ক্যাটেগরিঃ ক্যাম্পাস

 

ফোনে বাসা থেকে একটা খবর শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল। আজ ঢাকার একটা নামকরা স্কুলে প্রথম শ্রেণীর অর্ধ-বার্ষিকী পরীক্ষার রেজাল্ট হয়েছে।

১) একটা ছোট্ট শিশু, যে সেই স্কুলের প্রথম শ্রেনীর ইংরেজি ভার্শনে পাঁচ বিষয়ের মধ্যে ৪টাতে একশো তে একশত নম্বর পেয়েছে আর একটাতে পেয়েছে ৯৮ নম্বর। এই একটাতে মাত্র দুই নম্বর কম পাওয়ার কারণে সেই মেয়েটিকে তার মা স্কুলের মধ্যেই বেদম মারপিট করে সেখানেই রেখে চলে গেছে। শিশুটি স্কুলে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কান্না করছে।

২) আমার মেয়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বান্ধবী ওর সাথেই পড়ে। ও রেজাল্টে আমার মেয়ের চেয়ে খারাপ করেছে বা ওর মা’র মনমত হয়নি; তাই স্কুল থেকে বাসা পর্যন্ত সারাপথটা ওকে মারতে মারতে নিয়ে এসেছে ওর মা।

৩) আমার মেয়ে যা রেজাল্ট করেছে তাতেই আমি খুব খুশি। আমি আমার মেয়ের মাকে আগেই মোটিভেট করে রেখেছি এই বলে, “ও যে পরীক্ষা দিচ্ছে এতেই আমাদের খুশি হওয়া উচিত সবার আগে”। খবরটা ফোনে শোনামাত্র বললাম, আজ সুতপাকে পোলাও, পায়েশ রান্না করে খাওয়াও আর বল, তোমার রেজাল্টে আমরা খুব খুশি হয়েছি।

এই প্রেক্ষিতে আমি বলতে চাই, শুধু বাচ্চাদের স্কুলে পড়ালেই হবে না- বাচ্চাদের বাবা-মা’দের জন্যও স্কুলের ব্যবস্থা করাটা এখন সময়ের দাবী।

আর সেই শিক্ষাটা গতানুগতিক স্কুলে হলে হবে না; হতে হবে যুগোপযোগী। যেমন-

১) ঢাকার পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে একমাসের হাতেনাতে শিক্ষা।

২) ইট ভাটায় ডেপুটেশন।

৩) স্যুয়ারেজ লাইন পরিষ্কারের হাতে-বাঁশে কাজকর্ম।

এতে করে সরকারের পয়সা তো খরচ হবেই না বরঞ্চ শিক্ষানবীশ বাবা-মায়েরা কিছু আয়ও করতে পারবে।

বাকীটা আপনাদের বিবেচনা >>>

২২/০৮/২০১৬