ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

ঘাতকদের খুনের হাত থেকে রক্ষা পেতে পেশাদার সাংবাদিক ভাইয়েরা মোটর সাইকেলের পেছনে সাংবাদিক লেখা হতে বিরত থাকি, রাজধানীসহ সারাদেশে সাংবাদিকদের হত্যা, খুন নির্যাতন, হামলা মামলাসহ গাড়ি চাপা দিয়ে নতুন কৌশলে হত্যা করা হচ্ছে। সাংবাদিক নিহতের কাতারের একের পর এক সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাজধানী ঢাকায় সুকৌশলে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ও তার স্ত্রী এটিএন বাংলার জেষ্ঠ প্রতিবেদন মেহেরুন রুনিকে খুন করা হয়। এ ঘটনার রহস্য উদ্ধারের নামে ছেলে খেলা চলছে। বাংলাদেশই নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। বাংলাদেশের সাংবাদিক ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতিটি সদস্য তাদের আত্মীয়-স্বজন, পরিবারসহ সর্ব মহলের নানা ধরণের প্রশ্নের সম্মুখীন। কিছুই বলতে পারছে না কেউ। এ খুনের ঘটনাটির রহস্য এখন সাংবাদিকদের বের করতে হবে বলে সাধারণ মানুষ মনে করছে। এই খুনের ঘটনা নিয়ে যখন সাংবাদিক মহল আন্দোলনের জন্য মাঠে নামছে। আর তখনই গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা করা হল আরেক সাংবাদিক দিনেশ দাসকে। এরপর গাড়ি চাপায় পঙ্গু করা হলো নিখিল ভদ্রকে। এরপর বরিশালের সাংবাদিক টিটুকে খুন করা হল গাড়ি চাপা দিয়ে । এই দিন বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টারের এসোসিয়েশনের সিনিয়র সদস্য ও ইন্ডিপেনডেন্টের সিনিয়র সাংবাদিক বিভাস সাহাকে গাড়ি চাপা দিয়ে তার মাথাটি গলিয়ে ফেলা হল। আব্দুর রহিম নামে এক রিকসা চালক আমি কি করি জানতে চান। এরপর সাংবাদিক পরিচয় জানান পর বলে স্যার আপনাদের যে ভাবে খুন করা হচ্ছে। তাতে বাংলাদেশে সাংবাদিক থাকবানি ।!

আপনাদের জন্য মন্ত্রীরা আর দুর্নীতিবাজরা তাদের পরিবারের কাছেও অপমান বোধ করছেন। তাই সাংবাদিকদের খুন করা হচ্ছে। আর মোটর সাইকেলের পেছনে বাস গাড়ির চালকরা ইচ্ছা করেই ধাক্কা দেয়। তাই আপনেরা মোটর সাইকেলের পেছনে সাংবাদিক লিখবেন না। ঠিক তাই হচ্ছে রাজধানী ঢাকায়। শনিবার বিকেলে মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হলেন প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম। তার মোটর সাইকেলের পেছনে সাংবাদিক লেখা দেখেই ট্যাক্সিক্যাবের চালক পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে। এতে তিনি প্রাণে বেঁচে গুরুতর আহত হয়েছে। এরপরই একই এলাকায় তিনজন ফটো সাংবাদিক পুলিশী নির্যাতনে গুরুতর আহত হলেন। তাই আসুন আর প্রিয় সহকর্মী পেশাদার সাংবাদিক ভাইয়েরা জীবন নাশের আশংকায় মোটর সাইকেলের পেছনে সাংবাদিক লেখা তুলে ফেলি। ঘাতকদের খুনের হাত থেকে রক্ষা পাই।