ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

আমি রাজনীতি বুঝি না। বোঝার আগ্রহও নেই। কিন্তু দুনিয়ার প্রায় দুই প্রান্তের দুটি নিষ্ঠুর নির্মম ঘটনায় দারুন ভাবে আহত হযেছি। পুরান ঢাকায় বেঘোরে মারা গেল বিশ্বজিত। সে রাজনীতির ছিল না। শুনেছি কোন রাজনীতিতে সে ছিল না। তারপরও রক্তে রাজপথ ভিজিয়ে সে বরণ করে নিল মৃত্যুকে। ব্যাপারটা প্রমান করলো আমরা কত অনিরাপদ। রাস্তায় বেরুলে ঘরে ফিরতে পারব কিনা সে নিয়ে খুবই সংশয়।
বিশ্বজিতের মৃত্যুর খবরের পাশাপাশি আরেকটি খবর নিয়ে খুবই মর্মাহত আমরা।

নিরীহ বিশ্বজিতরা কেন বার বার মরে!

সে খবর লন্ডনের। সেটি বৃটেনের। সেখানে বৃটিশ রাজবধু কেট মিডলটন অন্তস্বত্তার খবর নিয়ে ব্যাপক তোলপাড়। কেমন করে খবরটি হাসপাতাল ও বৃটিশ রাজপরিবারের গোপনীয়তা ভেঙে মিডিয়ায় ফাস হল তা নিয়ে রহস্য-নাটকীয়তার শেষ নেই। শোনা যায় অস্ট্রেলিয় মিডিয়া কেটের শাশুড়ি মানে বৃটিশ রানীর পরিচয় দিয়ে ফোন করেছিল কেটের চিকিৎসা-হাসপাতালে। সেখানে ফোনটি ধরেন একজন নার্স। তিনি ছিলেন নিবেদিত প্রান চিকিৎসাসেবী। তিনি বুঝতে পারেন নি ফোনকারী কেটের শাশুড়ি নন। ভুয়া শাশুড়ি রাজবধু র ভাল মন্দ জানতে চাইলে তিনি মতান্তরে তার দেয়া লাইনে অন্য ফোনে আরেকজন চিকিৎসা কর্মী অবলীলায় সব বলে দেন। তাতেই গোপন খবর গোমর ফাস হয়।

কেট মিডেলটন প্রেগন্নেট :সালদাহার রহস্য মৃত্যু

সেই নার্সটি গতকাল রহস্যজনক হত্যার শিকার হয়েছেণ। তার নাম জাসকিনথা সালদাহা। বয়স ৪৬। দুটি সন্তানের মা। ভদ্রমহিলা ভারতীয় বংশোদ্ভুত। তার ফ্লাটে লাশ পাওয়া গেছে তার। কিঙ এডওয়ার্ডসেভেনথ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে তিনি খুবই নিবেদিত প্রান সেবিকা ছিলেন।

তার মৃত্যুকে স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারছে না মিডিয়া। বলা হচ্ছে এটি নাকি সুইসাইড। কিন্তু মানতে চাইছে না সপ্রশ্ন মিডিয়া। তারা বলছে জাসকিনথার জীবন ছিল সুখী। তার সুইসাইড করার কথা নয়।

দুটি হত্যাই মর্মান্তিক। অনেকেই বলছেন দুটি হত্যারই সঠিক বিচার হবে না। রাজনীতির ডামাডোলে সব হারিয়ে যাবে। কেন এমন হবে। স্বাধীন বাংলাদেশে আমরা কত টুকুই বা অগ্রসর হলাম। বিশ্বজিত এভাবে মারা যাবে কেন! জাসকিনথা সালদাহাও বা আমাদের উপমহাদেশ ছেড়ে নিরাপত্তার আশায় উন্নত জীবনের আশায় খোদ বৃটেনে গিয়ে লন্ডনের মত শহরে রহস্যজনক মৃত্যুর শিকার হবেন কেন!