ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

 

সমাবেশ করবোই: ফখরুল

ঢাকা, মে ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- মুক্তাঙ্গনে সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পুলিশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাধা দিলেও বৃহস্পতিবার ঢাকায় সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার নয়া পল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একমাস আগেই আমরা কর্মসূচি ঘোষণা করছি। সমাবেশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও জানিয়েছি। অথচ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মুক্তাঙ্গনে সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

“ডিএমপি কমিশনার আজ বলেছেন, মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না। এটা মানুষের মৌলিক অধিকারের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। আমরা সমাবেশ করবোই। এতে বাধা দেওয়া হলে তার দায় সরকারকে বহন করতে হবে”, বলেন তিনি।

পুঁজিবাজারে কারসাজির জন্য দায়ীদের শাস্তির দাবিতে বিএনপি এক মাস আগে ৫ মে মুক্তাঙ্গনে সমাবেশের কর্মসূচি দেয়। এদিকে কয়েকটি ইসলামী দলের সমাবেশকে কেন্দ্র করে মুক্তাঙ্গনে সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।

মুক্তাঙ্গনে সমাবেশের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

বৃহস্পতিবার মুক্তাঙ্গনে সমাবেশ না করতে দিলে কী করবেন- জানতে চাইলে ফখরুল বলেন, নিষেধাজ্ঞা থাকলে কোথায় করা হবে তা দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে আমরা বৃহস্পতিবার সমাবেশ ঢাকায় করবোই।

তিনি বলেন, “সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা আশা করবো, সরকারের শুভ বুদ্ধি উদয় হবে।”

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী মধ্যবর্তী নির্বাচনে দাবিতে আগামী ৯ মে ঢাকায় সমাবেশ হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

“সমাবেশ আমরা করবোই। পল্টন ময়দান অনুমতি দেয়নি, মুক্তাঙ্গনে করব। সেখানেও না দিলে নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে হবে। তাও না করতে দিলে মানিক মিয়া এভিনিউতে হবে। নইলে বঙ্গভবনের সামনে আমরা সমাবেশ করবো”, বলেন ফখরুল।

বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর এক যৌথসভার পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

সভায় দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২৯ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

কর্মসূচির মধ্যে আছে- ২৯ মে আলোচনা সভা, ৩০ মে জিয়ার কবরে ফুল দেওয়া ও রক্তদান কর্মসূচি, ২ জুন সারাদেশে শোকমিছিল, ৩০ ও ৩১ মে ঢাকা মহানগরীতে তবারক বিতরণ।

ফখরুলের সভাপতিত্বে যৌথসভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, বরকতউল¬াহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী, বিরোধী দলের প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী, গোলাম আকবর খন্দকার, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

এছাড়া সহযোগী সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারাও ছিলেন বৈঠকে।

[খবর সূত্র: Wed, May 4th, 2011 2:24 pm BdST,বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএম/এমআই/১৫০০ ঘ. ]

আজ তিনি আমাদের মৌলিক অধিকারের কথা বললেন। রাস্তা বন্ধ করে, জান-জট করে, ভাংচুর করে তাই উনার আমাদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করছেন। হায়রে অভাগা বাংলাদেশ !!!!! হায়রে লাঞ্চিত বাংলার অভাগা-অসহায় জনগণ। রাজনীতিবিদদের চাপাবাজির কাছে আমরা কতইনা অসহায় !!!!!!!!! ?????????