ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

 

বাকশাল এর বিরুদ্ধে লেখার লোকের অভাব নেই। স্বাভাবিক ব্যাপার বাকশাল হল মুজিবের দখলি কৃত লীগ ও গুটি কয়েক পুঁটি মাছের ঐক্য, এর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্রের অপমৃত্যু হয়েছিল এই নবোদিত দেশের বুকে। তাই বাকশালের নিন্দা কোন দিন পুরনো হয়না বা এক ঘেয়েমিও লাগে না। কিন্তু কথা হল বাকশাল গত হয়েছে মেলা দিন আগে, আশা করা যায় খোদার ফজলে তা আর ফিরে আসবেনা কারন এখন আপসহীন শক্তি সদাজাগ্রত এই বাংলার বুকে। কিন্তু দেশের নেতা ও নেত্রি যে গতবার পাকশালের সাথে আপস করে আমাদের বাংলাদেশী হিসেবে অপমানিত করেছিল সেই প্রশ্নের, সেই লজ্জার কি দাফন হয়ে যাবে? দেশ ৫ বছর পাকশালের হাতে ছিল এর জন্য যে দেশের নেতা নেত্রির আপসের মনোভাব দায়ী এমন নয়, লীগও দায়ী ছিল সমভাবে। মানুষ যখন দেখল আজানের আওয়াজ কে কেউ কুটুক্তি করেছে, বাবা শাহজালালের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামকরণে বিরোধীতায় ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে পরোক্ষ ইন্ধন দেয়া হচ্ছে তখন নীতিহীন একটি জোট কে গ্রহণ করেছিল গ্রামবাংলার সাধারণ মুসলিমগন। শুধু মাত্র মুসলিম ভাবনা বললে বাড়াবাড়ি হবে তার সাথে ছিল আদালতের বিরুদ্ধে লাঠি মিছিল ও হাজারি অসমান তাহেরদের জাদুকরী কর্মকাণ্ড।কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য লীগ আবারো গ্রহণ করেছে এক উল্টো নীতি যেখানে বিএনপি ব্লাক বেঙ্গল গোট ত্রান হিসেবে দিত সেখানে লীগ সেই সব ব্লাক বেঙ্গল গোটগুলোকে মন্ত্রী সভায় নিয়ে নিল! ভাবতেই গা ঘৃণায় রি রি করে উঠে তাহলে কি দেশ আবার একটি নীতিহীন জোটের কল্যাণে ফের ৫ বছর পাকশালের লজ্জা বহন করবে? দেশের মানুষ ও দেশের নেতা নেত্রি যারা আপস করেনা তারা কি বলেন? (বাকশাল= বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ আর পাকশাল= ঘোড়াশালে যেমন ঘোড়া থাকে হাতিশালে হাতি তেমনি পাকি রাজাকারেরা যেই শালায় থাকে তাকে বলে পাকশাল।)