ক্যাটেগরিঃ প্রযুক্তি কথা

 

থ্রি-জি নিয়ে আসছে টেলিটক


আগামী বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের আগেই রাষ্ট্রায়ত্ত মুঠোফোন কোম্পানি টেলিটক পাইলট প্রকল্প হিসেবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি (থ্রি-জি) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে।

থ্রিজি কী ?
3G is the third generation of wireless technologies. It comes with enhancements over previous wireless technologies, like high-speed transmission, advanced multimedia access and global roaming. 3G is mostly used with mobile phones and handsets as a means to connect the phone to the Internet or other IP networks in order to make voice and video calls, to download and upload data and to surf the net।

থ্রি-জি ব্যবহার করার জন্য আইফোন ৫

বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশ এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও আজ থ্রিজি প্রযুক্তি সেবা চালু আছে বহুদিন আগে হতেই। তারা ব্যবহার করছে দ্রুতগতির ডাটা প্রযুক্তিও। এমন কি কিছু কিছু ফোর-জিও চালু হতে চলছে। আর সেখানে আমাদের বাংলাদেশ এখনও থ্রি-জিই চালু হয়নি। তবে আশার কথা শুনালেন আজ টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম মুজিবুর রহমান । তিনি বলেছেন আগামী ২৬ মার্চ বিজয় দিবসের আগেই এ থ্রিজি প্রযুক্তিতে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।

আজকের এ ইন্টারনেটের যুগে যে সকল দেশ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের কারনে এই সব আধুনিক প্রযুক্তি হতে দুরে হতভাগা বাংলাদেশ ও দেশের নাগরিকদ্বয় তাদের মধ্যে অন্যতম। সকল অবকাঠামো ও সুযোগ থাকার পরও আমরা ঐ প্রযুক্তি হতে আজও বঞ্চিত। বেগম খালেদা জিয়া তার স্বৈর শাসক স্বামীর মতই দেশের মানুষকে বোকা ও জ্বী হুজুর মার্কা করে রাখতে চেয়েছিলেন। যার কারনে সম্পূর্ন ফ্রি পাওয়ার পরও সাবমেরিন ক্যাবলে আমাদের দেশকে যুক্ত করেন নাই। যা পরবর্তী সময়ে টাকার মাধ্যমে কিনতে হয়েছে। এই হল আমাদের দেশের দেশনেত্রী। ভাবতে লজ্জা লাগে, এদের পিছনে আমরা ঘুরি, সমর্থন দেই, চামচামি করি। আরোও অবাক লাগে যখন দেখি ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চাদের মত কতগুলো কু-শিক্ষিত কুলঙ্গার এই “ডিজিটাল” শব্দটাকে নিয়ে মসকারা করে, ঠাট্রা-বিদ্রোপ করে। আর এতেই প্রমাণ হয় মুর্খের সমর্থকরা মুর্খই হয়। সরকার বা শাসক শ্রেণীর ব্যর্থতার সাথে “ডিজিটাল” শব্দটার কি সম্পর্ক ?

সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গত ৯ আগস্ট টেলিটক কোম্পানি নিজেদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অপারেটরদের কাছে থ্রিজি প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। ওই দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে থ্রি-জি পাইলট প্রকল্প সফল হলে পরবর্তী সময়ে অন্য সব মোবাইল ফোন কোম্পানিকে থ্রিজি লাইসেন্স দিতে নিলাম ডাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ প্রসঙ্গে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম মুজিবুর রহমান আজ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) বলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রামে থ্রিজি প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। পরবর্তী সময়ে এই প্রযুক্তি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।’ এম মুজিবুর রহমান বলেন, ‘নতুন এ প্রযুক্তির সুবিধা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য অপারেটরদের বাড়তি কোনো কল চার্জ দিতে হবে না।’

টেলিটকের প্রধান জানান, নতুন এ প্রযুক্তি চালু করতে টাওয়ারসহ কী ধরনের যন্ত্রাংশ প্রয়োজন হবে, তা নির্ণয় করতে সারা দেশে জরিপ চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘থ্রিজি প্রযুক্তি চালু করতে প্রাথমিকভাবে সারা দেশে আরও দুই হাজার ৫০০ টাওয়ার স্থাপন করতে হবে। বর্তমানে টেলিটকের এক হাজার ৮০০ টাওয়ার রয়েছে। মুজিবুর রহমান আরও বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সরকার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে থ্রিজি প্রযুক্তি সবার হাতে পৌঁছে দিতে চায়। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকেরা সহজেই দ্রুত বিভিন্ন ডেটা বিনিময় করতে পারবে। তিনি বলেন, ‘থ্রিজি প্রযুক্তিসংবলিত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কথা শোনার পাশাপাশি ছবিও দেখা যাবে।’ থ্রিজি এমন এক মোবাইল ফোন প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে অডিওর মতো সব ধরনের ভিডিওর তথ্যবিনিময় করা যাবে। একই সঙ্গে উচ্চতর গতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। [ সূত্র:tazakhabor24bd.co]

আমরা আশা করব সরকার আন্তরিকতার সাথে যত দ্রুত সম্ভব দেশের সকল মোবাইল অপারেটরকে এই থ্রি-জির আওতায় এনে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সংকল্প বাস্তবায়ন করবেন।