ক্যাটেগরিঃ স্যাটায়ার

 

ঝা চকচকে শহর, ন্যাচারাল বিউটি আর প্রমোদ ভ্রমণ করতে করতে ইউরোপ, আমেরিকার ধনী লোকেরা বিরক্ত হয়ে গেছে। এছাড়াও তারা এত এত ভোগ করেছে যে, আর কোনকিছুতেই চার্ম খুঁজে পাচ্ছে না। ফেসবুকিং, অনলাইন চ্যাটিং, পর্ণ মুভিও আগের মত করে টানছে না। এককথায় লাইফে কোন নতুনত্ব খুঁজে না পেয়ে তাদের জীবনটা একদমই আলুনি হয়ে গেছে।

ঠিক, এমনি সময় তাদের দেশের ট্রাভেল এজেন্সিগুলো খোঁজ দিলো, পৃথিবীতে এমন একটা দেশ আছে যা আসলে দেখতে দেশের মত হলেও সেটা মূলত একটা আস্ত ডাস্টবিন। আর সেখানে যারা বসবাস করে তারাও দেখতে মানুষের মত মনে হলেও আসলে সেগুলো পিগ!

Ctg-2

যেই কথা, সেই কাজ। পড়ে গেল হুলস্থুল। নতুনত্বের খোঁজে তারা হুমড়ি খেয়ে পড়লো এজেন্সিগুলোতে! অনেকটা গ্যালিভার ট্রাভেলসের মুভি দেখার মত করে তারা অনলাইনে হুমড়ি খেলো! কিন্তু তাদের দেশের সরকারের কাছ থেকে তারা সেইদেশে ভ্রমণের অনুমতি পেল না। কারণ সেই দেশের আকাশে-বাতাসে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া আর ম্যালেরিয়া জীবানু ঘুরে বেড়ায় সবসময়। রাস্তাঘাট, শহর সবসময় থাকে জলের নীচে। এছাড়াও সেখানে সেসব খাবার বিক্রি হয় ও খাওয়া হয়; তার সবকিছুতেই আছে গু’র ডাইরেক্ট মিশ্রণ।

এমনি সময়, নতুন ব্যবসায় আইডিয়া নিয়ে এলো ট্রাভেলস এজেন্সিগুলো, আর সেটা হলো- ড্রোন ভ্রমণ। অর্থাৎ ঘরে বসেই ড্রোনের ক্যামেরাতেই সেইদেশ ভ্রমণ করা যাবে। এতে করে চার্মও পাওয়া যাবে, আবার অসুখ ধরবে না!

Ctg

যুগের কথা হলো- বুদ্ধিতেই ব্যবসায় সমৃদ্ধি! ব্যাস! এই বুদ্ধির ব্যবসাটাও ক্লিক করে গেল! অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ডাস্টবিনটার আকাশ ক্যামেরাবাহিত লক্ষ লক্ষ উড়ন্ত ড্রোনে ভরে গেলো।

তারপর থেকেই ‘ড্রোন পর্যটন’ বিশ্বের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়লো, আর তাদের সবকয়টার গন্তব্য ছিলো এইদিকে- ওইদিকেও।

ছবি সুত্রঃ ফারদিন ফেরদৌসের ফেসবুক পেজ।

২৬/০৭/২০১৭