ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

২০০৪ কি ২০০৫ হবে । ৩০ অক্টোবর আমাদের জলিল ভাই ট্রাম কার্ড ছাড়তে চাইলেন। সেই ট্রামে আমি ওভারট্রাম হয়ে ধরা পড়লাম পুলিশের হাতে বাড়ি থেকে ঢাকা ফেরার পথে গাবতলীতে। সাড়ে ১২ ঘন্টার হাজত বাস শেষে প্রচন্ড ঘৃর্ণা নিয়ে বের হলাম এক পরিচিত বড় কর্তার আর্শীবাদে। সেই থেকে আমার পুলিশের প্রতি একধরনের ঘৃর্ণা কাজ করে। আমার পরিচয় পত্র থাকা সত্বেও শুধুমাত্র সংখ্যা বাড়ানোর অযুহাতে আমাকে ধরে ঢুকিয়ে দেওয়া হল হাজতে তাও আবার রেকর্ড বিহীন। ফলে আমাকে খুজে বের করতেই সময় লেগে যায় ৯ ঘন্টা। আমি এখনও কৃতজ্ঞ সেই কর্তা ব্যাক্তির কাছে।

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার দিনও আমাকে বাইরে যেতে হয়েছিল। ভাগ্য ভাল যে আমি যে এলাকায় গিয়েছিলাম সেখানে তেমন কিছু হয়নি। তবে রাতে টিভিতে দেখার পর আমি আর বেশ কদিন বাইরে যায়নি। পুলিশের ভয়ে নয়, অন্য ভয়ে।

গত ০৯, ডিসেম্বর এর দিন আমার ছোটভাই বাইরে ছিল। আমি ফোন করে ওকে তাড়াতাড়ি বাসায় চলে আসতে বলি। সে সন্ধার সময় বাসায় ফিরলে আমি তাকে খুব বকা দিলাম। সে বলল –
’ যদি পুলিশে ধরে তুমি তো আছ। আমাকে বের করে নিয়ে আসবে। না হয় কিছু টাকা লাগবে।”

আমি বললাম, পুলিশে ধরলে না হয় তোরে ছাড়িয়ে নিয়ে আসব বা পারব। কিন্তু যদি হরতালকারী বা প্রতিরোধকারী ধরে তবে মাকে আমি কি বলব? তাকে আমি বিশ্বজিতের খুনের ঘটনা বললাম এবং টিভিতে তা দেখতে বললাম। কিছুক্ষন পরে সে আমাকে সরি বলে গেল। আর আমি মাকে ফোন করে বললাম আমরা সবাই ভাল আমি মা।