ক্যাটেগরিঃ দিনলিপি

আজ অনেক দিন পড়ে শৈশবের কথা মনে পড়ে গেল।জীবনের আনন্দ গুলো কেমন যেন! কাছে এলে ঝাপসা;দূরে গেলে রঙিন।বিকেলে বারাব্দায় দাড়িয়ে বাইরের হাব ভাব দেখছিলাম,এক দল শিশু ব্যাট বলের ঝড় তুলছে।তাদের উচ্ছ্বাস সাত রঙধনু হয়ে আকাশে দীপ্তি ছড়াচ্ছে।মাঠ ছোট, আনন্দ দিগন্ত জোড়া। তাদের আনন্দের পাখায় ভর দিয়ে হারিয়ে গিয়েছিলাম শৈশবে।মনের শিশুটা জেগে উঠেছে আজ নতুন করে। বার বার শৈশবে ফিরে যেতে চাইছিলাম।মনটা যেন কেমন!কোন বাঁধাই মানতে চায় না।অবুজ মনটাকে সান্ত্বনা দিলাম বললাম,শৈশবে যাবার ক্ষমতা আমার নেই।তবে মনের ডানায় ভর করে ঘুরে এলাম শৈশবের অলি-গলি।সেই টিন-সেট বাড়ি,আঙ্গিনায় ছোট্ট মাঠ।স্কুল সেতো দিগন্ত জোড়া।স্কুলের পাশে বিশাল দীঘি,ছবির মত সবুজে ঘেরা বাগান। ব্যাট বলের ঝড় হয়তো জানতাম না।ডাংগুলি,লাটিম,ঘুড়ি ,মার্বেল,কানামাছি,গোল্লাছুট,বৌছির সাথে সখ্যতা ছিল নিত্য দিনের।শৈশবের স্বার্থহীন বন্ধুত্ব খুঁজে বেড়াই পথের বাঁকে বাঁকে।স্কুলের আনন্দ বর্ণনাহীন।খেলতে খেলতে শৈশব পেরোনো তৃপ্ত হৃদয় চিন্তায় ভারী হয়ে যায়।বারান্দায় দাড়িয়ে থাকা শিশুদের দেখে যতটা উচ্ছ্বসিত , ততটাই মেঘ করে বসে আছে।ছোট্ট মাঠটি আজ আছে কাল থাকবে না।আর হয়তো শিশুদের উচ্ছ্বাস আমরা দেখতে পারবো না ভেবে মনটা ভারী হয়ে থাকে। ডাংগুলি,লাটিম,ঘুড়ি ,মার্বেল,কানামাছি,গোল্লাছুট,বৌছি খেলতে আর চোখে পড়েনা হয়তো ছোটলোকের খেলা ভেবে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছি জীবন থেকে।হয়তো সবুজে ঘেরা ছোট্ট কোন গ্রামে, যেখানে নগরের ছাপ পড়েনি, সেখানে ‘কানা-মাছি ভোঁ ভোঁ যাকে পাবি তাঁকে ছোঁ’র মত আওয়াজে মুখরিত আকাশ-বাতাস।