ক্যাটেগরিঃ রাজনীতি

গত সপ্তায় আকস্মিক এক সফরে ভারতে গেছেন সাবেক স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট জেনারেল এরশাদ। পত্র-পত্রিকার ভাষ্য মতে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সবক নিয়ে দেশে ফিরেছেন এরশাদ। মহাজোটের শরিক এরশাদের সরকার বিরোধী হুমকি-ধমকি সাম্প্রতিক সময়ে আশংকা জনক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় হাসিনা সরকারের পরম শুভাকাঙ্ক্ষী উদ্বিগ্ন ভারতের শীর্ষ মহল ডেকে পাঠায় এরশাদকে। “ধমক নাকি লোভ”, এরশাদকে নাকি দু’টিই দেখানো হয়েছে। কাজও হয়েছে তাতে। বিএনপি বিহীন আগামী জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হবার স্বপ্নে বিভোর এরশাদ আপাতত: মহাজোট বা সরকারের জন্য বিব্রতকর কিছু করবেনা এটা এই মুহূর্তে মোটামুটি পরিষ্কার। এরশাদের অতীত, বর্তমান এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পর্যালোচনা করলে তার এই ভূমিকার যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া দুঃসাধ্য নয়। কিন্তু শোনা যাচ্ছে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াও নাকি শীঘ্রই ভারত সফরে যাচ্ছেন। বেগম জিয়ার ভারত সফর নিয়ে নানা মহলে নানা ধরনের গুঞ্জন চলছে। সাদা চোখে ভারতের আমন্ত্রন রক্ষা করতে বেগম জিয়ার ভারত যাত্রা বলে মনে হলেও এর পিছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে আছে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ক্ষমতায় যেতে বিএনপি ভারতের কোন ধরনের আনুকূল্য বা সহায়তা প্রত্যাশা করে এমনটি কেই মনে করেনা। কারণ কস্মিনকালেও ভারত বিএনপিকে বন্ধু ভাববে এটা অচিন্ত্যনীয়। বিএনপির ব্যাপারে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের কোন লক্ষন বা প্রয়োজনই তো দেখা যাচ্ছেনা। তাহলে কেন? তবে কি ভারতের ব্যাপারে বিএনপির অবস্থান বদলেছে? আর সেটি জানিয়ে ভারতকে আশ্বস্ত করতেই বেগম জিয়ার ভারত সফর? কিন্তু ভারত কি কখনো বিএনপি কিংবা বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু হবে? সত্যিই কি ভারতকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায়?