ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথ ডাঃ জে জে ড্রাইসডেল বলে গিয়েছেন যে, সুস্থ ব্যাক্তির দেহে উচ্চ শক্তির হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগ করা হলে সেই ব্যাক্তির রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং উক্ত ব্যাক্তি দীর্ঘ জীবন লাভ করে থাকে। বিষয়টি সেই সময় হোমিওপ্যাথি জগতে জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি। কারণ তখনকার দিনে একজন সুস্থ ব্যাক্তির দেহে বার বার হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগ করে, কৃত্রিম রোগ লক্ষন তৈরী করার স্বপক্ষে কোন মঙ্গল জনক উপকার থাকতে পারে এমনটি ভাবা যায়নি। বর্তমানে ইমিউনোলজি বিজ্ঞানের আবিষ্কারের ফলে আমরা জানতে পারি যে, বিষাক্ত ভেষজকে সুক্ষ্মমাত্রায় প্রয়োগ করে যখন কৃত্রিম রোগ লক্ষণ তৈরী করা হয় তখন যে এন্টিবডির জন্ম হয় তারা উক্ত ভেষজের অনুরুপ দেহে বিদ্যমান জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষাক্ত উপাদান (এন্টিজেন) গুলোকে ধ্বংস করে থাকে। যেই উপাদানগুলো ক্রমাগত মানবদেহের ক্ষতিসাধন করতে থাকে এবং মানুষকে অকাল বার্ধক্যের দিকে নিয়ে যায়। ঘনঘন রোগাক্রান্ত হওয়া যে, মানুষের জীবনী শক্তিকে খর্ব করতে থাকে এবং মানুষের আয়ুষ্কালকে কমিয়ে ফেলে এটা অনুধাবন করা একটি সহজ কাজ। এই প্রক্রিয়াটিকে যত কমানো যায় তত মানব জীবনকে দীর্ঘায়িত করা সহজ হয়। যারা অকাল বার্ধক্যকে প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন তাদের জন্য এই হোমিওপ্যাথির ব্যবহারের দ্বারা কৃত্রিম রোগ তৈরী করে মানব দেহকে রোগমুক্ত রাখার প্রক্রিয়াটি হয়ত কোনদিন একটি অতিমূল্যবান অস্ত্র হিসাবে স্বীকৃত হতে পারে। শুধু হরমোনের ব্যবহার মানবদেহে ক্যান্সারের জন্ম দিয়ে যে সমস্যার সৃষ্টি করে সেই সমস্যার হাত থেকে বিজ্ঞানীরা মুক্তি পেতে সক্ষম হবেন, যদি বিষাক্ত ভেষজের সূক্ষ্মমাত্রায় ব্যবহার বিজ্ঞানীদের নতুন পথের নির্দেশনা দিতে পারে।
জনৈক নোবেল প্রাইজ বিজয়ী ব্রিটিশ চিকিৎসা বিজ্ঞানী দুঃখ করে বলেছিলেন, আমার বয়স এখন ৭৮ বছর। আমরা এত কিছু আবিষ্কার করছি কিন্তু যতদিন আমরা ১৭৮ বছর পর্যন্ত বয়সে পৌছতে না পারব ততদিন আমাদের অন্তরের অন্তস্থলে একটি সুপ্ত বেদনা থেকেই যাবে। ঐ বিজ্ঞানীর স্বপ্ন হয়ত একদিন হোমিওপ্যাথির কল্যাণে বাস্তবায়িত হবে, যার শুরু হয়ে ছিল ডাঃ ড্রাইসডেলের স্বপ্নের মাধ্যমে।

প্রচারে হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশ রিসার্চ সেন্টার
মোবাইল নংঃ ০১১৯৯১১৯৭০৪
ওযেব সাইটwww.homeomodulation.wordpress.com