লেখক ও লেখার উপায়

/

কিছুদিন আগে একটা অনলাইন পত্রিকার নিবন্ধে- লেখকদের জন্য বলে যাওয়া আর্নেস্ট হেমিংওয়ের দিক নির্দেশনামূলক কিছু সাজেশন পড়েছিলাম। তাতে তিনি বলেছিলেন, লিখতে চাইলে পড়তে হবে সবার আগে। আর ‘কী লিখবো’ তা নিয়ে চিন্তা না করে একটা সত্য কথা লিখে ফেলতে হবে, তারপর সেই সত্যটাকে ব্যাখ্যা করতে করতে এগিয়ে গেলেই দেখা যাবে আমাদের অবচেতন মন লিখতে শুরু… Read more »

লেখকের জীবনে পাঠকের ভালোবাসা

/

ফটো ক্রেডিট: সুনায়না ইসলাম   একজন লেখকের জীবনে পাঠকের ভালোবাসা হলো মহা মুল্যবান গুপ্ত সম্পদের মতো।একটা বিল্ডিংয়ের শক্ত পিলার গুলোর মতো।যে কোন দুর্যোগে লেখককে বাঁচিয়ে রাখে। পৃথিবীতে হাজার হাজার লেখক আছেন নানা ভাষায়। প্রতিটি লেখক তার সময় এবং অভিজ্ঞতাকে নিজের অনুভূতিতে কলমে কিংবা কিবোর্ডে তুলে ধরে। কেউ কেউ হয়তো লেখক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে লিখে, কেউ… Read more »

নিতাই বাবুঃ তোমার দৃষ্টি ছোঁবে অসীম আকাশ

/

মাঝবয়সী একজন নিখাদ মানুষ নিতাই বাবু; মন যার চির তরুণ। আমাদের বন্ধু, ভাই ও সুহৃদ। আমাদের ফোরামে ০৩ মার্চ ২০১৫ সালে ব্লগার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। মাত্র এক বছর সাত মাস সময়ে বিচিত্র বিষয়ে ব্লগ.বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর.কমে লেখালেখি করে নাগরিক সাংবাদিকতার আইকনরূপে হাজির হয়েছেন। কর্মব্যস্ত জীবনের সামান্য অবসরে স্মার্টফোনের কীবোর্ডে আঙ্গুল চালনার মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহেই কোনো না কোনো… Read more »

সাহিত্য মজলিস- ২

/

অন্যের লেখা যেমন তেমনি নিজের লেখাকেও সমালোচনার দৃষ্টিতে পড়তে হয়। নিজের লেখাকে সাহিত্যের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে যতবার পড়া হবে ততবার নতুন নতুন কিছু শেখা হবে। লেখার সৌন্দর্যগুলো ফুটে উঠবে আর ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলো ধরা পড়বে। ধীরে ধীরে লেখা পূর্ণতার দিকে পা বাড়াবে। তাই নিজের লেখা থেকে নিজের সাহিত্য সমৃদ্ধি করা বুদ্ধিমানেরই কাজ বটে। অন্যের লেখাকে আমরা যেমন… Read more »

সহব্লগার ও পাঠকদের মন্তব্য লেখকের জন্য অবশ্য প্রত্যাশিত

/

অনেক ব্লগার তার সহব্লগারদের লেখায় তেমন কোন মন্তব্য করেন না বলে এক ব্লগারের পো্স্টে মন্তব্য করেছেন আমাদের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত লেখক আইনরিন সুলতানা অভিযোগ করেছেন। এ অভিযোগের উত্তর দিতে গিয়ে সহব্লগার ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন মন্তব্য করেছেন তিনি ক্যাচাল পছন্দ করেন না বলেই মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন। আমাদের আইরিন আপা এ নিয়ে একটু বিরূপ মন্তব্যই করেছেন,… Read more »

বাস্তবের হিমুরা কাঁদে

/

নব্বইয়ের দশকের সেই হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটা এখন কেতাদুরস্ত যাপিত জীবনে অভ্যস্ত। নাটকের একটি চরিত্রের জীবনের প্রার্থনায় যে ছেলেটা তার ছোট ছোট হাত উঁচিয়ে প্রার্থনা করেছিল সেই এখন বাস্তবের মৃত্যুতেও কাঁদে না। এখন সোডিয়াম বাতির আলোতে ল্যাম্প পোস্টের গোঁড়ায় দাঁড়িয়েই চাঁদের অভাব ঘুচিয়ে ফেলে সে। জ্যোৎস্না তাকে টানে না। চার কি পাঁচ বছর বয়সী একটা শিশু… Read more »