ক্যাটেগরিঃ নাগরিক সমস্যা

 

স্বাধীন বাংলাদেশের বিগত সরকারগুলো ভাল বা মন্দ, তারা কি করেছে বা কি করেনি আপাতত সেই তর্ক টা বাদ’ই দিলাম। বিপুল জনমত নিয়ে, সাধারন জনমানুষের যথেষ্ট এবং যর্থাথ প্রত্যাশা নিয়ে যখন একটা গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয় তখন আর সবার মত আমিও আশা করেছিলাম হয়তো বিদ্যুত সমস্যাটার একটা গতি হবে।

যে যতকিছুই বলুক- প্রান্তিক ভোগী হিসেবে আমি কিন্তু জানি জাতীয় গ্রীডে যত মেগাওয়াট পরিমান বিদ্যুত যোগ হয়েছে বলে বলা হচ্ছে তা যোগ হওয়ার পরেও আমার অবস্থা আগে যা ছিলো এখনো তাই রয়ে গেছে, ক্ষেত্র বিশেষে ভোগান্তি আরো বেড়েছে । আমার পেশাগত জীবন ভোক্তা হিসেবে বিদ্যূত সংশ্লিষ্ট হওয়ায়, এমনকি আদি ঢাকা শহরের কাছাকাছি একটা এলাকায় আমার আবাসন হওয়ায় বাসায় আই.পি.এস নামক একটা বাক্স থাকার পরেও আমি জানি আমার প্রয়োজনের তুলনায় বিদ্যুত প্রবাহ কতটা অপ্রতুল, কারন যথেষ্ট সময় না পাওয়াতে আমার সেই বাক্সটা পূর্ণ ভাবে রি-চার্জ হতে পারছে না। বিনিময়ে আই.পি.এস নামক বাক্সটা থাকার আগে যে পরিমাণ বিল দিতে হতো এখন সব মিলিয়ে তার দ্বিগুনেরও বেশি বিল দিতে হয় আমাকে। সীমিত আয়ের মধ্যবিত্ত হিসেবে খুব কষ্ট হয়ে যায় পরিবার পরিজন নিয়ে আমার জীবন-টা যাপন করতে।

অথচ একটা গণতান্ত্রিক সরকার তার দ্বায়ীত্বের মেয়াদ প্রায় পূর্ণ করতে চলেছে। বিশাল প্রত্যাশার বিপরিতে মানুষের প্রাপ্তিটা যদি একেবারে নগন্য হয় কিংবা শূণ্য হয়, তখন সে বিদ্রোহি হয়ে উঠলে তাকে কি সত্যিই দোষ দেয়া যাবে ?? মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা ড.তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী শুরু থেকে আমাদের যে আশ্বাস দিয়েছেন সত্যিই কি তিনি তা পুরন করতে পেরেছেন?

৩১মার্চ দৈনিক আমারদেশ ভারতের আসামের দৈনিক ” টাইমস অব আসাম” এর একটি প্রতিবেদনের সূত্র দিয়ে প্রকাশ করা ডেস্ক রিপোর্টটা পড়ার পর মনে হলো বাস্তবিক অর্থে বিদ্যূতের প্রান্তিক ভোগীদের সন্তুস্ত করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধানতম কাজ হওয়া উচিত।

সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমরা আসলেই ক্ষতিগ্রস্থ। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নীতি নির্ধারকদের নির্মোহ বাস্তবতায় বিষয়টি খুব সিরিয়াসলি ভেবে দেখা দরকার। জানার আগ্রহ থাকলে লিংক দুটো দেয়া আছে পড়ে দেখতে পারেন। সবার জন্য শুভকামনা।

দৈনিক আমারদেশ

টাইমস অব আসাম