ক্যাটেগরিঃ নাগরিক আলাপ

 

গতকাল বিকেল চারটার দিকে আম্মাকে ডাঃ দেখিয়ে বাসায় ফিরছিলাম মতিঝিল দিয়ে । প্রথম রমজান। বাসায় শাক-সবজি কোনটাই নেই। তাই চলতি পথে কিছু বাজার করার প্লান করলাম। মোহামেডান ক্লাবের গলিপথে কিছু সবজির সমাবেশ দেখে থামলাম। একটু জটলা দেখলাম। আমি দ্রুত কিছু শসা, পটল কিনে নিলাম। দামাদামির সুযোগ নাই। আমি টাকা দিতেই পাশে দাঁড়ানো এক ব্যক্তি দোকানির কাছ থেকে ১০ টাকা নিয়ে নিল। আমি বললাম চাদা নাকি? দোকানি বলল- হ ভাই। এ ই তো দাম কেজি প্রতি বেশি । না হলে এই সবজি আপনাকে আরো ১০ টাকা কমে দিতে পারতাম। আমি বললাম-ওরা কি পুলিশের লোক? -না। তারা ক্লাবের নামে টাকা উঠায়। হঠাৎই জটলাটা একটা মারামারিতে রূপ নিল। পুলিশের একটি টহল দল তা থামাতে ব্যস্ত হল। যথারিতি কিছুক্ষণের মধ্যে থেমে গেল। আমি সাহস করে একটু এগিয়ে একজন কে শুধালাম- ভাইয়া রমজান মাসে এমন মারমুখি অবস্থা ব্যাপার কি? তিনি বললেন- ভাই কলার দাম বেশি চাইছে হের জন্য কাস্টমার দিছে এক থাপর। এই নিয়া কাইজ্যা।

-কত বেশি চেয়েছে?

-৪০ ট্যাকা হালি।

আমি একটু এগিয়ে দেখলাম আসলেই কলার দাম তুলনামুলকভাবে বেশি চেয়েছে। যা অন্যান্য সময় বড়জোর ২০ টাকা হত। যে কাস্টমার এই কর্মটি করেছে তাকে ধরে বেশ ক ঘা বসিয়ে দিয়েছে ঐ চাদা তোলা লোকগুলো। কাস্টমারের অবস্থা খুবুই খারাপ হত যদি না সেখানে পুলিশ থাকতো। আসুন আমরা সংযমের মাসে আরেকটু ধৈর্যশীল হই।