ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

৩/৪ দিনও যায়নি উপমহাদেশে একটা করুণ ঘটনা ঘটলো। উপহাদেশের গানের রানী আশা ভোসলের কন্যা বন্দুকের গুলিতে আত্মহত্যা করলেন। তার এই আত্মহত্যার জন্য দায়ী কে! তার পরিবার?তিনি নিজে! আমি এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারবো না। এর উত্তর তার ঘনিষ্টজনরাই ভাল বলতে পারবেন না। তবে মনোরোগবিদ্যার একজন প্রাকটিসিং ক্ষুদ্র চিকিৎসক ও মনোরোগবিদ্যার ছাত্র হিসেবে এক ঘাতকের আমি নাম জানি। এই যমদূত হল বিষন্নতা। বেশীর ভাগ লোক এই খুনে ঘাতককে একদম পাত্তা দিতে চাই না।

আশা ভোসলের কন্যা


আমাদের চারপাশে অনেকে এই ঘাতকের আক্রমনে ভুগে ভুগে কাবু হলেও আমরা ভাবি_এ আবার কি অসুখ। ওর মন খারাপ। এমনি এমনি ভাল হয়ে যাবে। একবারও ভাবি না এই এমনি রোগ একসময় ডেকে আনতে পারে আশা-কন্যার মত করুন পরিনতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বিষন্নতায় ভুগছিলেন। সেই শুরুর দিন গুলোয় যথার্থ্ সেবা পান নি। পাননি দরকারি চিকিৎসা। তাই বিষন্নতা ধীরে তার সংসার ও পারিবারিক জীবনকে ধংস করেছে। তাকে প্ররোচিত করেছে সুইসাইডের দিকে। তিনি এর আগেও ঘুমের অষুধ খেয়ে মরার চেষ্টা করেছিলেন। সে যাত্রা রক্ষা মিললেও শেষ রক্ষা আর হয় নি। অর্থবিত্ত; মায়ের কিংবদন্তি সুনাম;হাই সোসাইটি;সমাজে নিজের শক্ত অবস্থান কোন কিছুই শেষ পর্যন্ত তাকে রক্ষা করতে পারে নি। তার কারণ তিনি বিষন্নতার মত একটি নীরব মহাঘাতকের পাল্লায় পড়লেও পান নি সবার কল্যানী আচরণ। পান নি সহানুভুতি। বরং সকলের অবহেলার শিকার হয়েছেন। সবাই বলেছে_ ও ওরকমই। কিন্তু ও রকম কেন- সেটা কেউ বুঝতে চায় নি। তাকে সহৃদয়তার সঙ্গে বোঝাতে চায় নি। তার প্রাথমিক বিষন্নতার দিন গুলোয় তার পাশে না দাড়িয়ে তাকে ঠেলে দিয়েছে দুরে। ক্রমে সে একা হয়ে পড়েছে। হতাশায় ডুবেছে। বিষন্নতার কবলে সে কঠিন মানসিক বৈকল্যের মুখে পড়েছে। চারপাশের লোকজন তখনও হয়তা ভেবেছে_ সে অমনই। তার অমন আচার আচরন স্বাভাবিক। একথা বলার সাহস করছি নিজের নানা রোগী দেখার অভিজআঞতা থেকে। এমন রোগীর আমরাও দেখা পাই। বিত্তের অভাব নাই। এস্টাবলিস্টড।বাড়ি গাড়ি সুখের অায়োজন অঢেল। তারপরও অসহায় এই মানুষগুলোর মনে বাসা বেধেছে কঠিন বিষন্নতা। তার মূল কারণ- চারপাশের মানুষের অবহেলা। আমাদের কাছে অনেক রোগীই আসে ২/১বার আত্মহত্যার চেষ্টার পর। তারপর বাবামা-আত্মীয়দের টনক নড়ে। ভাবে, এইবার মনোরোগচিকিৎসকের কাছে নেয়া দরকার। এর আগে তাদের ওঝা দেখানো হয়েছে। তাবিজ তুমার করা হয়েছে।

১০/১২টা সেশন কাউন্সেলিং

ও দেয়া হয়েছে। আবার ফাকে পীরমুরশিদের কাছে নেয়া হয়েছে। তারপরও যখন সুইসাইড করতে গিয়ে সৌভাগ্য গুনে বেচে গেছে। তখন আনা হয়েছে পেশাদার মনোরোগচিকিৎসকের কাছে।

তার তখন চিকিৎসা শুরু হয়েছে স্টমাক ওয়াশের পরে। এই জাতির মানুষের কি গরীব; কি প্রচন্ড ধনী-বেশীর ভাগেরই ওঝা-বৈদ্য;তাবিজতুমারে কেন এত বিশ্বাস-বুঝেই উঠতে পারি না। হয়তো আপনারা কেউ শব্দ করেই বলে উঠবেন-ডাক্তাররা ডাকাত। তারা সব টাকা পয়সা লুটে নেয়। হতে পারে। তাই হয়তো ঠিক। কিন্তু ব্যাক্তি অভিজ্ঞতায় দেখেছি-ওঝা-বৈদ্য-তাবিজ তুমার মার্কাঅপচিকিৎসকের কাছে সর্বস্ব খুইয়ে তবে বিএসএমএমইউতে আমাদের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের প্রকৃত ডাক্তারের কাছে এসেছে। আমরা যে খালি চেম্বারে রোগীর জন্য হা-পিত্যেস করি_ তাতো নয়। বাস্তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ভার্সিটিতেও অতি অল্প টোকেন মানিতে রোগী দেখি। চেম্বার বাদ দিয়ে একবার এখানে এসে দেখুন না। কোন ভয় নেই। নির্ভয়ে আসুন। আপনাকে কেউ চেম্বারে যেতে বাধ্য করবে না। বিএসএমএম ইউ-তে ১০০ভাগ গ্যারান্টি।

এবার বিষন্নতা নিয়ে একটি খুলে বলি। বিষন্নতা একটি মানসিক রোগ। বিশ্বমানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে- বিষন্নতা :একটি বৈশ্বিক সংকট। বিষন্নতা রোগীদের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে । শিশু-কিশোর,পূর্ণবয়স্ক ও বৃদ্ধবয়সের বিষন্নতা রোগের লক্ষণসমূহ ভিন্ন এবং চিকিৎসাও ভিন্ন।
সববয়সের বিষন্নতা রোগের সাধারণ লক্ষণসমূহ হচ্ছে
দিনের বেশীরভাগ সময় ভাল না লাগা;
দৈনন্দিন কাজকর্মে আগ্রহ কমে যাওয়া
ঘুম কমে যাওয়া /বার বার ভেঙে যাওয়া
খাদ্য গ্রহনে অনাগ্রহ
শিশু কিশোরদের ক্ষেত্রে যে লক্ষণগুলো বেশী দেখা যায়:
পড়ালেখায় খেলাধুলায় অনাগ্রহ
একা একা থাকা
বন্ধুদের সাথে বেশী বেশী সময় কাটানো
মাদকাসক্তির দিকে ঝুকে পড়া
বৃদ্ধ বয়সে যে লক্ষণগুলো বেশী দেখা যায়:
অস্থিরতা
ভুলে যাওয়া
অল্পতে রাগ করা
বিরক্তি বেড়ে যাওয়া
ঘুম না হওয়া
শারিরীক বেদনা যাতনা বেড়ে যাওয়া
অন্যরোগের লক্ষণ বেড়ে যাওয়া
আত্মহত্যার প্রবণতা
বিষন্নতার কারণ অনেক।

শিশুটির যে মন খারাপ কেন,কতটুকু জানি

শিশুদের ক্ষেত্রে নানা কারণ আমরা দেখি। ছোট ভাইবোনকে অনেক সময় মেনে নিতে পারে না শিশুরা। তাদের মনে অঅশংকা জাগে আদর বুঝি কমে যাবে। লেখাপড়ায় পিছিয়ে পড়লে তা বিষন্ন করে তুলতে পারে শিশুকে।বাবা মার অতিরিক্ত শাসন অনেক সময় শিশু মনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। কিশোররা জলদি জলদি প্রেমে পড়তে পারে। এটা অস্বাভাবিক নয়। এক্ষেত্রে সমস্যা হল এই নব প্রেমে ব্যার্থতাও আসে তাড়াতাড়ি। সেই সকরূন বিরহ ডেকে আনে গভীর বিষন্নতা।

সবার সাথে মিশতে পারে না অনেক শিশু। এটাকে আমরা সোশ্যাল ফোবিয়া বলি। এসব শিশুকিশোরদের ক্ষেত্রে বাবামা সবসময় সঠিক ভূমিকা পালন করতে পারেনা। তারা অন্য শিশুকিশোরদের সাথে নিজের সন্তানের তুলনা করে তাকে হীনমন্যতার দিকে ঠেলে দেন। এক্ষেত্রে সচেতনতার বিকল্প নেই। বিষন্নতা এমন একটি রোগ_গোড়াতে সচেতন হলে আত্ম শক্তিতেই প্রশমন সম্ভব। কিন্তু গোড়ায় সাবধান না হলে মানসিক চিকিৎসক ছাড়া গতি নেই।

কিশোর সন্তানটির যেন অবহেলা না হয়

আমাদের মত প্রাকটিসিং চিকিৎসকদের নিয়ে সমালোচনার অন্ত নেই। কিন্তু তাই বলে যে রোগের হিলিং ঘরেই সম্ভব;সেটি চেম্বারে আসুক এমনটি চাই না। উপরে যে লক্ষণগুলোর কথা বললাম-তার বেশীর ভাগ পারিবারিক সামাজিক আন্ত পারিবারিক ইতিবাচক কল্যানচর্চার মাধ্যমে সুরাহা করতে পারি। এজন্যে নিজকে জানতে হবে সবার আগে। নিজের আচার আচরনের সমস্যাগুলো জানার চেষ্টা করতে হবে। আমরা যেন ভুলে না যাই-উপরে সমস্যাগুলো প্রশ্রয়েঅবহেলায় বাড়তে বাড়তে যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যায়; তখনই তা আর ১০টা অ্যালোপ্যাথিক রোগের মত অসুখে পরিনত হয়। তখন আর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। সন্তানকে আঘাত নয়_তাকে হীনমন্য করে তোলা নয়- একটু সচেতন হলেই আমরা তাকে সাহস ও শক্তি দিয়ে দৃঢ় মনোবলের করে গড়ে তুলতে পারি। এজন্য সাইকিয়াট্রিস্ট-এর পরামর্শ আপনি নিতে পারেন। কিন্তু মূল প্রাকটিসটা আপনাকে ঘরেই করতে হবে।

কি হয়েছে মামনি

যেমন আপনার কিশোর কিশোরী সন্তানটি প্রাকৃতিক ধারায় একসময় প্রথম প্রেমের অনুভুতিতে আবিষ্ট হবেই। এটা শারীর-রাসায়নিক কান্ড। এটাকে ঠেকানো যাবে না। তাই এই বয়োসন্ধিকালে তার পাশে দাড়ান। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। ভালমন্দ সম্পর্কে আপনার অভিজ্ঞতাগুলো আন্তরিকভাবে শেয়ার করুন। আপনার সেই বয়েসের ফিলিংগুলো বলুন। তা থেকে সে শিখুক। আপনি কিভাবে সেই সময়গুলো মোকাবেলা করেছেন;তা শিক্ষকের ভাষায় নয়;রক্ষণশীল কঠোরতায় নয়_সহজভাবে বলুন। দেখবেন তা থেকে আপনার সন্তান পথ দেখতে পাবে। রাগলেন তো হারলেন। একথাটা ইদানিং বেশ শ্লোগানের মত শুনতে পাই। যারা শ্লোগানটা সবার কানে পৌছে দিচ্ছেন সাহিত্যে নাটকে-তারা খুব ভাল কাজ করছেন। এই কথাটা সংসারেও বার বার উচ্চারিত হওয়া উচিত। বাবামা বলবে সন্তানকে। সন্তান বলবে বাবামাকে। রাগের অনেক অপকার। উপকার একদমই নেই। নিজের মেজাজকে যদি খোশমেজাজে রাখা যায়_আমি বেশ বড় গলাতে বলবো মানসিক রোগের ডাক্তারদের চেম্বারে রোগীর ভিড় অনেক কমে যাবে।

আমরা প্রাপ্ত বয়স্করাও বিষন্নতার দৌড়ে কম যাই না। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে খুনসুটি হতেই পারে। নানা বিষয়ে টুকটাক মনো মালিন্যও হতে পারে।কিন্তু সেটা দুজনকে শত্রু করে তুললেই যত সমস্যার শুরু। সুতরাং সাবধান ; মনোমালিন্যকে অকারণে বাড়িয়ে তুলবেন না। এডজাস্ট করতে হবে।আপনি স্বামী হোন বা স্ত্রী_ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। এক অপরের উপর মত চাপিয়ে দেবেন না। বরং অন্যকে বুঝতে চেষ্টা করুন। অন্যের মতটা মানার চেষ্টা করুন। শ্বশুর শাশুড়িকে শত্রু ভাবার কোন কারন নেই। একই ভাবে জামাইকে বা পুত্রবধূকেও শত্রু ভাববেন না। তাদের পুত্র কন্যার মত দেখুন। অনেকে আছেন ছেলের বউকে মাথায় করে রাখেন ;আর জামাইকে ভাবেন পরের ছেলে। আবার এর উল্টোটাও কম নয়। কোন বাড়াবাড়িই ঠিক নয়। এটা কাউকে খুশি করলেও অন্যকে দেয় কষ্ট। বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক নিয়ে জটিলতা কম নয়। এধরনের একটা সম্পর্ক গড়ে তুলে যতটা সুখ;তা আপনার চার পাশে সৃষ্টি সকরে জটিল মনের অসুখ। তা ভোগায় আপনার স্বামী বা বউকে। ভোগায় ছেলে মেয়েকে। বাবামা ভাইবোনকে। তাই অনৈতিক কোন সম্পর্কে জড়াবার আগে এই ভবিষ্যত সমস্যাগুলো মাথায় থাকলে তা আপনাকে ঠিক পথ দেখাবে।

মনের সুখদুঃখকে অবহেলা আর নয়

বুড়া বয়সে আমরা বিষন্ন হয়ে পড়ি মৃত্যু চিন্তা নিয়ে। কি হবে কবরে। কি হবে মৃত্যুর পরে। দার্শনিক নানা চিন্তা তো আছেই। বিশ্বাসীর মনেও দুশ্চিন্তা কম নয়। কবর আজাব;বেহেশত দোজাখ;কি হবে পরকালে্ । যারা বিশ্বাসের জীবন যাপন করেন-তারা জটিল চিন্তাগুলোকে প্রশ্রয় দেবেন না। সদ্ভাব; সদস্বভাব ইতিবাচক জীবন যাপন করুন। নিজ নিজ বিশ্বাসে ইবাদত/উপাসনা করুন। নিশ্চয়ই অন্যকালে অন্যজীবনে আপনার জন্য অনন্ত সুখ অপেক্ষা করছে। ভয়ে আতঙ্কে জীবনকে জটিল ও কষ্টকর তুলবেন না। বরং বিশ্বাসের সুষমায় প্রতিটি মুহূর্তকে করে তুলুন আনন্দময়। ভয়কে জয় করুন; আত্মাকে ভাল কাজে জাগিয়ে তুলুন। মানুষ হোক ; অন্য কোন প্রানী হোক_সেটির কল্যাণে কিছু একটা করুন। এই ছোট ছোট ভাল কাজ আপনাকে রাখবে প্রানবন্ত। আপনার আত্মা তাজা তো আপনার জীবনও থাকবে তরতাজা। ভয়ের কিছু নেই। আপনার যে কোন ভাল কাজই পা্ইয়ে দিতে পারে অনন্ত সুখের চাবিকাঠি। ধর্মচিন্তা ও কল্যানচিন্তাকে অভিন্ন ভাবুন। ধর্মও পালন করুন। কল্যানার্থেও কাজ করুন। দেখবেন এই দুই কাজের সমন্বয়ে আপনার জীবনে কত সুখের আনাগোনা।

সিরাজগঞ্জে শুনেছি এক ভিক্ষাজীবি বৃদ্ধ তালগাছ লাগিয়ে লাগিয়ে সারা জনপদ ভরিয়ে তুলেছেন। এই আটি ও চারাগাছও নাকি যোগাড় করেছেন চেয়ে চেয়ে। অনেককে বলতে শুনেছি এই মানুষটা নাকি বেহেশতে যাবেন সবার আগে আগে। তিনি অবশ্য বেহেশত বা স্বর্গের লোভে এ কাজ করছেন না। করছেন নিজের জীবনকে আনন্দে সুখে ভরিয়ে তুলবার জন্য। করছেন পরোপকারের জন্য। আমরা যারা মধ্যবিত্ত ; যাদের সাধ্য এই তালচারা-ভিক্ষুকের চেয়ে বেশী বা কম; তারা বসে বসে কেন বিষন্ন হই।

মন ভাল করার দাওয়াই কি

বিশাল কিছু একটা করবো সেই অপেক্ষায় না থেকে কাউকে অক্ষর জ্ঞান দিতে পারি; গ্রামের পাখিগুলো যাতে হারিয়ে না যায়; বকগুলো যাতে শিকারীদের কবলে না পড়ে; সেটা করতে পারি। গাছ লাগাতে পারি। এসব কাজেও কত পূন্য। এসব কাজেও জীবন কত অর্থবহ। সিজদায় আল্লাহ যেমন খুশি হন; তেমনি তার প্রানীর কল্যানে যে মানুষটা কাজ করছে_তিনি তার জন্যও পূন্যের ডালি নিয়ে বসে আছেন। এসব কাজ আমাদের দেবে নানা রোগব্যধি থেকে আক্ষরিক অর্থে মুক্তি। জীবনকে তখন আর ভার মনে হবে না। অকারণ মৃত্যু চিন্তা আতঙ্কগ্রস্ত করবে না আপনাকে। সদকাজের জন্য হাটাচলা আপনাকে দেবে শক্তি। ঠেকিয়ে দেবে নানা রোগের প্রকোপ। একাকীত্বের বিষন্নতা আপনাকে পেয়ে বসবে না। আপনি একটি পরিবারের গলগ্রহ না অনেকের ভালবাসার পাত্রে পরিনত হয়ে হয়ে উঠেছেন সবার মিত্রজন। বুড়ো বয়সে আমরা সবাই গুরুত্ব হারানোর ভয়ে থাকি। কিন্তু গুরুত্ব হয়ে ওঠার জন্য কোন পরিকল্পনা করি না। একজন আর্থিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে হয়তো গুরুত্ব ধরে রাখা সব সময় সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু নানা ছোট ছোট কল্যানী কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে হয়ে উঠতে পারি আরও মহৎজন।