ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

 

সবে প্রাইমারী পেরিয়ে হাই স্কুলে, বাবা মাঝে মাঝে বলতেন, সব ক্লাসমিট বন্ধু হতে পারে না। কলেজ জীবন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে বন্ধু পেয়েছিঅসংখ্য। বয়স বাড়ার সাথে সাথে সুখের ও দূ:খের বন্ধু পেলাম। প্রেরণা দিতেন বাবা, মা,পরিবারের লোকজন ও হাতেগুনা গোটাকয়েক বন্ধু। সিলেটে জন্ম, লেখা পড়া, বিরাট বন্ধুমহল সবই পেলাম, সিলেটে। শেষে এসে পেলাম জীবন সঙ্গী তাও সিলেটে। যাক অনেক বললাম নিজের কথা।

আমার ক্ষোভ, অভিমান সেই সিলেটের বন্ধুদেরই উপর। একটি সময় সিলেটের প্রান্তিক এরিয়া ছিল, যারা (বন্ধু বান্ধব) নাটক করত সবাই সেই প্রান্তিক প্রাঙ্গনেবসে আড্ডা দিত। আমি বলতাম ঐ এলাকাকে নাটক পাড়া। সময়ই এদের কাছে হতে দুরেসরার। নাট্যকার সব বন্ধুরা আড্ডা শুধু নাট্যকারদের সাথেই। আস্তে আস্তে ওদের সাথে এমন দুরত্ব হল যে, একই শহরে থেকে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেল চিরতরে। কেউ কারো খবর জানিনা। ফেসবুকে আবার মোটামোটি সেতু বন্ধন হল পুরাতন বন্ধুদের সাথে। ভালই চলছে শত ব্যস্ততায় কাজের মাঝে, যখন সেই বাল্যকালের বন্ধুদের কাছেথেকে লাইক, কমেন্ট পাই ফেসবুকে বসতে উৎসাহিত করে।

কর্ম জীবনে পেলাম আরেক চিত্র। এই জায়গাটা সত্যি অদ্ভূত। নিজের স্বার্থের জন্য নিজের হিনমন্নতা কে প্রকাশ করে আরেক জনকে ছোট করা। আমি রাজনীতি করিনা, কিন্তু রাজনীতির শিকার হচ্ছি দিনে দিনে। এরা মুখোশধারি গোটা কয়েক আমার সহ কর্মী সাংবাদিক মহলে। এরা নিজেদের প্রগতিশীল বললেও হৃদয়ে পুষন করছে মেডইন পাকিস্তনের জামাতি আদর্শ। তারা নিজেদের অবস্থান পরিপুরক করতে হেন কাজ নাইযে করতে পারে না। আমাকে অনেকবার এই পেশা থেকে সরানোর জন্য চেষ্টা চালানো হয়েছে চলছে ষড়যন্ত্র। কিন্তু হ্যাঁ এই পেশায়ও সত্যিকারের ভাল লোকজন আছেন, যারা প্রতিক্ষণ আমার মত অবহেলিত সাংবাদিকের পাশে থেকে হৃদয় খুলে কাজের উৎসাহ দিয়ে যান। কৃতজ্ঞতা তাঁদের জানাই। এদের মত বন্ধু পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করি। ধন্য ও কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করি ব্লগ.বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর কে।