ক্যাটেগরিঃ প্রকৃতি-পরিবেশ

 
ছবিটি যশোর জেলার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার সেনাবাহিনীর বোট-ক্লাব হতে আনুমানি সময় বিকেল ৫ ঘটিকার দিকে ক্যামেরা বন্দী করা হয় ।

হরিণ প্রজাতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন চিত্রা হরিণ। বিভিন্ন তথ্য মাধ্যম হতে জানতে পারি, এই হরিণকে চিত্রা হরিণ, চিত্রল হরিণ, চিত্র মৃগ, চিতল বলা হয় । বৈজ্ঞানিক নাম: ( Axis axis)।হরিণ প্রজাতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এই চিত্রা হরিণ। এদের (ইংরেজি ভাষায়: chital বা cheetal) নামটি এসেছে বাংলা চিত্রা বা চিত্রল থেকে যার অর্থ ফোঁটা বা ছোপযুক্ত।

ঘাস, গুল্ম আর গাছের পাতা চিত্রা হরিণের প্রধান খাদ্য। গাছের বাকল ও মূলও এরা খায়। সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ মূলত কেওড়া, বাইন, গেওয়া, ওড়া, গরান, এবং কাঁকড়া গাছের ছোট চারা ও কচি পাতা এমনকি ছাল (বাকল) খেয়ে থাকে।

চিত্রা হরিণের প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। তবে বর্ষার পূর্বে যখন সবুজ ঘাসের সমারোহ ঘটে এবং গাছের চারা ও লতা-পাতায় বন ছেয়ে যায় তখনই বাচ্চা প্রসবের প্রকৃষ্ট সময়।

চিত্রা হরিণী ২১০-২২৫ দিন গর্ভধারণের পর একটিমাত্র বাচ্চা প্রসব করে। শিশু হরিণ ৬ মাস পর্যন্ত স্তন্য পান করে । স্ত্রী হরিণ ১৪-১৭ মাসে (কারো কারো মতে ১০ মাসে) বয়োঃপ্রাপ্ত হয়। অপরদিকে পুরুষ হরিণ ১৪ মাসে বয়োঃপ্রাপ্ত হয় ।