ক্যাটেগরিঃ ফিচার পোস্ট আর্কাইভ, স্বাস্থ্য

গত ২৪শে ফেব্রুয়ারি ছিল আমার গিন্নীর জন্মদিন। সেই উপলক্ষ্যে বনানীর ১১ নং রোডে অবস্থিত স্বনামধন্য বেকারী শপ হট ব্রেডথেকে একটা এক পাউন্ড ওজনের “মার্বেল কেক” কিনে বাসায় ফিরলাম। রাতে ডিনার শেষে হ্যাপিবার্থ ডে উইশ করে জন্মদিনের কেক কেটে গিন্নীর মুখে দিতেই গিন্নী বললো কেকটা কেমন গন্ধ করছে। আমি নিজেও খেয়ে দেখলাম আসলেও একটা বাজে ধরণের গন্ধ করছে। দুই ছেলে মুখে দিয়েও একই কথা বললো। আমার শ্যালিকা ছিল বাসায়। সে কেক খেয়েতো বমি করেই ফেললো। পরে কেকটা ভাল করে পরীক্ষা করে দেখলাম কেকে ফাঙ্গাস ধরা। কেকের নীচের লেয়ারটা সবুজ হয়ে গেছে। রীতিমত পঁচা গন্ধ। এতো বড় শপের কেক কিনে ধরা খেলাম। ডিনার শেষ হতে হতে রাত ১১টা। আমার বাড়ীর কাছেই হট ব্রেড। গেলাম রিক্সা করে তাদের কেকের অবস্থা জানাতে। গিয়ে দেখি শপ বন্ধ। এখন ভাবছি ঐ কেক যতটুকু খেয়েছি তাতে যদি আল্লাহ না করে কারো ফুড পয়জনিং হয় কিংবা কোনভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি তবে করণীয় কি থাকবে।

সবাইকে বিষয়টা অবহিত করার জন্য কেকের বেশ কিছু ছবি তুলেছি হট ব্রেড শপের বক্সসহ। যাতে লোকে বুঝতে পারে কেকটা কোন দোকানের। বিষয়টা শেয়ার করলাম সবাইকে সতর্ক করার জন্য।

খাদ্য দ্রব্যে ভেজাল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য বিক্রির জন্য সরকারের আইনগত ব্যবস্থা কতটা কার্যকর সেটাই জানতে চাচ্ছি এবং সেই বেকারী শপের বিরুদ্ধে কোন ধরণের আইনগত ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে সেটাও জানা প্রয়োজন।