ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

ইমিউনোলজি বা রোগপ্রতিরোধ বিদ্যা হচ্ছে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানেরই একটি শাখা। এর অন্যতম অবদান হচ্ছে কয়েকটি সংক্রামক ব্যাধিকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম টিকাদান পদ্ধতি। এই বিদ্যা এমন সব তথ্য আবিষ্কার করেছে যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের চিন্তাধারাকে আমূল পরিবর্তন করে ফেলেছে। মানবদেহে রয়েছে অসংখ্য সূক্ষ্ম কণা, যাকে আমরা শ্বেতকণিকা বলে জানি। এদের জন্মস্থান দেহের বোনম্যারো বা মজ্জার ভিতর। শ্বেত কণিকাকে সাহায্য করছে অন্য দুটি বাহিনী যাদের নাম বি এবং টি সেল । এদের কাজ হচ্ছে দেহের আভ্যন্তরীণ পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা। দেহের আভ্যন্তরীণ পরিবেশকে দূষিত করে ফেলে প্রধানতঃ জীবাণু এবং ভাইরাস নামক অতিসূক্ষ্ম পরজীবী এবং এদের দ্বারা সৃষ্ট দূষিত পদার্থ যার নাম টকসিন বা এন্টিজেন। এই দূষণের ফলেই মূলতঃ সৃষ্টি হয় প্রায় সকল প্রকারের সংক্রামক ব্যাধি। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর যে কোন বিজাতীয় পদার্থ যথা, জীবাণু এবং ভাইরাস এবং এদের দ্বারা সৃষ্ট বিষাক্ত পদার্থসমূহ ছাড়াও বহুবিধ বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে যা দেহে প্রবেশ করে মানুষকে অসুস্থ করে ফেলে। এ ধরনের ক্ষতিকর উপাদানসমূহকে এ্যান্টিজেন বলে আখ্যায়িত করা হয় । আমরা এদেরকে রোগবিষ বলে আখ্যায়িত করব। দেহকে এই সকল দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে পারলেই দেহ রোগমুক্ত থাকতে পারে। শ্বেতকণিকা এবং এদের সাহায্যকারীরা দেহকে দূষণ থেকে মুক্ত রেখে রোগমুক্ত রাখে বলেই এদেরকে বলা হয় ইমিউন সিস্টেম বা ‘রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা’।

বিস্তারিত জানতে বাংলা ওয়েব সাইট দেখুন- http://homeomodulation.com
http://www.facebook.com/Homeomodulatioin