ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

গৌরব ঐতিহ্যে ভরপুর আমাদের এই সোনার বাংলাদেশ।আমাদের প্রতিটি অর্জনের পিছনে আছে রক্তাক্ত সংগ্রামের ইতিহাস।অনেক কষ্টে অর্জিত এই বাংলা এখনও উন্নয়নের শিখরে উঠতে পারছে না শুধুমাত্র এই ভাঙ্গা রাজনীতির কারনে।সরকারী দল আর বিরোধী দল যেন একই মুদ্রার এপিঠ,ওপিঠ।এমনকি তারা জাতীয় স্বার্থেও ঐক্যমতে পৌছাতে পারে না।বর্তমান রাজনীতিবিদদের মধ্যে ব্যবসায়ীদের সংখ্যা ব্যাপকহারে বেড়ে যাচ্ছে,তারা রাজনীতিকে ব্যবহার করছে ব্যবসার মূল হাতিয়ার হিসাবে।এভাবে ব্যবসায়ীর সংখ্যা যদি বাড়তেই থাকে তবে রাজনীতির নাম হয়ে যাবে রাজব্যবসা (চাইলে এখনি ব্যাবহার করা যেতে পারে)।কোন ভাল কাজে যে একে অপরকে সাধুবাদ জানাবে সেই সৌজন্যতাবোধও আজ রাজনীতি থেকে উঠে গেছে। বর্তমান সরকারের সমুদ্রজয়, বিরোধীদল এর জন্যে সরকারকে ধন্যবাদ জানাবে না।আর সরকার কোন কিছু ঘটলেই বলবে তা বিরোধীদলের চক্রান্ত। সাধারন জনগণ আপনাদের নির্বাচিত একে অপরের বিরুদ্ধে বিষোদগার করার জন্যে নয়,মিলেমিশে দেশের উন্নয়নের জন্যে।আমাদের চারপাশ আজ প্রচুর সমস্যায় জর্জরিত।সাম্প্রতিক বিষয়গুলো চিন্তা করা যাক-সাগর-রুনি হত্যা,ইলিয়াস আলী গুম,পদ্মা সেতু নিয়ে সমস্যা,তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা-এসব সমস্যা সমাধানে দুই দলের নেত্রী একবারও সংলাপে বসতে পারে না।সবাইতো বলে দেশের উন্নয়ন চায়, সংলাপে বসলে এসব সমস্যার সমাধান হলে তো দেশেরই উন্নয়ন হবে।আমাদের দেশ প্রাকৃ্তিক সম্পদের বিশাল এক ভান্ডার,এই ভান্ডারকে কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন দেশের প্রধান দুই রাজনীতি দলের সহাবস্থান।যোগ্যতার ভিত্তিতে যদি সবকিছু হত তবে আমাদের দেশে সংঘাতের রাজনীতি কখনো থাকতো না।আপনারা শুধু এসি রুমে বসে নির্দেশ দেন।আপনাদের এই একটি নির্দেশের কারনে কত লোক মারা যাচ্ছে,দিনতো ফিরিয়ে একটি জীবন?এতসব হতাশার মাঝে আপনাদের কিছু আশার কথা বলতে চায়।আমাদের দেশে এখনো কয়েকজন মন্ত্রী আছে যাদের পাবলিক বাসে দেখা যায়,যারা সরকারী কোয়ার্টার পাওয়ার পরও নেয়না।আশাই আছি এরকম মন্ত্রীর ভবিষ্যতে আরো বৃদ্ধি পাবে,আমাদের দেশ একদিন উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।