ক্যাটেগরিঃ আন্তর্জাতিক

প্রাচীন সময় থেকেই আমাদের কাছে হেজাজ নামটি ধর্মীয় ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই হেজাজ অঞ্চলেই পবিত্র মক্কা মদিনা। এর সর্বশেষ শাসক খলিফা ছিলেন আলি বিন হুসাইন তারা ছিলেন হাসেমিও। আর বর্তমান শাসক বংশ হল সৌদ বংশের তারা বহিরাগত ইয়েমেনি ওহাবি। তারা আলি বিন হুসাইন আল হাসেমিকে পরাজিত করে ঐতিহাসিক পবিত্র হেজাজ দখল করে নিজেদের পরিবারের নামে নামকরণ করে বিশ্ব মুসলিমের আতে ঘা দেন।

এই অহাবিবাদি সউদ পরিবার চরম রক্ষণশীল। তারা নবীজির মাজার সহ সব মাজার ভেঙে দিতে চেয়েছিল কিন্তু নবীজির স্বর্ণ বাধাই করা মাজার বিশ্ব মুসলিমের চাপে তা তারা পেরে উঠেনি। এখন সময়টা বিজ্ঞানের আধুনিকতার কিন্তু সউদ বংশ হেজাজের সময়কে তাদের রক্ষণশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল শাসনের মহাফেজখানায় স্থির করে রেখেছে। একবিংশ শতাব্দীতে মুসলিম বিশ্ব এই সউদ অহাবি পরিবারের হাতে জিম্মি হয়ে আছে ।

তাই পবিত্র হেজাজকে এই সউদ পরিবার থেকে মুক্ত করে সেই ঐতিহাসিক পবিত্রতাকে ফিরিয়ে আনতে হবে।আর আমি যেহেতু একজন মুসলিম তাই বলবো পবিত্র মক্কা মদিনা পবিত্র দুই মসজিদের ইমাম সাহেবের শাসনে দিয়ে বাকি হেজাজে আধুনিক গণতান্ত্রিক ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করতে হবে। আর বিশ্ব মুসলিমের নেতৃত্ব তুরস্ক বা মালয়েশিয়ার হাতে দেয়া যেতে পারে মেয়াদি ভাবে। এদিকে আমাদের দেশেও একটি উপকার দেখা দিবে যে জামাত শিবির তাদের গায়েবি খাজানা হারিয়ে লেজ কাটা হয়ে যাবে। (আমি এখানে বিশ্ব ব্যাপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আশা করেছি। আরব বসন্তকে ছড়িয়ে পরার আশা করেছি।এখানে স্থূল ভাবে ধর্মের জয়গান গাওয়া হয়নি। মক্কা মদিনা বাদে সব যায়গায় আমি গণতন্ত্র ও নির্বাচিত সরকার চেয়েছি। ভ্যতিক্যন সিটি যেমন মক্কা মদিনাও ঐ রকম হবে। হেজাজ হবে গণতান্ত্রিক।)