ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

 

সাংবাদিক তোহুর আহমেদ সাহেবের লেখা এই শিরোনামে রিপোর্টটি দেখে হতচকিয়ে গেলাম। [লিংক]

এখানেও সেই শায়লা ফারজানা পিংকির কালো হাত এর ছায়া পড়েছে। তোহুর সাহেব লিখেছেন “মনের মানুষকে স্বামী হিসেবে পেলেও পাননি ঘর। শ্বশুর পক্ষ থেকে মেনে নেয়া হয়নি এ বিয়ে” আপনি কি জানেন তোহুর সাহেব? হিমেল তখনও এই মেয়ের মোহান্ধ হয়নি বিধায় হাত-পা কেটে এই মেয়ে হিমেলকে সংবাদ দিয়ে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে করে। আর তার শশুরকে বিয়ের পর সংবাদ দেয়া হয় যে, তার ছেলে বিয়ে করেছে। ছেলের ভবিষ্যৎ ও সামাজিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে ছেলের বাবা-মা ওদের বাসায় (জাপান গার্ডেন সিটি তে ৩ মাসের কণ্টাক্ট এ ভাড়া করা) গিয়ে আনুষ্ঠানিক বিয়ের সব আয়োজন করেন। স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টার আর শাহীন হল এ একটু খোজ নিলেই জানতে পারবেন কত ধুমধামে একম্ত্রা ছেলের বিয়ের আয়োজন করেছেন। এই ছবি দেখে বুঝে নেন শায়লার জন্য ঢাকা শহরের সবচেয়ে দামী শাড়ী আর গহনা কিনেছেন বিয়েতে।

জনাব তোহুর সাহেব আপনি লিখেছেন “কঠিন সংগ্রামরে মধ্যে জীবন বাঁচাতে স্বামীকে নিয়ে রাজধানী ছেড়ে আশ্রয় ননে জন্মস্থান খুলনায়।” এখানে জীবন বাচাতে নয় বরং শায়লা চায় অতি অল্প সময়ে বড়লোক হতে আর তাই শায়লা জানে হিমেল এর মা-বাবার বড় দূর্বলতা হচ্ছে তার একমাত্র ছেলে, তাকে দূরে সরিয়ে অর্থের জন্য চাপ প্রয়োগ করাই ছিল শায়লা ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের উদ্দ্শ্যে। শায়লা খুলনা যাবার আগে তার হাতে বাসার সকল চাবি দিয়ে দেয়া হয় আর বেঈমান শায়লা এই সূযোগে শাশুরীর সব গয়না,দলিল, টাকা নিয়ে রাতের অন্ধকারে গাড়ী নিয়ে পালিয়ে যায়। ফাষ্টফুডের দুটি দোকান দেয় ওই স্বর্ণ আর গাড়ী বিক্রি করে তাছাড়াও প্রতারনা করে চিটাগং এর দুটি ব্যাংক থেকে টাকা উঠিয়ে ওই দোকান এর জন্য খরচ করে।

এদিকে ছেলের শোকে মা পাগলপ্রায়। কিন্তু শায়লা ও তার পরিবার হিমেল এর মা-বাবা কে হুমকি দেয় খুলনা আসলে জীবন নিয়ে ফিরে যেতে দেবে না। তারপরেও শায়লার বড় মামার মাধ্যমে হিমেল এর বাবা-মা খুলনা যান ছেলে ও বউকে ফেরৎ আনতে কিন্তুু শায়লার মা বলেন ঢাকায় একটা আলাদা বাড়ী আর ৫০ লক্ষ টাকা দিলে ওরা যেতে পারে। আর তোহুর সাহেব আপনি বলছেন ভাগ্য বড়িম্বনা।

হিমেল এর বাবা-মা আসলেই আনেক বড় মনের মানুষ আর এই সূযোগটি কাজে লাগাচ্ছেন মডেল শায়লা। তোহুর সাহেব লিখেছেন “পিংকিকে মেনে নিতে পাড়ছে না হিমেল এর পরিবার” আপনি ওদের বাসায় এসে একটু দেখেন এখন কে নির্যাতিত হচ্ছে শায়লা না কি হিমেল এর বাবা মা। আতœীয়-স্বজন সবাইকে দূরে সরিয়ে দিয়ে এখন তারা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন আর ছেলের দিকে তাকিয়ে সব সহ্য করছেন। ছেলে আর ছেলের বউ নিয়মিত দরজা বন্ধ করে নির্যাতন করে যাচ্ছে।
গত ১০ই জানয়ারী হিমেল এর মামা সড়ক দূর্ঘটনায় পড়েন এবং চিকিৎসার স্বার্থে হিমেলদের বাসায় হিমেল এর মা নিয়ে আসেন। ১১ই জানুয়ারী হিমেলদের বাসায় অসূস্থ ভাইকে দেখতে বড় দুই বোন গেলে শায়লা হিমেলকে ডেকে আনে এবং কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই হিমেল ও শায়লা দুজনই লাঠি ও বটি নিয়ে তাদের উপর আক্রমন করে এবং মারধর করে এবং ব্যাগ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়। আশপাশের লোকজন গুলশান থানায় খবর দেয় এরপর টহল পুলিশ আসে। কিন্তু টহল পুলিশ এর এ এস আই মকুল আহমেদ কে শায়লা একটি নাম্বার এ ধরিয়ে দেয় অতঃপর পুলিশ এর সামনেই তারা আবার মারধর করে যা হিমেল এর ফেইসবুক ষ্ট্যাটাস এ ফলাও করে লেখা।

পুলিশ এসে আক্রান্তদের পক্ষ না নিয়ে উল্টো আসামীদের পক্ষ নিয়ে কাজ করেছে। এমতাবস্থায় উপায়ন্তর না দেখে মারধরের ফলে অসূস্থ খালা সাহাবুদ্দিন হসপিটাল এ চিকিৎসা নেন এবং গুলশান থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেন ।

শায়লার বেপরোয়া আচরন এবং সন্ত্রাসী বড় ভাইদের ভয়ে এখন সবাই শংকিত এবং হিমেল দের একটি সূখী পরিবার এখন ধ্বংসের পথে। অর্থলিপ্সা আর ভয়ানক সব কর্মকান্ড ঘটানোর ফলে আত্মীয়স্বজনসহ সবাই এখন শংকায় সময় কাটাচ্ছেন।