ক্যাটেগরিঃ আইন-শৃংখলা

বিকাশ ছাড়া আমাদের বিজয়োৎসব যে অপূর্ণ থেকে যাবে তা আমার জানা ছিলনা। তাই একটু চমকে উঠলাম।

”কঠোর গোপনীয়তায় শীর্ষ সন্ত্রাসী বিকাশ কুমার বিশ্বাসকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার ঘটনায় স্তম্ভিত পুলিশ কর্মকর্তারা। কীভাবে এ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসীর মুক্তি হল, তা বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা এ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পদস্থ একজন পুলিশ কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বিকাশকে এভাবে মুক্তি দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন। ওই কর্মকর্তা বলেন, এর আগেও বিকাশকে মুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ায় সে চেষ্টা ভেস্তে যায়। তাঁর মতে, বিকাশের মতো সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালে ছোট সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে।

গোয়েন্দা পুলিশের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, কারাগারে বসেই কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি করেছেন বিকাশ। এমন তথ্য তাঁদের হাতে রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে তাঁরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি। অনেকে চাঁদা দিয়ে আপস করেছেন— এমন কথাও তাঁরা জেনেছেন।”


(স্ক্রিনশটটা দিতে হলো, কখন আবার লিঙ্ক পাল্টে যায়!)

”স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে গত শুক্রবার খুব সকালে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে কাশিমপুর-২ কারাগার থেকে বিকাশকে মুক্তি দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে একজন পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িতে তুলে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। এ ধরনের শীর্ষ সন্ত্রাসী জামিন পেলে তাঁদের মুক্তি দেওয়ার আগে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। কারা প্রশাসনের কর্মকর্তারা সেভাবেই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন। কিন্তু উচ্চপর্যায় থেকে বিকাশকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশনা থাকায় কারা প্রশাসনও নীরব থাকে।” (প্রথম আলো)

এটার অর্থ কী হলো?
০১। বিকাশকে আগে একবার মুক্তি দেয়ার চেষ্টা।
০২। কঠোর গোপনীয়তা সহকারে বিকাশ মুক্ত।
০৩। পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িতে তুলে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া।

কোন নতুন এবং বড় টার্গেট শেষ করার জন্য কি বিকাশ কে মুক্তি দেয়া? টার্গেট শেষ হলে বিকাশ ও শেষ। কোন তথ্য প্রমাণ থাকবে না।

আমরা সবাই হাততালি দেব, চিহ্নিত সন্ত্রাসী মারা গেছে।
এই পরিহাস তো ভুট্টোকে মানায়। এ উপহার তো নিয়াজীও নিবে না।