ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

“বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নাতি রাকিব হোসেনকে নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে পাঠানো হয়েছে। কমিশনকে ৩০ দিনের মধ্য তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে আরো সময় দেয়া হবে।

গতকাল বুধবার বিকেলে বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।” আজ বৃহস্পতিবার “প্রথম আলো” পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সংবাদটি।

আদেশের একটি অংশে বলা হয়েছে ” পুলিশের দায়িত্ব অনেক বেশি। পুলিশ জনগনকে সুরক্ষা দেবে। এর ব্যাত্যয় ঘটলে তারা বেশি দায়ী হবে। পুলিশের জন্য আলাদাভাবে আইন কোন দায়মুক্তি দেয় না। তারাও অন্য ১০ব্যক্তির মতই ফৌজদারি আইনের আওতাভূক্ত। কারো গায়ে হাত দেয়ার ক্ষমতা কোন আইনই পুলিশকে দেয়নি । এমনকি সে ব্যক্তি যদি কোন অপরাধে আসামিও হয়। সংবিধানের ৩১,৩২ ও ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তিকে বিনাকারনে আটক করার ক্ষমতা পুলিশের নেই।”

তাজউদ্দিন সাহেবের নাতি হওয়ার সৌভাগ্য নিয়ে সবাই জন্মগ্রহন করে না। বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সংবিধান প্রদত্ত অধিকার কতটা ভোগ করি আমরা ? আদালতের উক্ত আদেশ যদি সবার জন্য প্রযোজ্য হয় তবে বিগত দিনগুলিতে পত্রিকায় পুলিশের হাতে সাধারণ নাগরিকের নির্যাতিত হওয়ার যে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তার আলোকে পুলিশের এই কর্মকান্ড আদালত অবামাননার শামিল হবে কি?