ক্যাটেগরিঃ স্বাস্থ্য

 

অনেক রোগি আমার চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ করে এক ধরনের সংশয়ে ভূগতে থাকেন। তাদের মনে একটা প্রশ্ন সর্বদাই তাদেরকে পীড়িত করতে থাকে। অথচ তারা সরাসরি জিজ্ঞাসা করে আমার কাছ থেকে জানতে চান না। প্রশ্নটি হলো আমার চিকিৎসার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি কী? তাদের মনের বাসনাকে পূর্ণ করার জন্য আজ আমি কিছু কথা লিখব।

আমার জেষ্ঠ্যভ্রাতা ডাঃ হারুন রশীদ ভারত থেকে শিক্ষা প্রাপ্ত একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ছিলেন। তার সান্নিধ্যে থেকে আমি হোমিওপ্যাথি শিখি এবং তার সাহচর্যে অনেক প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। প্রথম থেকেই আমি লক্ষ্য করি যে, জটিল রোগের বেলায় প্রচলিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা প্রায় ক্ষেত্রেই বাধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। যখন রোগীরা হোমিওপ্যাথি ত্যাগ করে এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার দিকে ধাবিত হয় । বিষয়টি আমার মনের গভীরে দাগ কটে ।

যদিও পেশায় আমি একজন প্রকৌশলী ছিলাম তথাপি আমি প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের বই পড়ে প্রচুর জ্ঞান অর্জন করেছিলাম। তাই আমি হোমিওপ্যাথির দূর্বলতার কারণগুলো খুঁজতে শুরু করি। এই কাজে সহযোগীতার জন্য আমি এ্যালোপ্যাথি বিজ্ঞানের বইগুলোও পড়তে শুরু করি এবং সেই জ্ঞান এবং হোমিওপ্যাথির জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আমি এক অভিনব চিকিৎসা বিজ্ঞানের পথকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হই। আমি এই যৌথ চিকিৎসা পদ্ধতির দ্বারা সৃষ্ট নবতম পদ্ধতির নামকরণ করি “হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশন বাই বোনম্যারো স্টিমুলেশন”।

এই নবলব্ধ জ্ঞানের বিষয়টি এতই জটিল যে, আমি একে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে সক্ষম হচ্ছি না। বিষয়টিকে বুঝতে হলে হোমিওপ্যাথি এবং এ্যালোপ্যাথির ইমিউনোলজি চিকিৎসা বিজ্ঞানকে গভীরভাবে অনুধাবন করতে হবে। এটা এতই কঠিন কাজ যে অত্যন্ত দক্ষ চিকিৎসকবৃন্দও আমার লেখার মর্মবাণীকে উপলব্ধি করতে সক্ষম হচ্ছেন না। অথচ আমি বিগত ৩৫ বছর যাবত বিষয়টিকে বিশ্বব্যাপি জনপ্রিয় করে তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

প্রচারে হোমিওপ্যাথিক ইমিউনোমডুলেশন রিসার্চ সেন্টার
মোবাইল ০১১৯৯১১৯৭০৪