ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

পরবাসীগণের সংগে কথা হলেই, শুনতে পাই— নিজ দেশের অখ্যাত-কুখ্যাত-স্বখ্যাত আর বিখ্যাতদের অপকর্মের কাহিনী, যখন ভিনদেশে প্রকাশিত হয়, তখন ভিনদেশীরা কাছাকাছি বাংলাদেশীদেরকে ডেকে ডেকে তিরষ্কারের উৎসবে মেতে উঠে — ..। তখন কী, দেশের ভাবমূর্তি নক্ষত্রের মত ঝলমল করে ? তখন এদেশের “চিৎকারজীবীরা” কোথায় থাকেন—–তখন গলদেশ কী ‘টনসিল-আক্রান্ত’ থাকে?

যে সময় এদেশের খুনী ও খুনের আয়োজকরা দোর্দন্ড-প্রতাপে জমিন-কাঁপিয়ে বেড়িয়ে বেড়ায়– সে সময় ভিনদেশে খুনের ন্যায়-বিচার হলে; এদেশীয় “চিৎকারজীবীদের” চিৎকার-চেঁচামেচি, দেশের সীমানা পেরিয়ে যখন ভিনদেশীদের কানে পৌঁছায়, তখন আরেকবার তিরষকারের বন্যায় প্লাবিত হয়, এদেশীয় পরবাসীগণ। এতে কী, দেশের ভাবমূর্তি ধাপে ধাপে বাড়তেই থাকে ? সন্দেহ জাগে,-তারা ‘ভাবমূর্তি’ শব্দের ব্যাখ্যাই বোঝে কী-না !

যেদেশে, অপরাধীকে মাননীয় আদালতে সোপর্দ করতে চাইলে, সাহায্যের পরিবর্তে, দায়ীত্বপ্রাপ্ত বাহিনীকে বাধা দেয়া হয়, পুরষ্কারের পরিবর্তে তিরষ্কার করা হয়; এমন কি, যে দেশের আইনজীবীরা পর্যন্ত, মাননীয় আদালতের বিচারকার্যের সহায়ক না হয়ে, বিচারালয়ে হামলাকারী হয়—-সে দেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ কী সুবিচারের “স্বপ্ন” কল্পনাও করতে পারে !!?

এবার তো “আশ্চর্যের” সীমানাও বিলীন হয়ে গেছে,–যখন দেখা গেলো, “ভাবমূর্তি” রক্ষার নামে, নিহতের পরিবারকে প্রভাবিত করে, ন্যায়বিচার বানচালের প্রচেষ্টায় পথে-প্রান্তরে ছুটেছেন, জেলাপ্রশাসক(!)। প্রশ্ন হলো, যিনি ন্যায়বিচার নস্যাতের প্রচেষ্টায় নিজেকে জড়িয়েছেন; তিনি যখন, বিচারাসনে বসবেন তখন তিনি অন্যের বিরুদ্ধে ‘শাস্তি-দন্ড’ ঘোষণা করবেন কোন্ নৈতিকতার বলে !?

এবার তো, ভিনদেশীরা ভাবতে শুরু করেছে, “অপকর্ম্‌ই” এদেশের ভামূর্তির ‘নক্ষত্র’// আর ন্যায়বিচার(?)……………………………….।।