ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সাথে রোগীর স্বজনের দ্বন্দের জেরে কর্মবিরতিতে ছিলেন কয়েকটি মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। ফলে ভোগান্তিতে ছিল রোগীরা। পেপার-পত্রিকা, টিভিতে এটাই টপ নিউজ। এমন ঘটনা এটাই প্রথম নয়, প্রায়ই শোনা যায়। তবে আগে দেখতাম মার খেত চিকিৎসক, আর এবার দেখলাম মার খেল রোগীর স্বজন।

আসলে আমরা আমাদের বিবেক তথা নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন না করতে পারলে এমন ঘটনা ঘটতেই থাকবে। আমাদের নৈতিক মূল্যবোধের এতটাই অবক্ষয় ঘটেছে যে, যে ডাক্তার সেবার মহান ব্রত নিয়ে চিকিৎসা করে যাচ্ছন, তাকেও আমরা ইভটিজিং করতে ছাড়ি না। প্রায়-ই ডাক্তারদের উপর চলে হামলা, লাঞ্ছনা। যারা আমাদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি নূন্যতম শ্রদ্ধাবোধ থাকলেও এমন আচরণ কোন সুস্থ্য মানুষ করতে পারে না।

আবার ইন্টার্ন ডাক্তাররা রুগীর স্বজনদের মারধর না করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সেই ইভটিজার রোগীর স্বজনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারতেন। এমন ধর্মঘটের মাধ্যমে সাধারণ রোগীদের অসুবিধায় না ফেলে উচ্চ পর্যায়ে থেকে ডাক্তারদের এমন আইন করা উচিত যে, ডাক্তারদের সাথে খারাপ আচরণকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া রুগীর স্বজনদের হাসপাতালে আসার নীতিমালা কঠোর হওয়া প্রয়োজন। হাসপাতালে প্রায়ই দেখা যায় একজন রোগীর সাথে স্বজনরা আসেন ৫-৬ জন। স্বজনদের দেখা করার সময়সূচী মানা দরকার।

সর্বোপরি, আমাদেরকে সহনশীল হতে হবে এবং নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।