃত্বে ঐক্যের ত্রুটি থাকলেও বাম দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেশপ্রেমে কোন ঘাটতি নেই সেটা সাধারণ মানুষ ভাল করেই জানে। জনগণের অধিকার আদায়ের প্রতিটি আন্দোলনে বামদলগুলোর অবস্থান বারবার জনগণকে দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখিয়েছে। সকল বামদলগুলোর ঐক্য স্থাপনের মাধ্যমে বিকল্প শক্তি হিসেবে বিকল্প একটি জোট গঠনের পর জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রগতিশীল প্রতিটি মানুষের চাওয়াকে বাস্তবে রূপান্তর করতে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি বলে মনে করছে দেশের সচেতন প্রগতিশীল রাজনৈতিক মহল।