ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, স্বাধিকার চেতনা

স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪০ বছর পার হলেও আজ পর্যন্ত জাতী সিদ্ধান্ত নিতে পারে নাই যে স্বাধীনতা বিরোধিতাকারীরা রাজনীতি করতে পারে কি না ? এটা নিয়েও মতবিরোধ কেন ? তা হলে দেশ কি স্বাধীন হয় নাই।
জিয়া তার তথাকথিত বহুদলীয় গণতন্ত্রের ছলে এদেশে স্বাধীনতার ঘোর বিরোধীতা কারী দল জামায়াতে ইসলামীকে এদেশে রাজনীতিতে পুনর্বাসন করে। যার খেসারত আজ জাতী কড়ায় গন্ডায় দিচ্ছে।

যার ধারাবাহিকতায় এদেশে অনেক নব্য স্বাধীনতা বিরোধী ও নব্য রাজাকারেরও জন্ম হয়েছে। যাদের ক্ষমতার দাপট অন্য যে কারোও চেয়ে বেশী। তারা তাদের মনগড়া ইতিহাস আজ বিভিন্নভাবে আমাদের নতুন প্রজন্মদের মাঝে বিভিন্ন কৌশলে প্রচার করছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ইতিহাস একটা ফান ও রুপকথা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা কি তা চাই ?

এরা শুধু জামায়েতি ইসলামি নামেই কার্যক্রম চালায় না, এরাই মূলত বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে এদের বিভিন্ন নেতাকে দায়িত্ব দিয়ে দেশে অরাজকতা ও নাশকতা চালিয়ে চলছে, যার প্রমান আমরা বহুবার পেয়েছি। যেমনঃ জেএমবি কারা ? জামায়াত ; ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি কারা ? জামায়াত; হরকাতুল জেহাদ কারা ? জামায়াত, এভাবে বহু প্রমান ও উদাহরন দেয়া যাবে।

এ ছাড়া, আমার প্রশ্ন এরা কিভাবে ও কোন অধিকারে এদেশে মানে স্বাধীন বাংলাদেশে ব্যবসা করে, রাজনীতি করে, ঘুমায়, খায়, মন্ত্রী হয় ? আমাদের বিবেক কি সেই শহীদদের কথা একবারও নাড়া দেয় না ? এই হায়েনার দল সেদিন পাকিস্তান কায়েমের জন্য দেশের মা-বোনদের পাক হায়েনাদের হাতে তুলে দিয়েছিল, বুদ্ধিজীবী হত্যা করেছিল, এদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ছিল, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে স্বরযন্ত্র ও অস্র তুলে নিয়েছিল, তারা কিভাবে এদেশে আবার বুক ফূলিয়ে সেই একই নামের রাজনৈতিক দল গঠন করে, রাজনীতি করে। যে দলটি পাকিস্তান জামায়াতি ইসলামীর একটা “সাবসিডিয়ারি কোম্পানির” মত কাজ করে ?

তারা আবার আমাদের ন্যায় বিচারের প্রতিক “দাড়িপাল্লা” তাদের নির্বাচনী প্রতিক হিসাবে ব্যবহার করছে। এটা আমাদের আদালতের প্রতিক। এটা কি কোন দলের নির্বাচনী প্রতিক হতে পারে ? তাও আবার স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের দলের ? আমাদের পূর্বের নির্বাচন কমিশন না হয় জামাত-রাজাকার-বিএনপি দ্বারা আচ্ছাদিত ছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনই বা কি করে এটাকে বহাল রাখল ? তাদের এ প্রতিক বরাদ্ধ ও তাদের রাজনীতিক দল সহ পুরো রাজনীতি কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য আমি জোর দাবী জানাচ্ছি।

এরা মিডিয়ার দিক থেকেও আজ শক্তিশালী। কয়েকটি দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিন প্রকাশ করে যাচ্ছে। যেমনঃ দৈনিক নয়া দিগন্ত, দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক সংগ্রাম, সোনার বাংলা ইত্যাদি। আছে নিজস্ব ও সাপোর্টিং টিভি চ্যানেলও যেমন: দিগন্ত টেলিভিশন (নিজস্ব), আরটিভি, এনটিভি, বৈশাখী, বাংলাভিশন সহ আরোও কয়েকটি চ্যানেল আছে সাপোর্টিং হিসাবে।

এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও কিছু এনজিও। ব্যবসা হিসাবে আছে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনেসিনা ইত্যাদি। কোচিং সেন্টার ব্যবসা যেমন: রেটিনা, বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবসা “দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়” সহ আরোও নাম জানা-অজানা সব প্রতিষ্টান ইত্যাদি। এগুলোকে আমাদের বয়কট করা উচিত নয়কি ?

আমরা এ দলের বিলুপ্ত চাই। এদের রাজনীতি বন্ধ করার জন্য সরকারের প্রতি জোড় আবেদন করছি। তা নাহলে শহীদদের প্রতি বড়ই অবিচার ও অন্যায় করা হবে।

নিম্ম প্রদত্ত ছবিগুলোতে দেখুন:





লিংক

***
ফিচার ছবি: ইন্টারনেট