ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

উইকিপিডিয়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার কথা কী আছে ?

তথ্যানুসারে ২৫ মার্চ (রাত ১২টার পর প্রথম প্রহরে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। ঘোষণাটি চট্টগ্রামে অবস্থিত তত্কালীন ই.পি.আর এর ট্রান্সমিটারে করে প্রচার করার জন্য পাঠানো হয়।, ২৬ মার্চ স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা এম.এ হান্নান প্রথম শেখ মুজিব এর স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি মাইকিং করে প্রচার করেন; এর পর ২৭শে মার্চ পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বাঙালি অফিসার মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণাটি শেখ মুজিবর রহমানে পক্ষে পুনরায় পাঠ করেন। সেটি ছিল নিম্নরূপ

অনুবাদ:

মেজর জিয়া, বাংলাদেশ লিবারেশন আর্মির প্রাদেশিক কমাণ্ডার-ইন-চিফ, শেখ মুজিবর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি। আমি আরো ঘোষণা করছি যে, আমরা শেখ মুজিবর রহমানের অধীনে একটি সার্বভৌম ও আইনসিদ্ধ সরকার গঠন করেছি যা আইন ও সংবিধান অনুযায়ী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমাদের সরকার জোট-নিরপেক্ষ নীতি মেনে চলতে বদ্ধপরিকর। এ রাষ্ট্র সকল জাতীর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং বিশ্বশান্তির জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। আমি সকল দেশের সরকারকে তাদের নিজ নিজ দেশে বাংলাদেশের নৃশংস গণহত্যার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি। শেখ মুজিবর রহমানের সরকার একটি সার্বভৌম ও আইনসম্মত সরকার এৰং বিশ্বের সকল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাবার দাবিদার

পাঠক, মেজর জিয়ার নীজের লেখা পুস্তিকা থেকে উনি যে স্বাধীনতার ঘোষক নন এবং তা যে নিজেই বলে গেছেন, সেটা জানাবার এখানে ক্লিক করুন, জানতে পারবেন ওনার নিজের লেখা পুস্তিকায় উনি কী লিখেছেন স্বাধীনতা ঘোষনা নিয়ে ?

আরও দেখুন এইখানে, সেদিন ইংরেজীতে তিনি কি বলেছিলেন এবং কবে ও কখন বলেছিলেন

ইউটিউবে দেখুন মেজর জিয়া কি ঘোষনা দিয়েছিলেন

আসুন সত্যকে সত্য ও মিথ্যাকে মিথ্যা হিসাবে মেনে নেই।