ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

অনেক আগে ঘটনাটা পড়েছিলাম তাই আর গল্পের পুরো কায়াটা মনে নাই তবে তার কঙ্কালটা আশা করি পেশ করতে পারবো। ঘটনাটা এমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের। এক কুখ্যাত জলদস্যু যার নিষ্ঠুরতা এমন ব্যাপক রুপ নিয়েছিল যে সে তখন সবার কাছে এক মূর্তিমান আতঙ্ক। সেই সময়ে জর্জ ওয়াশিংটনের নেতৃত্বে এমেরিকানরা অস্ত্র ধরেছে মাদার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। যুদ্ধের যখন ঘোরতর অবস্তা তখন এই জলদস্যুর মনে এই ভাবনা উদয় হল আমি এই হাতে অস্ত্র নিয়েই ঘুরি, যুদ্ধ আমার হাতের খেলা, আজ আমার জন্মভূমির এই অবস্থায় আমি নিথর পরে থাকতে পারিনা। অতপর সে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ও বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখে। যুদ্ধ শেষে এমেরিকান সরকার তাকে বলল তুমি শুধরে যাও ও সম্মানজনক জীবন গ্রহণ কর কিন্তু যার রক্তে খুনের নেশা সে কি আর বললেই শুধরে যায় সে এই সুযোগ গ্রহণ না করে তার জলদস্যু জীবনে নতুন উদ্দামে প্রবেশ করে পরবর্তীতে এমেরিকান আর্মি সেই জলদস্যুর দ্বিপ কামানের গোলায় উড়িয়ে দেয়।

আমাদের দেশে ৭১ এ লাখো মানুষ যার কাছে যা আছে তা নিয়ে প্রশিক্ষিত পাঞ্জাবি সৈনিকদের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিল। তাদের মধ্যে অনেকেই পরবর্তীতে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে, কেউ পূর্ব থেকেই জড়িত ছিল। সময় পরিক্রমায় আমরা সেই মুক্তিযোদ্ধাদের কি ভাবে পাচ্ছি, দেখছি! তাদের মধ্যে …% মুক্তিযোদ্ধা রাজনীতিবিদ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরেছে। এখন প্রশ্ন হল সেই দেশ প্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের মনে যার মাঝে এক সময় দেশপ্রেম টইটম্বুর করছিল তার জায়গায় দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি ও সন্ত্রাস এর বীজ কি করে রোপিত হল? পূর্ব থেকেই তাঁরা দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল? না কি পরবর্তীতে হয়েছে? পূর্ব থেকে হলে তাহলে মিল পাবো এমেরিকান ঐ দস্যুর সংগে। (দস্যুর মৃত্যু প্রসঙ্গটা এখানে আমি এরিয়ে যাবো।) আর যদি পরবর্তীতে জড়িত হয় তাহলে আমাদের আরেকটি ৭১ এর জন্যে বসে থাকতে হবে সে এক নতুন ৭১। আর সেই নয়া ৭১ শুরু করা যাবেনা ৭১ এর সেই পুরনো রাজাকারদের এই পবিত্র মাটিতে রেখে।