ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

image-31546-1494138398
২০১৯ সাধারণ নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদের নেতৃত্বাধীন জোট বিপুল ভোটে নির্বাচিত! কি অসম্ভব ঠেকছে? কেন অসম্ভব ঠেকছে বলুন তো? এই প্রথম ৯৫% মুসলিমের দেশে ৫৮টি ১০০% ইসলামি দল নিয়ে একটি জোট গঠিত হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই তো এ জোটের কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপির পাত্তা পাওয়ার কথা নয়। তার সাথে নাকি আরও দুটি দল যুক্ত হয়ে সেটি ষাট দলীয় জোটে পরিণত হতে যাচ্ছে। তাহলে তাত্ত্বিক আলোচনায় তো এটাই প্রতিষ্ঠিত হয়, যে আগামী নির্বাচনে এই জোট বিপুল ভোটে জয়লাভ করবে! নাকি?

তবে বাস্তবতা হল তেমনটি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। এমনকি এই জোট ভোটের মাঠে তেমন কোন প্রভাব বিস্তার করতেও সক্ষম হবে না। আর সেটা এরশাদ সাহেব নিজেও বেশ ভাল ভাবেই বুঝতে পারেন। প্রশ্ন হল তাহলে কেনই বা এমন নাম সর্বস্ব দল নিয়ে জোট গঠন?

কারণ তো একটা অবশ্যই আছে। তবে সে কারণ খুঁজতে গেলে আমাদের একটু পেছনে যেতে হবে। এ দেশে পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ের শাসকগণ জনসাধারণকে আওয়ামী লীগ থেকে সরিয়ে আনার জন্য অথবা বলা যায় দলটিকে এ দেশ থেকে নির্মূল করতে ইসলামো ফোভিয়ার জীবাণুটি ছড়িয়ে দেয় খুব সফল ভাবে। যা আমাদের মন জগতকে পুরোপুরি দখল করে নিতে পারলেও প্রবল ভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলে। ফলে দেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী দ্বিধান্বিত হয়ে পরে। একটা সময়ে যা তাদের আত্ম-পরিচয়ের সংকটে ফেলে দেয়। যেখান থেকে এ জাতি কখনোই বের হয়ে আসতে পারে নি। তারা বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যেতে থাকে হিন্দুয়ানী প্রচারণায়। জাতির মনোজগতের এই পরিবর্তন থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে গিয়ে কোন দলই এর প্রতিকারের পথে হাঁটে নি। বরং যে যার মত করে পেরেছে নিজেদের স্বার্থানুকুলে একে উস্কে দিয়েছে। এমন কি আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসেও আর উজান বাওয়ার সাহস করে নি। ফলে মুখে তারা বাহাত্তরের সংবিধানে যাব বললেও শেষ পর্যন্ত বাস্তবতার কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

বাংলাদেশে বাম রাজনীতি কখনোই ভাল করতে না পারার পেছনেও প্রধান কারণটি হল এই ইসলামফোভিয়া। বাম রাজনীতি মানেই ধর্মহীনতা এটা একটি সাধারণ ধারণা। সে ধারণা থেকে আজ অবধি বাম ধারার রাজনৈতিক দলগুলো বেড়িয়ে আসতে পারে নি। অবশ্য সে চেষ্টা তাদের মধ্যে কখনো লক্ষ্য করাও যায় নি। ফলে শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে তারা সর্বদা সোচ্চার থাকলেও ধর্ম হীনতার ভয়ে সাধারণ মানুষ এই লোকগুলোকে সর্বদাই দূরে ঠেলে দিয়েছেন। অথচ এ দেশে বাম রাজনীতির সাথে জড়িত বেশির ভাগ নেতাই ব্যক্তি হিসেবে এ দেশের মানুষের কাছে কাছে অন্য সব দলের নেতাদের থেকে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য এবং সম্মানিত। তারা অনেকটা রাজনৈতিক শিক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ। তারা ডাক দিলে পকেটের টাকা খরচ করে মানুষ তাদের বক্তৃতা শুনতে যাবেন। প্রখর রোদে তাদের পেছনে প্রতিবাদী মিছিলে শরিক হবেন ঠিকই কিন্তু নির্বাচনী মাঠের লড়াইয়ে সযত্নে এই মানুষগুলোকে এড়িয়ে চলবেন। এটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখানে মূল কারণটা ঐ ধর্ম নিয়ে শঙ্কা!

বামদের নিয়ে মানুষের এই সাধারণ ধারণা থেকে বের করে আনতেই নাকি দুজন বাম নেতাকে মন্ত্রী পরিষদে ঠাঁই করে নেয়ার জন্য ওমরা হজ্জ্ব আদায় করতে হয়েছে! এ সব কিছুই মানুষের মনগড়া মন্তব্য। কেননা ধর্ম তো আঁচারের থেকেও বেশি নির্ভর করে বিশ্বাসের উপর। আর কে যে কি বিশ্বাস করে সে খবর তো কেবল তার অন্তর্যামীই রাখেন। তবে সাধারণ মানুষ কিন্তু ঐ আঁচার বিচারটাই বড় করে দেখে।

আওয়ামীলীগের সাথে বিএনপির আদর্শিক যে পার্থক্য, বাঙালি জাতীয়তাবাদ আর বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের মধ্যে। সেখানেও মূল দেয়ালটা তুলে দিয়েছে এই ধর্ম। এমনও বলা হয়েছে আওয়ামীলীগ যে বাঙালি জাতীয়তাবাদের কথা বলে সেটা মূলত হিন্দুত্ববাদ। আমরা মুসলমান আমরা কেন হিন্দুত্ববাদ মেনে নেব? অতএব বাঙালি জাতীয়তাবাদ এর জায়গায় বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ নিয়ে আসতে হবে। এটা যে স্রেফ একটা রাজনৈতিক ভণ্ডামি সেটা সাধারণ মানুষের বুঝতে অক্ষম।

এ দেশে ধর্মকে এমন ভাবে রাজনৈতিক কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে যে, এক সময় আওয়ামী বিরোধী শক্তি আওয়ামী লীগ সম্পর্কে এমন প্রচারণাও চালিয়েছিল, এই দল ক্ষমতায় এলে দেশে ইসলামই থাকবে না। আর এ ভাবেই এ দেশের রাজনীতিতে ধর্ম একটি বিশেষ জায়গা নিয়ে রেখেছে অনেক দিন ধরেই। রাজনৈতিক দল গুলোর অব্যাহত ভাবে ধর্মের কার্ড খেলার ফলে দিন দিন তার প্রভাব বেড়েই চলেছে। প্রশ্ন হল, এত যখন ধর্মের প্রতি আনুগত্য তখন ধর্মাশ্রিত দলগুলো কেন ভোটের নির্বাচনে জামানত হারায়?

এ ক্ষেত্রে বিষয়টা অনেকটা বামদের মতই। ধর্মের নাম করে বা ধর্ম রক্ষার নামে যখনই কোন ধর্মীয় নেতা ডাক দিবেন পকেটের টাকা খরচ করে মানুষ তার বক্তৃতা শুনতে চলে আসবে, প্রখর রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজেও প্রতিবাদী মিছিলে শরিক হতে রাজি হবে। কিন্তু তারা নির্বাচনী মাঠে লড়াইয়ে শামিল হলে সেই মানুষগুলোই তাদেরকে ভোট দিতে রাজি হবে না।

বিষয়টা অনেকটা এমন দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষ ধর্ম রক্ষার্থে ধর্মীয় নেতাদের মেনে নেন ঠিকই কিন্তু দেশ শাসনে তাদের উপর আস্থা রাখতে পারেন না। আবার দেশের স্বার্থ রক্ষার্থে এবং শ্রেণী বৈষম্য কমাতে বামদের উপর আস্থা রাখতে পারলেও দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে ধর্ম হীনতার শঙ্কায় এ দেশের মুসলমানরা বামদের উপর আস্থা রাখতে পারেন না।

সাধারণ মানুষের এই অন্তঃদ্বন্দ্ব দেশের বড় দুই দল বুঝতে পেরেই বামদের মঞ্চে তোলেন ভাল মানুষী দেখাতে আর ধর্মীয় নেতাদের মঞ্চে তোলেন ধর্মের রক্ষক হিসেবে প্রমাণ করতে।

এ ক্ষেত্রে প্রথমদিকে দুই দল দুই অংশকে প্রাধান্য দিতে শুরু করে। আওয়ামীলীগ বামদের আর বিএনপি যুদ্ধাপরাধী ভেদাভেদ না করেই ইসলামী লেবাস ধারীদের নিয়ে রাজনীতি করতে থাকে। হাস্যকর হলেও এটা তো সত্য আমাদের দেশের বাস্তবতায় ভাল মানুষীর থেকে ধর্মীয় লেবাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। ফলে বিএনপি প্রথম থেকে তাদের মঞ্চে ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দলটিকে যতটা ইসলামি ভাবাপন্ন করে উপস্থাপিত করে রাজনৈতিক সফলতা লাভ করেছে। আওয়ামীলীগ বামদের সাথে গাঁটছড়া বেধে ইসলামের স্বার্থে বিএনপির থেকে অনেক বেশি কাজ করেও সেই জায়গায় পৌঁছতে পারে নি। বিএনপি রাজনীতির এই কুট চালে আওয়ামীলীগকে হারিয়ে দিয়েছে অনেক আগেই এটা অনস্বীকার্য।

আমাদের মতো আবেগ সর্বস্ব জাতির ক্ষেত্রে ধর্মীয় লেবাস ধারীরা সঙ্গে থাকলে ধর্মীয় কার্ডটি খেলা একদিকে যেমন সহজ হয় অন্যদিকে তেমনি বিশ্বাসযোগ্যও হয়। এটা দেখেই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি এরশাদ সংবিধানেই ধর্মকে ঢুকিয়ে দিলেন। যাতে করে তিনি জাতীয় পার্টিকে বিএনপির থেকেও আরেক ধাপ উঁচু স্তরের ইসলামী ভাবাপন্ন দল বলে জাহির করতে পারেন।

ধর্ম নিয়ে রাজনীতির এই নোংরা খেলায় বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয় সঙ্কট আরও প্রকট হয়ে উঠল। আওয়ামী লীগ এতকাল ধরে ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিকতা এড়িয়ে বাঙালি সংস্কৃতি আগলে রেখে যে রাজনীতি করে আসছিল। বিরোধী পক্ষের ইসলামফোভিয়ার কাছে তা যখন মার খেতে শুরু করল তখন আওয়ামীলীগকেও ক্ষমতায় যেতে ধর্মীয় লেবাস ধারিদের তোষণের নীতি অবলম্বন করতে হল।

আওয়ামীলীগের সবথেকে বড় স্খলনটি আমরা দেখতে পাই ২০০৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মধ্যে স্বাক্ষরিত পাঁচ দফা নির্বাচনী চুক্তির মধ্য হতে। যদিও পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আওয়ামীলীগ তা ভেঙ্গে দিয়ে মুখ রক্ষার চেষ্টা করে।

ঐ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা এবং ব্লাসফেমি আইন করার ঘোষণা দেয়। তখন পাঁচ দফা চুক্তিকে নিজেদের বিরাট সাফল্য বলে প্রচার মাধ্যমকে অবগত করেছিল খেলাফত মজলিস।

ধর্মীয় কার্ড ব্যবহার করে আওয়ামীলীগকে ইসলাম বিদ্বেষী রূপে চিত্রায়নটা যে কতটা শক্তিশালী ছিল তার প্রমাণ মেলে তৎকালীন খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হুমায়ুন কবীরের ২৫ ডিসেম্বর ২০০৬ এ দৈনিক প্রথম আলোকে এক সাক্ষাৎকারে। যেখানে তিনি বলেছিলেন, তাঁরা দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগকে ভুল বুঝেছেন। এ চুক্তি বাস্তবায়িত হলে শুধু খেলাফত মজলিসের নয়, গোটা মুসলিম উম্মাহর বিজয় হবে। তাঁর মতে, বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলেম-ওলামাদের দূরত্ব তৈরি করে রাখা হয়েছিল। তাঁরা এখন সেটা বুঝে গেছেন।

উল্লেখ্য যে, দলের একাংশ এবং সুশীল সমাজ সহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের অব্যাহত চাপের মুখে ২০০৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি আওয়ামী লীগ একতরফা ভাবে বাতিল করতে বাধ্য হয়। আর সেটাই ছিল স্বাভাবিক। কারণ এ দেশের মানুষ ধার্মিক তবে গোঁড়া নয়। এ দেশের মানুষ ধর্মকে ব্যক্তি পর্যায়ে লালন করেন। তারা একদিকে যেমন মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন আবার ঘরে এসে প্রাণ ভরে রবীন্দ্র সঙ্গীতও শোনেন। তারা এক দিকে যেমন দুই ঈদের উৎসবকে নিজেদের বলে মনে করেন ঠিক তেমনি নবান্ন এবং পহেলা বৈশাখ উদযাপনকেও নিজস্ব সংস্কৃতির অংশ বলেই মানেন। ফলে এখানে যেমন নাস্তিকতার জায়গা হয় না তেমনি গোঁড়ামি ধর্মীয় উন্মাদনারও স্থান হয় না। কাজেই আওয়ামীলীগ বিএনপি উভয় দলকেই নিজেদের একই সাথে প্রগতিশীল ও ধর্মীয় ভাবাপন্ন বলে প্রমাণ করতে হয়। আওয়ামী লীগের হেফাজত তোষণ এ দেশের সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে বিবেচনায় নেয়ারই ফল।

কাজেই আওয়ামী লীগের সরাসরি ইসলামী দলগুলোকে তোষণ নীতি গ্রহণ বা এরশাদকে দিয়ে একতাবদ্ধ করে নিজেদের পাশে রাখার কৌশলকে রাজনৈতিক প্রতারণা বলার কোন সুযোগ নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এর কোন বিকল্প আওয়ামীলীগের হাতে নেই।

এরশাদকে দিয়ে ধর্মীয় দলগুলোকে একতাবদ্ধ করে নিজেদের পাশে ধরে রাখার কথা বলছি এই জন্যেই যে, ৫৮ দলের জোট নিয়ে জাতীয় পার্টির থেকেও আওয়ামী লীগের নেতারা অনেক বেশি উচ্ছ্বসিত। আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ তো বলেই দিয়েছেন, এই জোটের কারিশমা নাকি আরো দেড় বছর পর পাওয়া যাবে। তিনি বা তারা যদি এর পেছনের চালিকা শক্তি নাই হবেন তাহলে তিনি কি করে এটা বলতে পারছেন? অতএব এটা জলের মতই পরিষ্কার যে, এরশাদের জাঁতীয় পার্টির অধীনে বলা হলেও আসলে এই জোট আওয়ামীলীগের অধীনেই গঠিত এবং পরিচালিত। যার একমাত্র লক্ষ্য ইসলামের নাম করে যাতে বিএনপি আর আওয়ামী লীগের ভোট কাটতে না পারে। এই জোট যে কতবার ভাঙ্গবে কতবার গড়বে তা সময়ই বলে দেবে। তবে শেষ পর্যন্ত যারা জোটবদ্ধ থাকতে পারবেন ২০১৯ এর নির্বাচনে জাতীয় পার্টি সহ সেই গোটা জোটটি যে আওয়ামীলীগের মঞ্চে এসে উঠবে না তা ভাবার কোন কারণ নেই।

সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ তাদের স্বকীয়তা বিসর্জন দিয়েছে এমনটিও বলা যাবে না আবার ধর্মের কার্ডটিও আর হাতছাড়া হবে না। একই সাথে বাম দলগুলোর সাথে গড়ে ওঠা সম্পর্কেও চির ধরার অবকাশ থাকবে না। আবার কোন কারণে যদি বিএনপি ঐ নির্বাচনেও অংশ না নেয় তাহলেও এরশাদের জাতীয় পার্টি এই জোটকে নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিতে পারবে।

কাজেই আওয়ামী লীগের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এমন একটি রাজনৈতিক জোট গঠন ও কলেবর বৃদ্ধি করার চেষ্টাই আওয়ামী লীগের জন্য সময়োপযোগী এবং সঠিক সিদ্ধান্ত বলে মনে হবে। কিন্তু ধর্মীয় দলগুলোকে এমন আস্কারা দিয়ে আমাদের চিরায়ত বাঙালি সংস্কৃতিকে আরও বেশি হুমকির মুখে ফেলে দিবে কিনা সেটাও ভেবে দেখা জরুরী। আওয়ামী লীগকে এটাও মনে রাখতে হবে, দলটির প্রাণ ভোমরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হলে তার আদর্শ, তার দেখানো পথেই চলতে হবে। কোন রকম আপোষ যেন দলকে সেই আদর্শ বিচ্যুত না করে ফেলে।

Kmgmehadi@gmail.com