ক্যাটেগরিঃ আর্ত মানবতা

এতিম-মিসকিনদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। আমাদের প্রিয় নবী হযরত রাসুলে আকরাম (সাঃ) একজন এতিম ছিলেন। উনি এতিমদের প্রতি সদয় ব্যবহার করার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। প্রতিটি ধর্মেই এতিমদের প্রতি সদয় ব্যবহারকে পূণ্যের কাজ হিসেবে আখ্যায়িত দিয়েছে।

হাফিজি বিভাগের মাদ্রাসার ছাত্র এতিম কায়েস। বয়স মাত্র পাঁচ বছর। এই বয়সে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় শিশুটি। চাঁদপুর জেলার রহিমানগরের বাসিন্দা কায়েস দীর্ঘদিন জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একেবারে শয্যাশায়ী হলে গত ২৯ নভেম্বর তাকে কুমিল্লার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষার মাধ্যমে ব্রেইন স্ট্রোক ধরা পড়লে তাকে দ্রুত স্থানান্তর করা হয় ঢাকা শিশু হাসপাতালে। ২ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিশু হাসপাতালে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ রোধে ব্যাপক চেষ্টার পর তাকে জরুরিভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, শিশু কায়েসকে বাঁচাতে তার মস্তিষ্কে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করতে হবে। এতে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ পড়বে। এত বিপুল পরিমাণ টাকা দরিদ্র পরিবারের এতিম শিশুটির মা এবং তার আত্মীয়দের পক্ষে জোগাড় করা কোনোভাবে সম্ভব না। এতদিন শিশুটির চিকিত্সা চলে আসছিল পরিচিত লোকজন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তায়। তাও এখন বন্ধ প্রায়। বর্তমানে টাকার অভাবে শিশুটির চিকিত্সা বন্ধ রয়েছে। অন্যের বাড়িতে ঝিঁয়ের কাজ করা মা প্রাণপ্রিয় ছেলেকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীসহ দেশবাসী সবার কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। কায়েসকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা : মো. আমির হোসেন (মামা), সঞ্চয়ী হিসাব নং-১০৫-১০১-১৪৮০২৪, ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, মতিঝিল শাখা, ঢাকা। মোবাইল- ০১৯২৩১৭১৭৯৭, ০১৬৭৫৭৭৮৬৪৮।

পরিশেষে, সকলের নিকট আমার আকুল আবেদন, এই এতিম এবং দরিদ্র শিশু কয়েসকে বাঁচানোর জন্য আমাদের অনেক কিছু করার আছে। প্রবাসে অনেক বাঙালি বসবাস করছে। যাদের আয়-রোজগার ভাল। তাঁরা কয়েসকে বাঁচানোর জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন। দেশে রয়েছে বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ। তারাও কিছু কিছু করে সহযোগিতা করলে মাত্র ৫ লাখ টাকার জন্য বেঁচে যেতে পারে এতিম এবং দরিদ্র শিশু কয়েস। একটি কথা মনে রাখতে হবে, কায়েস হাফিজিয়া মাদ্রাসায় পড়াশুনা করছে। বেঁচে থাকলে একদিন একজন ধর্মীয় নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

মানবিক দিক বিবেচনা করে তার পাশে আমরা দাঁড়াই।