ক্যাটেগরিঃ প্রশাসনিক

 

মশা মারার জন্য যে ওষুধটি ছিটানো হয় সেটি বিষ। তাহলে নিশ্চয়ই এটি মানুষের জন্যও ক্ষতিকর। যে স্প্রেম্যান ওষুধ ছিটাচ্ছে তারও কার্যত কোনো ট্রেনিং আছে বলে মনে হলো না, কারণ, তার নিজের মুখে কোনো মাস্ক নেই। শরীরও অনাবৃত। পথচারীদের দাবি, মশা মারার ওষুধ ছিটানো উচিৎ অফ-টাইমে।

(ভিডিওটি পুরনো ঢাকার প্যারিদাস রোড থেকে গত সপ্তাহে করা।)

খুব বড় করে দেখার মত বিষয় না হলেও তা উল্লেখ করা প্রয়োজন নীতি আর দুর্নীতির পার্থক্যটি সব সময়ই খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে। তবে এলাকাবাসী অনেকের কথা ধরলে বিষটি গুরুত্বপূর্ণই। তারা বলছে স্প্রেম্যান টাকা নিয়ে বাড়ির ভেতরে ভেতরে ঢুকে ওষুধ ছিটায়। আবার যেখানে ওষুধ দেওয়া দরকার এমন অনেক জায়গায় দেয় না। ভিডিওটিতেও তার প্রমাণ রয়েছে। দেখা যাচ্ছে একজনের কাছ থেকে টাকা চেয়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি ফিরে আসছেন। এর আগে অবশ্য একটি বাড়ি গিয়ে সফল হয়েছেন। এর বাইরেও অভিযোগ রয়েছে নানান ধরনের। যেমন, আমরা জানি সিটি কর্পোরশনে বড় বাজেট থাকে মশা নিধনের জন্য। কিন্তু কার্যত মশা এখন ঢাকা শহরের সবখানে। তাহলে পনেরো থেকে বিশ কোটি টাকায় আসলে হচ্ছেটা কী? কতটুকু কাজ হচ্ছে?

পত্রিকার খবর থেকে জানা যায়, মশা নিধন কার্যক্রমের জন্য চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) ২৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এ খাতে গত অর্থবছরে (২০১৫-১৬) বাজেট ছিল ১৪ কোটি টাকা। ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।  

অন্যদিকে চলতি অর্থবছর মশক নিধন কার্যক্রমের জন্য ডিএসসিসির বাজেট বরাদ্দ ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গত বছর বরাদ্দ ছিল ১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সংশোধিত বাজেটে ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

যদিও সমস্যা বিবেচনায় দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বাজেট বরাদ্দ বেশি থাকা প্রয়োজন ছিল। তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন বাজেটের সদ্ব্যবহার।