ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

রমজান আসার আগেই অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা সক্রিয় হড়ে উঠেছে। পলিশ ডিবি, র‌্যাবসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির সদস্যেদের গ্রেফতারে যতই সক্রিয় হচ্ছে। আর অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির সদস্যরা নিত্য নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে ততই সক্রিয় হচ্ছে।

অজ্ঞান ও মলম পার্টির সদস্যরা দেশের বিভিন্ন লঞ্চ, বাস ও রেল স্টেশনে যাত্রীদের অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করার টার্গেট নিয়েছে। তারা ফেরিওয়ালা, বাদাম বিক্রেতা, চা বিক্রেতা, ডাব বিক্রেতা, শরবত বিক্রেতাসহ বিভিন্ন বেশে মাঠে নেমেছে। এছাড়া, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির সদস্যরা হাসপাতাল, মার্কেটসহ জনবহুল এলাকায়ও তাদের তৎপরতা শুরু করেছে।
অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিষাক্ত ঔষধ ডুবঃ এবং খঙজঅতঊচঅগ ঞধনষবঃ, সুকরল, আচারের পোটলা, বিষাক্ত হালুয়া, কোরোফরম, টিসু পেপার, মলম, ¯েপ্র, মরিচের গুড়া, বাম, টাইগার বাম ইত্যাদি বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার করে। এসব জিনিস ব্যবহার করায় অনেকে মারাও যাচ্ছে। অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির সদস্যরা সকল প্রকার মানুষকেই অজ্ঞান করে থাকে।
অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির হাত থেকে বাঁচতে হলে নিজের ঘরে ব্যতিত আর কোথাও কোন খাবার গ্রহন না করা। আসুন নিজে ঘরে খাই আর অপরকে নিজের ঘরে খাওয়ার দাওয়াত দেই। দেশবাসিকে অজ্ঞান পার্টির হাত থেকে রা করি।

শুক্রবার গোয়েন্দা পুলিশ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান ও মলম পার্টির ১০ সদস্যকে আটক করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, আব্দুস সালাম, জাফর শেখ, জাহাঙ্গীর, শহিদুল, বারহান শেখ, রাফিজ, মিন্টু শিকাদার, শফিকুল ও মিল্টন শিকদার। এদের কাছ থেকে অজ্ঞান করার বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ মানুষের সাথে প্রথমে সখ্যতা স্থাপন করে বিষযুক্ত হালুয়া, বিষাক্ত ট্যাবলেট পাউডার ও মিশ্রিত খাবার খাইয়ে তাদের অজ্ঞান করা হয়। এরপর তাদের টাকা পয়সাসহ মালামাল লুট করা হয়। এসব অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা রমজান মাস ব্যাপী এবং পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পর্যন্ত নিরীহ মানুষকে বিষাক্ত খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করে তাদের সর্বস্ব লুটে নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আসুন আমরা সচেতন হই। অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির খপ্পর হতে নিজে রা পাই দেশের মানুষকে রা করি। ####সুত্র গোয়েন্দা পুলিশঅজ্ঞান পার্টি–মলম পার্টির সদস্যরা সক্রিয়

নিজে সচেতন হই, অপরকে সচেতন করি রমজান আসার আগেই অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা সক্রিয় হড়ে উঠেছে। পলিশ ডিবি, র‌্যাবসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির সদস্যেদের গ্রেফতারে যতই সক্রিয় হচ্ছে। আর অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির সদস্যরা নিত্য নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে ততই সক্রিয় হচ্ছে।

অজ্ঞান ও মলম পার্টির সদস্যরা দেশের বিভিন্ন লঞ্চ, বাস ও রেল স্টেশনে যাত্রীদের অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করার টার্গেট নিয়েছে। তারা ফেরিওয়ালা, বাদাম বিক্রেতা, চা বিক্রেতা, ডাব বিক্রেতা, শরবত বিক্রেতাসহ বিভিন্ন বেশে মাঠে নেমেছে। এছাড়া, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির সদস্যরা হাসপাতাল, মার্কেটসহ জনবহুল এলাকায়ও তাদের তৎপরতা শুরু করেছে।

অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা বিষাক্ত ঔষধ ডুবঃ এবং খঙজঅতঊচঅগ ঞধনষবঃ, সুকরল, আচারের পোটলা, বিষাক্ত হালুয়া, কোরোফরম, টিসু পেপার, মলম, ¯েপ্র, মরিচের গুড়া, বাম, টাইগার বাম ইত্যাদি বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার করে। এসব জিনিস ব্যবহার করায় অনেকে মারাও যাচ্ছে। অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির সদস্যরা সকল প্রকার মানুষকেই অজ্ঞান করে থাকে।

অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির হাত থেকে বাঁচতে হলে নিজের ঘরে ব্যতিত আর কোথাও কোন খাবার গ্রহন না করা। আসুন নিজে ঘরে খাই আর অপরকে নিজের ঘরে খাওয়ার দাওয়াত দেই। দেশবাসিকে অজ্ঞান পার্টির হাত থেকে রা করি।

শুক্রবার গোয়েন্দা পুলিশ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান ও মলম পার্টির ১০ সদস্যকে আটক করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, আব্দুস সালাম, জাফর শেখ, জাহাঙ্গীর, শহিদুল, বারহান শেখ, রাফিজ, মিন্টু শিকাদার, শফিকুল ও মিল্টন শিকদার। এদের কাছ থেকে অজ্ঞান করার বিভিন্ন উপকরণ উদ্ধার করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ মানুষের সাথে প্রথমে সখ্যতা স্থাপন করে বিষযুক্ত হালুয়া, বিষাক্ত ট্যাবলেট পাউডার ও মিশ্রিত খাবার খাইয়ে তাদের অজ্ঞান করা হয়। এরপর তাদের টাকা পয়সাসহ মালামাল লুট করা হয়। এসব অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা রমজান মাস ব্যাপী এবং পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পর্যন্ত নিরীহ মানুষকে বিষাক্ত খাবার খাইয়ে অজ্ঞান করে তাদের সর্বস্ব লুটে নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আসুন আমরা সচেতন হই। অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির খপ্পর হতে নিজে রা পাই দেশের মানুষকে রা করি। ####