ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

প্রাচিন সভ্যতার দেশ মিশর। এই নীল নদ পথ দেখিয়েছে বিশ্বকে ও সভ্য করেছে তার মানুষকে। পথ দেখায় সেই যে থমকে যাওয়া সময়কে যেন এক ঝটকায় এগিয়ে দেয় অনেক দূর। আজ এই সময়ে নীল নদের দেশটির হাল ধরতে যাচ্ছে ইখয়ানুল মুস্লিমিনের মুহম্মদ মুরসি। তবে এই মুহূর্তে ইখয়ানদের শিক্ষা নিতে হবে এই সেদিনের গত হওয়া পরাশক্তি আজকের আধুনিক তুরস্কের জাস্টিস পার্টি ও তার এরিক তায়েপ এরদগানের কাছ থেকে। কারন তিনি ইসলামি দলের প্রধান হয়ে পুরো দেশকে মাদ্রাসা বানিয়ে সময় স্রোতের উলটো দিকে টেনে নিয়ে যায়নি।

তিনি শুধু মাত্র ধর্মীয় স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন অর্থাৎ গণতান্ত্রিক পথেই তিনি আছেন সেই সাথে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশের জন্যে মরিয়া তিনি দেশের অর্থনীতি বানিজ্য বেকারত্য নিয়ে ব্যাস্ত। সার্বিক ধর্ম পালনে স্বাধীনতা এনেছেন তবে ধর্মীয় নানা বিষয়কে ইস্যু করে নিজেকে মৌলবাদী বা প্রতিক্রিয়াশীল হিসেবে তুলে ধরেননি। কিন্তু যদি ইখয়ান উলটো রথে চড়ে বসে তাহলে অচিরেই মিশরীয়রা জেগে উথবে কারন তারা কোন ধর্মীয় বিপ্লব নয় তারা গণতান্ত্রিক বিপ্লব চেয়েছেন এখানে ইখয়ান শুধু স্রোতস্বিনী নদীর খড়কুটো মাত্র যা একটি নিমজ্জমান জাতি তা আকরে জীবন বাঁচাতে তৎপর। তাই আমি ইখয়ানের বিজয়কে ধর্মীয় বিজয় বলতে নারাজ বরং তা মিসরীয়দের গণতন্ত্রে উত্তরণের প্রাথমিক চেষ্টা বলবো। তবে আমি আশা করি ইখয়ান বা মুরসি তুর্কি জাস্টিস পার্টি ও এরদগানের মত বিচক্ষণতার পরিচয় দিবে।

আমি জামাত শিবিরকে বলবো ‘আশায় থাকিও কাওয়া পাকিলে খাইয়ো দাউয়া’ বাংলাদেশ সলেমান দেমিরিয়েল এর তুরস্ক বা মুবারকের মিশর নয় যে ধর্ম এখানে বন্দি সুতরাং ‘ইসলাম উদ্ধার’ অপপ্রচারকে সর্গে যেয়ে সরাবান তহুরা পানের মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরার সুযোগ খোজা অর্থহীন।যেহেতু বাংলাদেশের মানুষ ধর্ম ও রাজনীতিকে আলাদা পথের পথিক জানে ও ভাবে।