ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

আমরা একটু লক্ষ্য করলে দেখতে পাই যে, পৃথিবীতে মানুষের যত প্রকারের রোগ আছে তার প্রায় বেশীর ভাগ রোগই আজ কাল আর কোন চিকিৎসার দ্বারাই সহজে ভালো হতে চাচ্ছে না। বিষয়টি সকল চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেরকে ভাবিয়ে তুলছে। সাধারণ রোগ থেকে শুরু করে জটিল রোগগুলোর প্রতিটি রোগই চিকিৎসকদের শান্তিপূর্ণ জীবনযাত্রাকে বিগ্নিত করে তুলছে। সাধারণ মানুষের কথা বাদ দিয়ে বিজ্ঞ চিকিৎসকদের অবস্থাই যদি এমন হয়, তাহলে আজকে সময় এসেছে ভেবে দেখার এই জটিলতার মূল কারণটি কোথায়। দেশীয় চিকিৎসকেরা বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়লে মানুষ বিদেশে চলে যাচ্ছে, কিন্তু একটা কথা কেউ বুঝতেই পারছেন না যে, একই চিকিৎসা বিজ্ঞান বিশ্বব্যাপি সমগ্র রোগকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। সে ক্ষেত্রে বিদেশে পাড়ি জমিয়ে রোগাক্রান্ত মানুষেরা হতাশাগ্রস্থ হয়ে আবার দেশেই ফিরে আসছেন। দেশের খ্যাতিমান লেখক হুমায়ূন আহমেদকে কিছুতেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

অথচ কোলন সংক্রান্ত সমস্যাকে দেশের প্রচলিত চিকিৎসাতেই আরোগ্য করা সম্ভব হয়ে থাকে, যদি না প্রাথমিক অবস্থা থেকেই রোগটিকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অবদমনকারী ওষুধের দ্বারা শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
উদাহরণস্বরুপ একজন বাংলাদেশী শিল্পপতি তার প্রস্টেট গ্রন্থি জনিত সমস্যার জন্য আমেরিকায় চিকিৎসা নিয়ে যখন তার পিএসএ ক্যান্সার মার্কারকে কমিয়ে আনতে ব্যর্থ হলেন তখন তিনি বাংলাদেশে এসে আমাদের চিকিৎসা নিয়ে স্যাবাল সেরুলেটা নামক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সেবন করে বর্তমানে সুস্থ আছেন।

অতি সম্প্রতি ভারতের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালাম ৮৪ বছর বয়সে দেহ ত্যাগ করলেন। তার মতো একজন গুণীমানুষকে যদি আরো কিছুদিন বাচিয়ে রাখা যেত তাহলে অবশ্যই ভারতের জন্য আরো অনেক অবদান রেখে যেতে পারতেন। এমনিভাবে প্রতিদিন পৃথিবীতে জ্ঞানীগুণী লোকেরা বিদায় নিয়ে যাচ্ছেন, যাদের অভাব পূরন করার মতো ব্যাক্তিত্বের আগমন হতে আবার কয়েক শতাব্দি অপেক্ষা করতে হবে।

অথচ আমরা কিছু গবেষণা লব্ধ জ্ঞান দ্বারা দেখতে পাচ্ছি যে, মানুষকে জন্মগতভাবে প্রাপ্ত রোগ থেকে মুক্ত করে রাখতে পারলে অনেক সংযমী মানুষকে শতাব্দির অধিক কাল পর্যন্ত বাচিয়ে রাখা সম্ভব। এর জন্য প্রয়োজন শৈশব থেকেই মানব দেহকে জন্মগতভাবে প্রাপ্ত রোগবিষ (এন্টিজেন) থেকে মুক্ত করে রাখা। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এধরনের বিষমুক্ত করার উপযোগী ইমিউনোমডুলেটর বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণকারী প্রাকৃতিক উপাদান নিয়ে গবেষণা করছেন। অথচ ঐসকল উপাদান গত কয়েক শতাব্দি যাবত হোমিওপ্যাথিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আমরা বিগত কয়েক দশক যাবত আমাদের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে অস্থিমজ্জার শক্তি বৃদ্ধির দ্বারা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ (হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশন বাই বোনম্যারো ষ্টিমুলেশন) নিয়ে আলোচনা করে আসছি। আশা করি এই পদ্ধতির অনুসরন করে আমরা বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালামের মতো সংযমী মানুষদেরকে দীর্ঘজীবী করতে পারব।

প্রচারে
হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশন রিসার্চ সেন্টার
সেল নংঃ 011 99 11 97 04
ওযেব সাইটঃ www.homeomodulation.wordpress.com