শিল্পপথে দিশাহীন বাংলা চলচ্চিত্র

/

  একের পর এক সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শিল্পের সবচে’ শক্তিশালী মাধ্যম এখন ধুকছে। এক হাজার আসনের সিনেমা হলে দর্শক পাওয়া যায় মাত্র ৩৫ জন। না আছে ভালো গল্প, না আছে নির্মাণের মুনশিয়ানা। বাংলা চলচ্চিত্র এ বড় দুঃসময় পার করছে। মানসম্পন্ন চলচ্চিত্রের অভাবে দর্শকরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন দেশীয় চলচ্চিত্র থেকে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের এসবই হলো… Read more »

‘যৌনতাহীন’ দেশে কুসুম শিকদারের আদালত দর্শন

/

কুসুম সিকদারের ‘নেশা’ গানটি দর্শকদের মনে কতোটা নেশা ধরিয়েছে জানি না, তবে কারো কারো মনে যে জ্বালা ধরিয়েছে, এটা নিশ্চিত। সম্প্রতি কুসুম সিকদারের ‘নেশা’ গানটির বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার কথা বলছি। মামলাকারীর মতে এখানে যৌনতাকে উপজীব্য করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন আসে যৌনতা কি অশ্লীল? যৌনতা যদি অশ্লীল হয় তাহলে আমরা তা আমাদের বাস্তব জীবন থেকে… Read more »

শিল্প-সাহিত‍্যে স্বকাম

/

ইংরেজি ‘ম‍্যাসটারবেইশন’ শব্দের প্রচলিত বাংলা প্রতিশব্দের যুক্তাক্ষর বা ঐ-কার শব্দটির আয়তন যতটা বাড়িয়েছে শ্রতিকটুতা ততটা কমাতে পারেনি।  তাই ‘হস্ত’ রেখে শব্দমৈথুন করে ‘স্বকাম’ নিয়ে এগুতে হলো।  এটাই শিল্প।  দেখার চোখ ও বোঝার চোখের মধ‍্যে যেটুকু ফাঁকি দিয়ে ততটুকুই শিল্পের পরিব‍্যাপ্তি।  শিল্পীরা এখানেই আমাদের থেকে ভিন্ন।  তারা ভিন্ন কিছু দেখে না, সাধারণ বিষয়কে ভিন্নভাবে অনুধাবন করে।… Read more »

চ্যানেলের আধুনিক টিভি নাটক

/

এটা শুনতে শুনতে আমরা প্রায়ই বেদবাক্য বলেই ধরে নিয়েছি যে, বাংলাদেশি টিভি নাটক মানেই সেই লেভেলের একটা জিনিস।  কিছু ক্ষেত্রে হয়তো সত্য ছিলো, কিন্তু অনেকেই আর সেই জৌলুস খুঁজে পান না। আমার দেশের গ্রাম বাংলা বলুন, আর শহুরে মধ্যবিত্তের নাগরিক অন্দরমহল সবখানেই বিদেশি চ্যানেলের আধিপত্য। এলিটরা বোধহয় বাংলা কিছু দেখলে নাক সিঁটকে চলে যান। তাদের… Read more »

পরিকল্পিত হত্যা বনাম পুলিশের আত্মরক্ষা- হতে পারে ’ডিফেনসিভ’ থেকে ’অফেনসিভ’

/

ঢাকার আসুলিয়াতে একটি চেকপোস্টে পুলিশ সদস্যদের উপর হামলা করে দুর্বৃত্তরা একজন পুলিশ কনস্টেবলকে নিহত করেছে। আর একজন গুরুতর আহত। নন্দন পার্কের কাছে এ চৌকিটিতে শিল্প পুলিশ-১ থেকে কনস্টেবল সরবরাহ করা হত। কিন্তু দায়িত্বে থাকেন আসুলিয়া থানার পুলিশ অফিসারগণ। সকলা প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে পাঁচজন পুলিশ সদস্য ডিউটি শুরু করার পর পরই একটি মোটর সাইকেলে তিন… Read more »

আসামের বাঁশশিল্প দোকান

/

একটা সময় আমাদের বাড়ীর যা যমুনা নদীতে ভেঙে গেছে; পিছন পাড়ায় পাটনি সম্প্রদায়ের মানুষ থাকতো। ওদের পেশাই ছিল বাঁশ দিয়ে নানা রকমের তৈজসপত্র যেমন বাজারের খালই, ঝাঁকা, মাছ ধরার পলো-ধিয়ার সহ গৃহস্থালী ও কৃষিকাজে ব্যবহার্য নানা জিনিষ বানানো। ছোটবেলায় আমি তাদের পাড়ায় যেয়ে সেগুলো বানানো দেখতাম। বন্যার সময় হলে দাদা’রা মিলে মাছ ধরার ধিয়ার-বানা বানিয়ে… Read more »

slide