ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

মৃত্যুদূত সময়ের স্রোতে ক্লান্ত হয়ে পড়েনি। ৭১ এর রাজাকাররা ফাঁসিতে মরুক আর নাই ঝুলুক, মৃত্যুদূতের সময় জ্ঞান ও দায়িত্ববোধের কল্যাণে এক সময় দেশ রাজাকার মুক্ত হবে। তাতে কি আমরা কলঙ্কমুক্ত হতে পারবো? কথাটা কে বলেছিল তার নাম আমার মনে নেই তবে কথাটা ছিল এমন একদিন ইংরেজরা ভারতবর্ষ ছেরে চলে যাবে তবে এই উপমহাদেশে তাঁরা এমন কিছু লোক রেখে যাবে যারা এই মাটির সন্তান হওয়া সত্ত্বেও চিন্তাগত দিক দিয়ে পশ্চিমা হবে (হুবহু তুলে ধরতে না পারায় দুঃখিত)। ৪৭ গত হয়েছে তাদের কথাও মিথ্যা হয়নি বরং তা আবার পুনঃআমল যোগ্য একটি পবিত্র কর্ম হিসেবে টিকে আছে। ব্যাপারটা এমন ৭১ ও গত হয়েছে আর সেই সময়ের রাজাকারেরা এখনো টিকে আছে এবং তাঁরা গত হওয়ার পুড়বেই এই দেশের বুকে রাজাকারদের কিছু মানস পুত্র রেখে যাওয়ার দাওয়াতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, এক সময় এ দেশ রাজাকার শূন্য হবে তবে নব্য রাজাকার নামের রাজাকারদের নতুন প্রজন্ম সেই সব রাজাকারের প্রতিনিধিত্ব করে যাবে। দুঃখজনক হলেও সত্য এই সব রাজাকারের টার্গেট হওয়া থেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছেনা। আজ রাজাকারেরা তরল সোনার টাকায় এই দেশে ফাঁদ পেতে বসে আছে। স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল ব্যাংক বীমা সব জায়গায় ওদের কালো হাত। একটি চাকরির জন্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরাও ওদের কাছে জিম্মি হচ্ছে, হচ্ছে ওদের হাতে ব্রেন ওয়াসের শিকার। ভাবতেই গায়ের রোম দাঁড়িয়ে যায় (আল্লাহ না করুন) কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানই না আবার ওদের কুহকে কালো জাদুতে নব্য রাজাকারে রূপী নেয়!