ক্যাটেগরিঃ গণমাধ্যম

সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে আজ রবিবার প্রেসক্লাবে সামনে সাংবাদিকদের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচিতে হামলার নেতৃত্ব দানকারী এটিএন বাংলার হেড অব নিউজ জ ই মামুনসহ এটিএন বাংলার বার্তা সম্পাদক ভানু রঞ্জন চক্রবর্তী, বিশেষ প্রতিনিধি শওকত মিল্টন, কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, মানস ঘোষ, নাদিরা কিরণ ও মাহমুদুর রহমান, জেষ্ঠ প্রতিবেদক এসএম বাবু, প্রতিবেদক রাহাত মিনহাজ এবং ভোরের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার শামীম আহমদকে সাংবাদিকদের ৬টি সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ হামলার পর পরই কর্মসূচি শেষে সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা জরুরী বৈঠক করে চিহ্নিত হামলাকারীদের স্ব-স্ব সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে বলে একমত হন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএফইউজের একাংশের সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী ও অপর অংশের সভাপতি রুহুল আমীন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রেসিডেন্ট কামাল উদ্দিন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, ডিইউজের একাংশের সভাপতি ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক সাবান মাহমুদ, অপর অংশের সভাপতি আবদুস শহিদ ও সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু প্রমুখ।

উল্লেখ্য যে, নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি সম্পর্কে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে যে জ ই মামুন গত ৫ জুন প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে বলেছিলেন “মাহফুজের বক্তব্য অরুচিকর, এর সঙ্গে এটিএন বাংলার সাংবাদিকদের কোন সম্পর্ক নেই” অথচ সেই জ ই মামুনই কিনা মাহফুজের বিচার চাওয়ায় সাংবাদিকদের উপর হামলার নেতৃত্ব দিলেন? মুহূর্তেই নায়ক থেকে নিজেকে খলনায়ক বানিয়ে ফেললেন জ ই মামুন! কিন্তু কেন?

বহিষ্কার সম্পর্কে আমার ব্যক্তি মত হচ্ছে, এতে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিচার আন্দোলনে কিছুটা হলেও প্রভাব পড়বে। এ বহিষ্কারের ফলে সাংবাদিকদের মধ্যে বিদ্যমান বিভক্তিকেই আরো জোড়ালো করবে। এক্ষেত্রে মাহফুজদের অভিলাশই পূর্ণ হবে।