ক্যাটেগরিঃ স্বাধিকার চেতনা

 

লাখো মানুষের কণ্ঠে ‘যুদ্ধাপরাধীদের’ ফাঁসির দাবি উচ্চারণ কানে গেছে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরসংলগ্ন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেলে চিকিৎসাধীন তিনি। গতকাল শুক্রবার দুপুরের পর লাখো কণ্ঠের স্লোগান শুনে পরিচর্যাকারী ওয়ার্ড বয়ের কাছে তিনি জানতে চান, ‘কী হচ্ছে ওখানে?’ ওয়ার্ড বয় বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে জনতার গর্জন উঠেছে। এ গর্জন লাখো মানুষের।’ শুনেই চুপসে যান গোলাম আযম। কিছুক্ষণ পর জানতে চান, ‘কারা করছে?’ ওয়ার্ড বয় বলেন, ‘স্যার, তরুণ প্রজন্ম।’ শুনে দীর্ঘশ্বাস ফেলে শুয়ে পড়েন অভিযুক্ত এ শীর্ষস্থানীয় মানবতাবিরোধী অপরাধী।

প্রিজন সেলে গোলাম আযমের পরিচর্যাকারী ওই ওয়ার্ড বয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য জানিয়ে গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কিছুক্ষণ পরই স্যারের (গোলাম আযম) রক্তচাপ বেড়ে যায়।’ তিনি জানান, পরে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। এরপর ঘুমিয়ে যান গোলাম আযম।

ওয়ার্ড বয় আরো বলেন, ‘প্রতিবারই ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার তারিখে গোলাম আযম স্যার একটু অসুস্থ হয়ে যান। প্রেশার ওঠানামা করে। তবে ট্রাইব্যুনাল থেকে ফিরে আবার সুস্থ বোধ করেন।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গোলাম আযমের চিকিৎসক বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডা. এম আবদুল্লাহ খানিকটা হেসে বলেন, ‘হাসপাতালের তৃতীয় তলায় প্রিজন সেলের প্রথম কক্ষটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন গোলাম আযম। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে শাহবাগে লাখো মানুষের গর্জন তাঁর কানেও পৌঁছে। তবে তাঁর অনুভূতি কী, তা নিয়ে আমার সঙ্গে কথা হয়নি। শুক্রবার হাসপাতাল বন্ধ ছিল, আমি যাইনি। গোলাম আযম গতকাল খানিকটা অসুস্থ হয়ে পড়েন, পরে ঠিক হয়ে যান শুনেছি। এখন তিনি সুস্থ আছেন। মাঝেমধ্যে রক্তচাপ ওঠানামা করে।’

ডা. আবদুল্লাহ আরো বলেন, ‘কাল (আজ শনিবার) চেকআপে গেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলতে পারব।’
সৌজন্যে ঃ কালের কন্ঠ

তুই রাজাকার!তুই রাজাকার!

“ঐ শোনা যায় বিজয়ের ডাক,
ওরে ধর ধর আমায় ধর!”
চিতকার করিয়া মূর্ছা গেলেন
গোলাম আজম,দ্যা নাম্বার ওয়ান গং রাজাকার !!!

“গ-তে গোলাম আজম,
তুই রাজাকার ! তুই রাজাকার।”
কানে তুলো দিলো,উদ্ভ্রান্ত হলো-
আটকালোনা তবু নতুন প্রজন্মের হুংকার।

টিয়া পাখির মুখে নয়,
সমগ্র বঙ্গ সন্তানের মুখে-
“তুই রাজাকার,তুই রাজাকার
ফাঁসির দড়িতে লটকা এবার।”(নীলকন্ঠ জয়)