ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

 

মেঘনা ব্যাংকের এইচ এন আশিকুর রহমান।
মধুমতি ব্যাংকে ফজলে নূর তাপসের।
ফারমার্স ব্যাংকের মহীউদ্দীন খান আলমগীর।
মিডল্যান্ড ব্যাংকের এম মনিরুজ্জামান খন্দকার।
সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের এস এম আমজাদ হোসেন।
ইউনিয়ন ব্যাংকের হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের।

উপরোক্ত সকল ব্যাংকের চেয়ারম্যান সরকার দলীয় বাক্তি বর্গ। বর্তমান সরকার যদি এই ভাবে ব্যাংকের অনুমোদন দেয়,আশা করা যায় যে,সামনের দিনগুলোতে আরও ব্যাংক আমাদের এই ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি মিঃ আয়তনে কনায় কনায় তৈরি হবে। সেই দিন হইত বেশি দূরে নয় যেই দিন ব্যাংকের অনুমোদন দিবে অন্য কোন ব্যাংক। তখন বাংলাদেশ ব্যাংক হা করে বসে থাকবে, কারন তখন বাংলাদেশ ব্যাংক নিজেই বাক্তি মালিকাধিন হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগের সময় শেষ হলে যদি বি,এন,পি আসে তবে আরও নতুন কত নাম না জানা ব্যাংক আসবে। এটা কি কোন নিয়ম হলে?
“”তবে ব্যাংক অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ‘বিবেচনার’ বিষয়টি অস্বীকার করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক”” কত না হাস্যকর কথা।
যদি রাজনৈতিক ‘বিবেচনার’ বিষয়টি না থাকে তবে কেন বি,এন,পি’র কোন ব্যাংক আসলো না? জবাব দিন।
নাকি আল্লাহ সকল টাকা আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়েছেন। এতো ওজুহাত দেখানোর কোন দরকার নাই, আমারা সব বুজি।
নতুন ব্যাংকের কি খুব দরকার ছিল?আমাদের তো ৪৫ টার মত ব্যাংক ছিল, এগুলো কি এখন আর দরকার হবে না?
এমনিতেই ব্যাংকগুলোর অবস্থা ভাল না,টার উপর আরও নতুন ব্যাংক আসল এখন দেখার বিষয় কি হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ঢাকার বাইরে অধিকাংশ শাখা স্থাপনের শর্ত দিয়ে নতুন ছয়টি বেসরকারি ব্যাংককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতই যদি ঢাকার বাইরের কথা ভাবেন তবে ৪৫ টা ব্যাংক কে বলুন ঢাকার বাইরে তাদের ব্রাঞ্চ করার জন্য। নাকি ঢাকার বাইরে সুদু ৬ টি ব্যাঙ্কেই ভাল করবে বাদবাকি খারাপ করবে। আর কত ভূগোল বোজাবেন, আমরা তো ভূগোল খুব ভাল বুজি।

আপনাদের কত লাভ হল আমদের বলেন,কত টাকা উপহার নিলেন? দেখব বেকার সমস্যা দূর হই কিনা।
আমাদের কথা একটু মনে রাখবেন আমরাও আপনার কাছে আসব নতুন ব্যাংকের অনুমতি নেওউয়ার জন্য।

আরও কথা লেখতে ইচছা করছে, কিন্তু লিখব না। এগুলো সুদু উল বনে মুক্ত ছড়ানোর মত লাগছে। আল্লাহ তুমি এই দেশ এর উপর তোমার বরকত দাওউ।
আশা করি আমিও খুব তাড়াতাড়ি একটা ব্যাংক দিব। আপনারা আমার জন্য দয়া করবেন।
আমীন