ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বলা হয়ে থাকে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রধান লক্ষ,এই লক্ষে তিনি আজীবন লড়াই করেছেন,জেলে গিয়েছেন আর বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ,

সদ্য স্বাধীন হওয়া যুদ্ধ-বিধ্বস্ত একটি দেশের পাহাড়সম জঞ্জাল পরিস্কার করার কাজটি তিনি শেষ করে যেতে পারেননি কিন্তু স্বাধীনতার চার দশক পর আজও কি ক্ষমতাশীল আওয়ামী লীগ শোষণমুক্ত,দুর্নীতিমুক্ত,জবাবদিহি মূলক শাসন ব্যবস্থা চালু করতে পেরেছে?

দূর্নীতি যে প্রশাসনের ছোট-বড় সকল স্তর পেরিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পদ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে সেটি বোঝা যায় জনগন কর্তৃক ধিক্কৃত,মন্ত্রিসভা থেকে ছিটকে পরা,পদ্মা ব্রীজের লোন বরবাদ হয়ে যাওয়ার মূল কারিগর জনাব আবুল হোসেনের হাতে যখন সরকার প্রধান দেশপ্রেমিকের খেতাবটি তুলে দেন!!

আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার সাথে শেয়ার মার্কেটে ধ্বস নামা এখন একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে,যেটি এখন লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীর কষ্টার্জিত অর্থ শোষণ করার একটি অন্যতম প্রধান হাতিয়ার,

প্রশাসনের সকল স্তরে জবাবদিহি মূলক শাসন ব্যবস্থা চালু করা যে একটি সস্তা শ্লোগান আর আওয়ামী সরকার যে সেটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে সেটি এই সরকার ক্ষমতায় বসেই দেখিয়ে দিয়েছে রেন্টাল আর কুইক রেন্টাল সংক্রান্ত যাবতীয় দায়দায়িত্ব থেকে নিজেদের আইনের উর্ধ্বে রেখে!

বছর ঘুরে আবারও এগিয়ে আসছে পনেরই আগষ্ট
বঙ্গবন্ধুর শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে এই দুর্নীতিবাজ,স্বেচ্ছাচারী আর প্রশাসনের সকল স্তরে জবাবদিহিতার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনকারী আওয়ামী সরকারকে ঘৃণাভরে বর্জন করাই হোক এবারের পনেরই আগষ্টের অঙ্গিকার।