ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

নাফিসকে ফাঁদে ফেলে আটক করা হয়েছে এই অজুহাতে অনেকেই বলছেন “এফবিআই” একটি অন্যায় আচরন করেছে,

“এফবিআই” যদি নাফিসকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা নাও করত তবুও আল-কায়েদাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যারা আমেরিকার সর্বোচ্চ ক্ষতিসাধন করতে চায় তাদের পাতা ফাঁদে নাফিস ঠিকই ধরা দিয়ে শহীদ (?) হবার ট্রেনিং নেয়া শুরু করে দিত এবং দুই/তিন বছর পর ট্রেনিং শেষে অপারেশনে যেয়ে হয় শহীদ (?) হত নতুবা এফ বি আই এর হাতে ধরা খেত।
সুতরাং আমেরিকায় থাকতে হলে আমেরিকার শুভাকাঙ্ক্ষি হয়ে থাকো নতুবা আমেরিকা হতে দূরে থাকো।

পাঠক হয়ত বলবেন দুই/তিন বছর পরই না হয় “এফবিআই” নাফিসকে ধরত,এখন ফাঁদ পেতে কেন ধরা হল?
এর সহজ উত্তর – ওয়ান ইলেভেনের পর “এফবিআই” এতটাই তৎপর যে-কয়েক মাস বা বছর পর যে সন্ত্রাসী ঘটনাটি ঘটতে যাচ্ছে -লক্ষন প্রকাশ পাওয়া মাত্র এখনই তারা সেটিকে সমূলে বিনাশ করে দিতে চায়। আর এইখানেই “এফবিআই”এর সাথে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থার পার্থক্য।

২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা,বিডিআর হত্যাকাণ্ড আর রামুর সহিংসতার ঘটনায় এদেশের গোয়েন্দারা যদি নাফিসদের আগেভাগেই ধরে ফেলতে পারতো তাহলে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এত মারাত্বক ভাবে আহত হতেন না,বিডিআর মহাপরিচালকসহ ৫৭জন সেনা অফিসার কে আমরা হারাতাম না আর রামুর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও নষ্ট হত না।