ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

আমাদের পোশাক শিল্পে দগ্ধ লাশ মোটেও নতুন কোনও খবর নয়। পরিসংখ্যানে দেখতে পাই, গড়ে বছরে এক থেকে দেড়শ জন পোশাকশ্রমিক আগুনে পুড়ে মারা যান। এই তো গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের গরীব অ্যান্ড গরীব পোশাক কারখানায় আগুনে পুড়ে মারা গেছেন ২১ জন শ্রমিক। মাস পেরিয়ে আবারও বাতাসে লাশের গন্ধ!!! অথচ চলুন একটু ফিরে দেখা যাক এই দগ্ধ লাশগুলো আমাদের দেশের অর্থনীতিকে কিভাবে জীবন্ত আর আনন্দময় করে তুলেছিলেন প্রতিনিয়ত।

সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণালব্ধ রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নের অগ্রগতিতে যে তিনটি খাত মূল অবদান রেখে চলেছে, তা হল কৃষি, তৈরি পোশাক শিল্প ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। এর মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্প দেশের প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে বিবেচিত।রপ্তানি আয় এর ৭৫ শতাংশের বেশি আসে এই একটি খাত থেকে। বেকার সমস্যা সমাধানেও এই খাত অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে। এ খাতে দেশের মোট ৩৫ লক্ষ শ্রমজীবী নিয়োজিত যার মধ্যে ২৭ লক্ষ নারী শ্রমিক রয়েছেন।

৩০ বছর ধরে গড়ে ওঠা এই তৈরি পোশাক শিল্প আজ আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। বিশ্ব রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির অংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ডব্লিউটিও এর ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস-২০১২’ দলিল থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে বিশ্ব বাজারে আমাদের পোশাক শিল্প অংশ বেড়ে হয়েছে ৪.৮ যা কী না ২০০৯ সালে ছিল ৩.৪ শতাংশ। বিশ্বে পোশাক রপ্তানিকারক শীর্ষ ১৫ দেশ এর তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আজ তৃতীয়। ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০১১-১২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার।

তো এই হচ্ছে পরিংখ্যানের উপাত্ত অনুসারে বাংলাদেশের অর্থিনীতিতে পোশাক শিল্পের ভূমিকা। বলাই বাহুল্য যে, আমাদের অর্থনীতির অগ্রগতির পিছনে রয়েছে আমাদের পোশাক শিল্পের কারিগরদের সস্তা শ্রম..মাসে মাত্র তিন হাজার টাকা দিয়েই কিনে নেয়া যায় একজন পোশাক শ্রমিকের দিবা-রাত্র। অনেক প্রতিকুল পরিবেশের মধ্যদিয়ে এই শ্রমিকেরা রক্তঘাম মেশানো শ্রম দিয়ে এদেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখছে। এ তো আমরা সবাই জানি যে, পোশাকশ্রমিকেরা পর্যাপ্ত মজুরি পান না। মজুরির কথা না হয় আজ বাদই দিলাম.. কর্মক্ষেত্রে জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তাও যে তাদের নেই।

দেশে প্রায় পাঁচ হাজার পোশাক কারখানার অধিকাংশগুলোতে নেই নিজস্ব অগ্নি নির্বাপণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পোশাক কারখানায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিয়মাবলী রয়েছে। এদের মধ্যে প্রয়োজনীয় শর্তগুলি হল, সব কারখানার ছাদ সম্পূর্ণ খোলা রাখা, নিচ থেকে ছাদে ওঠার ব্যবস্থা রাখা, ছাদে ওঠার দরজা সার্বক্ষণিক খোলা রাখা, কারখানার ভেতরে যাতায়াতের পথ, বিকল্প সিঁড়ি ও জরুরি গেট খোলা রাখা , দুটি মেশিনের মাঝখানে চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখা, কারখানার ফ্লোরে কাপড়সহ সব ধরনের দাহ্যসামগ্রী বড় লটে স্তূপ করা যাবে না, শর্টসার্কিট এড়ানোর জন্য কারখানাগুলো নিয়মিত নিজেদের পানি, সুয়্যারেজ লাইন ও বৈদ্যুতিক লাইন পরীক্ষা করা, কারখানাগুলোকে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি পরীক্ষা করে শ্রমিকদের নিয়ে নিয়মিত মহড়া চালাতে হবে। এছাড়াও যতক্ষণ কারখানা চালু থাকবে, ততক্ষণ কারখানার অগ্নি মহড়া কর্মীরা ফ্লোরে টহল দেবেন। কিন্তু আদৌ কী এই সব শর্ত মেনে আমাদের পোশাক কারখানগুলো পরিচালিত হয় কী না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

যখনই কোনও দুর্ঘটনা ঘটে, নিয়ম মাফিক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনগুলোতে একটি বিষয় জানা গেছে যে, অগ্নিকান্ডের সময় সিড়ির মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়। আগুন লাগার সাথে সাথে সামান্য কিছু অর্থ বাঁচানোর জন্য মালিকপক্ষ থেকে সিঁড়ির মুখে লোহার গেটে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। এর ফলে অগ্নিকাণ্ডের সময় শ্রমিকরা বের হতে পারে না। আর জলন্ত কয়লা হয়ে বের হয় কেবল তাদের লাশ। অতীতে গাজীপুরের গরীব অ্যান্ড গরীব সোয়েটার ফ্যাক্টরিতে আগুন লাগার তদন্ত রিপোর্টে দেখা গেছে যে, আগুল লাগার সময় সিঁড়ির মুখে গেট বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বের হতে পারেনি। ঠিক একি বিষয়ের পুনরাবৃত্তি হয়েছে সম্প্রতি অগ্নিকাণ্ডের শিকার তাজরীন পোশাক কারখানায়। পত্রিকা মারফত জানা যায় যে, আগুন লাগা তাজরীন ফ্যাশনের এক নারী কর্মী বলেছেন, ‘আমাগো বাহির হইতে দ্যায় নাই।’(সুত্র: প্রথম আলো)।

প্রশ্ন হল কেন আগুন লাগার পরও সদর দরজায় তালা লাগিয়ে দেবার মত ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে বারবার? কেন সদর দরজায় তালা লাগিয়ে শ্রমিকদের পুড়িয়ে মারার মত ঘটনা ঘটে বারবার ?

তাই জোরালো দাবি জানানোর এখনই সময়, শ্রমিকের নিরাপত্তা প্রশ্নে মালিকপক্ষকে কোনরূপ ছাড় দেয়া যাবে না। দরকার হলে প্রতিটি কারখানা কিছুদিন বন্ধ রেখেও অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন জরুরী। অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা স্থাপনের সময় কারখানা বন্ধ রাখতে হলে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিকদের যাতে বেতন- ভাতা বন্ধ না হয় সেদিকে অবশ্যই সরকারের করা নজরদারি আবশ্যক। যে শ্রমিকের রক্ত ঘামে আমাদের দেশ এগিয়ে চলছে, দিনের পর দিন যে শ্রমিকেরা জীবনবাজি রেখে সেলাই মেশিন তথা আমাদের অর্থনীতির চাকাকে সচল রেখে চলেছেন, সে শ্রমিকের জান বাঁচানো দরকার সবার আগে।

সুত্র: বিজিএমই এবং বিভিন্ন সংবাদপত্র থেকে নেয়া।

২৮ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. হাসান মসফিক বলেছেনঃ

    কবে যে এই ছবির পরিবর্তন আসবে!
    কবে, আমরা সব মানুষের জীবনকে মূল্যবান ভাবতে শিখব!
    এদেশের প্রেক্ষিতে উত্তর যেন কারো জানা নাই!
    মঙ্গল হোক, সবার।

  2. হৃদয়ে বাংলাদেশ বলেছেনঃ

    দুর, ৬ বিলিয়ন (৬০০ কোটি) ডলার আয় করলে ওই একটু মানুষপোড়ার গন্ধ এতো বিচলিত হলে চলবে? সেই ৬ বিলিয়ন ডলারের কামধেনু দোহন করে কাওয়ার মতো ৩০% ইধার-উধার লুকিয়েই না বাংলাদেশের কিছু “উদ্যোগী ও পরিশ্রমী মানুষ” দুটো পয়সার (দেড়টি পয়সা তেনারা পান, আধা পয়সা আমাদের ভাগ্যবিধাতাদের দস্তুরি) মুখ দেখছেন। কেন আবেগী লেখা লিখে সেই গরীব উদ্যোগীদের পেটে লাথি দেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে? খুব খারাপ উদ্দেশ্য!

    • জিনিয়া বলেছেনঃ

      একদম হাছা কইছেন আপনি মেন্টর!!..শ্রমিকদের জন্য কিছু করলেই নাকি হ্যাগোর কষ্ট বাইরা যায়..একটুও নাকি লাভ থাকে না..খুব নাকি কষ্ট কইরা দ্যাশের মুখের দিখে চাইয়া উপায়হীন হইয়া হ্যারা ব্যবছা-বাণিজ্য চালইতাছে..ব্যাটাগো ক্যাডা বুজাইব যে লেবার স্যাটিসফেকসন বলে একটা টার্ম আছে যা লেবার ইফেসিয়েনসি বাড়ায়..আর আখেরে লেবারের অল্প লাভ হলেও মালিকের লাভ এর ভাগই এতে বেশি হয়.. .।

      যাই হোক, খবর পেলাম যে এটা পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। সিসি টিভি ফুটেজে পাওয়া গেছে মাত্র কুড়ি হাজার টাকায় আগুন লাগিয়ে শ্রমিকদের কয়লা বানান হয়েছে উদ্দেশ্যমূলকভাবে….অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।

      ২.১
  3. আসাদুজজেমান বলেছেনঃ

    বাতাসে লাশের গন্ধে, আমার বিবেক গুলিয়ে আসে!!!
    দুঃখিত @জিনিয়া, মন্তব্য করার জন্য মানষিকতাকে স্থির করতে পারছি না…..প্রাসংগিক বিবেচনায়, একটা কবিতা শেয়ার করলাম….লিংক

  4. আহমেদ বলেছেনঃ

    জিনিয়া আপু আপনার নিরাপত্তা বিষয়ক লেখার সাথে আমি একমত ।আমি নিজেও পোশাক শ্রমিক কারখানায় কর্মরত আছি বলে আমরা ভিতরের ব্যাপারটা জানি । তারপরও এখানে ফ্যাক্টরি নিরাপত্তা শ্রমিক নিরাপত্তার আরও কিছু বিষয় আছে । এইসব যদি প্রতিটা কারখানা মেনে চলে তাহলে এমন হওয়ার কথা না । যেকোন দুর্ঘটনা ই দুর্ঘটনা কিন্তু এখনে দেখতে হবে আগুন লাগার পরও কেন গেট তালা মেরে রাখা হল ?? এখনে আসলে মানসিকতার ব্যাপার ও আছে!!!! কারখানার সব গুলু আইন, নিয়ম কানুন এবং মালিকপক্ষ অথবা যারা উপর লেভেলে কর্মরত আছে তারা যদি কারখানার শ্রমিকদের প্রতি একটু আন্তরিক হয় তাহলেই অনেক দুর্ঘটনা আমরা এড়াতে পারি এবং যতটা লিডিং বায়ার আছে তাদের কাছে আমাদের কারখানা সম্পর্কে পসিটিভ ধারনা দিতে পারি ।

  5. জামান বাবু বলেছেনঃ

    শ্রমিকের “ ঘামের গন্ধের ” সাথে মাঝেমধ্যে যুক্ত হয় শ্রমিকের “ লাশের গন্ধ ”। ইউরো-ডলারের মোহনীয় সুবাসে একদিন চাপা পড়ে যায় তাও। নিশ্চিত করে বলতে পারি আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হবে, এক্সপার্ট হওয়া লাগেনা। ………তদন্ত কমিটি ঘাম ঝরিয়ে উদ্ঘাটন করবে আগুনের উৎস কি, বিড়ি না শর্টসার্কিট ? ………কয়টা দুয়ার খোলা ছিল আর কয়টা বন্ধ ?……নিহতদের পরিবারকে কয়েক হাজার টাকা……… তাঁদের পরিবারের সদস্যদের একই প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর প্রতিশ্রুতি। আরেকদিকে মালিক পক্ষ শক্তিশালী হলে ইনস্যুরেন্স ক্লেইমের টাকা পাবে পুরোটাই। এতে ‘ লাভক্ষতি ’ কতটা হবে আমার মত আদার ব্যাপারী সে জাহাজের খবর জানার মতো উপায় নাই।

    পরিসংখ্যান সমৃদ্ধ যথাযথ এই নিবন্ধ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যারা নিহত হলেন তাঁরা আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। স্বীকার করতে হবে আমরা এই ‘ শ্রেণী ’র গুরুত্ব বুঝি। তাঁরা আমাদের “ কম টাকায় ” শ্রম দেন, বিনিময়ে আমরা আমরা বিদেশি “ বেশি টাকায় ” সমৃদ্ধ হই। এই ‘ শ্রেণী ’ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই শ’খানেক মানুষের ‘ মরণ ’ খুব একটা গুরুত্বের কিছুনা। কারণ সংখ্যায় এঁরা ভেড়ার পালের মতো, তিন হাজার টাকা বেতনে চাকুরীর জন্য “ এঁরা ভাত ছিটালে কাক ”।

    জিনিয়া, ব্লগাসক্তি কাটিয়ে এখন নিস্ক্রিয় পাঠক হয়ে নিয়মিত ঢুঁ মারার চেষ্টা করি। তারপরও আবেগ-তাড়িত না বিবেক-তাড়িত হয়ে মন্তব্য করলাম বুঝতে পারছিনা।

    এই পোস্ট লিখার জন্য ধন্যবাদ। ভালো থেকো।

    • জিনিয়া বলেছেনঃ

      বাবু, আমার লেখার থেকেও তোমার মন্তব্যটি অনেক বেশি ধারালো..সত্যটাকে কোনও রাখঢাক না করেই নগ্ন করে দিলে!!!

      জাহেদ, তুমি, মঞ্জুর মোর্শেদ, আইরিন এদের দেখেই না ব্লগে এলাম..নিষ্ক্রিয় পাঠক আমিও হয়ে যাই অনেক সময়..কিন্তু ফেইসবুক বা প্রবাসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা এইসব আসক্তি নেই আমার..তাই ব্লগাসক্তিকেই নিরাপদ ভেবে আবার নিজের সাথে জড়িয়ে নিয়েছি.।

      আমি জানি আবেগ নয়, তুমি বিবেক-তাড়িত হয়েই মন্তব্য করেছ..বিবেক আছে বলেই খুব বেশিদিন নিষ্ক্রিয় থাকতে পারবে না, এটাও আমি জানি..আমি তোমাকে চিনি বন্ধু.।

      ভাল থেকো..তোমার সক্রিয় হবার অপেক্ষায় দিন গুনতে শুরু করেছি।

      শুভকামনা।

      ৬.১
  6. বোতল বাবা বলেছেনঃ

    আপু , তুমি যে সমস্যার কথা তুলে ধরছ। এটা অনেক টপ লেভেলের হোমরা চোমরা দের ব্যপার । আর ওদের কে ধরতে হলে কি ধরনের শক্তিশালী ম্যাগনেটিক পানি পড়া লাগবে বুঝতেই পারছ ! তুমি এই সমস্যা নিয়ে গবেষণা করে দেখলে দেখবে ভিতরে একটা গিরিংঘি আছে ।

    তুমিতো দেখতেছ, তোমার আশে পাশে সেফটি কে কেমন ইমপরটেন্ট দেওয়া হয় । ল্যাব এ যেমন সেফটি ট্রেনিং ছাড়া রিসার্চ শুরুই করতে দেয় না । সেফটি কেমন সিস্টেমেটিক , আশে পাশে দেখতেছ তো ! ওই ধরনের কিছু বাংলাদেশে আনতে হলে একটা রেনেসার দরকার আছে । এর আগে , আমার ধারণা সম্ভব না ।

    জামায়াতী-উগ্রপন্থী ভুত তাড়ানোর মিলাদ মাহফিলে তোমাকে দেখলাম না । এই জন্য তোমার বাসায় আইয়া ফ্রী ফ্রী একটা তবারক দিয়ে গেলাম ;)
    এনি হাউ , আমার বার্থডে আজ । তাই একটু মজা করলাম, তোমার সাথে ;)

    • জিনিয়া বলেছেনঃ

      ভাইয়া, টপ লেভেলকেই তো টার্গেট করতে হবে..ওদের হতেই তো এই অভাগাগুলোর ভবিষ্যত নির্ভর করছে..আসলে এই যে অগ্নিকান্ড হল এটা পুরাটাই পরিকল্পিত, তা না হলে কেউ রিয়াল অ্যালার্ম কে ফলস বলে? কিংবা সদর দরজায় তালা লাগিয়ে দেয়? এখানে সেফটি ট্রেনিং থেকেও কোনও লাভ হবে না রে!!

      যদিও মিলাদ নামক বিষয়টির প্রতি আমার এলার্জি আছে..এবং নাপছন্দ..তারপর ও জামায়াত তাড়ান মচ্ছব কোথায় হচ্ছে জানতে পারলে আমি ঠিক ঠিক হাজির হয়ে যাব.. :D :D :D ..কোথায় হচ্ছে বল তো?

      শুভ জন্মদিন ভাইয়া..অনেক অনেক শুভকামনা..

      ৭.১
  7. এশরার লতিফ বলেছেনঃ

    এখানে প্রচুর গাফিলতি হয়েছে…সোজা-সাপটা মালিকদের যাবজ্জীবন দেয়া উচিত…পারলে মিলটন ফ্রাইডমেনকেও কবর থেকে উঠিয়ে এনে …

  8. কবীর টুটুল বলেছেনঃ

    ওরে বুক ফেটে যায়-
    মরেছে যারা, তারা শ্রমিক
    ওদের গন্ধ আমাদের গায়।

    ওরে বুক ফেটে যায়-
    পুড়েছে যারা তারা শ্রমিক
    ওরাই বাড়ায় রপ্তানি আয়।

    ওরে বুক ফেটে যায়-
    শনাক্ত হয়নি যারা, তারা শ্রমিক
    সান্তনা কি দু লাখ টাকায় ?

    ওরে বুক ফেটে যায়-
    বস্তি ঘরে জীবন যাদের
    ওরাই কেন লিড নিউজ হয়।

    ওরে বুক ফেটে যায়-
    কথা হবে ব্যাথা হবে
    মান বাড়বে কি ওদের জীবন যাত্রায়।

    বুকফাটা আর ক্রন্দনেভরা
    ছবি চাইনা পত্রিকার পাতায়
    যারা চলে গেছে, যারা বেচে আছে
    ওরা শ্রমিক নয়রে,ওরাই মানিক
    ওরাই যে ভাই দেশ প্রেমিক
    ওদের জীবনের নামকরণ হোক
    স্বাধীন দেশের মুক্তিযোদ্ধায়।

    “ওরা স্বাধীন দেশের মুক্তিযোদ্ধা
    অর্থনীতির মুক্তি আনতে
    ওদের রক্তে এদেশ গাথা”

  9. বোতল বাবা বলেছেনঃ

    আপু, আপাদত: জামায়াত তাড়ানো মচ্ছব শেষ হয়েছে :D । তুমি তো আমাদের সাথেই :) । আবার কাউরে চোখে পড়লে , তোমাকে মিসকল দিমু নি ;)

    আপু, তোমাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ …. :) :) । ভালো থেকো …. :) :)

    ১০
    • জিনিয়া বলেছেনঃ

      ব অক্ষরের প্রতি তোমার দারুন প্রীতি আছে মনে হল..তাই তোমার নাম দিলাম বাবুই।

      হ্যা রাজাকার বিরোধী যে কোনও মচ্ছবে আমি আছি..থাকবো..কল যেন মিস না হয় সেদিকে খেয়াল রাইখো কিন্তুক..নাহলে খবর আছে. :evil: :evil:

      জন্মদিন কিভাবে সেলিব্রেট করলে জানিও..তোমাকে তো বলতে ভুলে গেছি, কাল আমার আব্বু-আম্মুর বিয়েবার্ষিকী ছিল..কাজেই তোমার জন্মদিন কোনদিন ভুলবো না আমি..শুভকামনা..

      ১০.১
  10. আহমেদ বলেছেনঃ

    আশা করি আমার মন্তব্যটাকে আপনি নেগেটিভ ভাবে নেননি । আপু অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমাকে উৎসাহিত করার জন্য । আপু লিখতে ইচ্ছে করে কিন্তু সময় বাবাজী বড়ই কৃপণ সে কাউকে এত বেশি দিতে নারাজ।

    ১১
    • জিনিয়া বলেছেনঃ

      আহমেদ ভাই, আপনার মন্তব্যকে নেগেটিভ ভাবে নেবার প্রশ্নই আসে না..বরং আমার জানার পরিধি বেড়ে গেল নিঃসন্দেহে। আমিও অনেক ব্যস্ত থাকি এখানে..কিন্তু যেহেতু ফেবু বা অন্য কোথাও আমার সময় নষ্ট হয় না..তাই একমাত্র বিডি ব্লগে প্রডাকটিভ কাজেই সময় দেই..এখানে কোনও লস নেই..বরং জানতে পারছি অনেক কিছু..এভাবেই সমৃদ্ধ হচ্ছি প্রতিদিন।

      অনেক শুভকামনা আপনাকে।

      ১১.১
  11. নীল ন ক্ষ ত্র বলেছেনঃ

    আমি অনেক ছোট একটা মানুষ…….। এত গূঢ় কথা বুঝি না…..। তবে এতটুকু বুঝি…..আমাদের সবাইকে এই অন্যায় গুলোর বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে…….

    ১২
  12. নীল ন ক্ষ ত্র বলেছেনঃ

    আপু আমার ছবি তোলার গন্ডি বেশি বড় না ….। তাই বেশি তুলতে পারি না…..তবে নতুন ছবি তুললে অবশ্যই শেয়ার করব…….

    ১৪
    • জিনিয়া বলেছেনঃ

      কিন্তু নাজিয়া আমি দেখেছি তুমি খুব সাধারণ জিনিস অসাধারণ ভাবে ফ্রেম বন্দী করতে পার..আমি তোমার লেবু গাছের ছবিটা দেখেছি..খুব ই সুন্দর..আর তুমি তো এখন ও অনেক ছোট, যখন বাইরে যাবে পড়াশুনা করতে বা কাজ করতে তখন চারদিকে তাকালে এম্নিতেই অনেক কিছু পেয়ে যাবে ফ্রেমে আনার জন্য। বুঝেছো মেয়ে?

      তোমার জন্য শুভকামনা অনেক অনেক।

      ১৪.১

কিছু বলতে চান? লিখুন তবে ...