ক্যাটেগরিঃ অর্থনীতি-বাণিজ্য

দেশের অর্থনীতির প্রান ভোমরা চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে আবার শুরু হয়েছে এক আত্মঘাতি মরণখেলা। যথারীতি এই খেলার প্রধান কুশিলব চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহি উদ্দিন চৌধুরী। ১৯৯৬ সালে আন্দোলনের নামে এই বন্দরকে ইতিহাসে প্রথমবারের মত সম্পূর্ণ অচল করে দিয়ে যেই অশুভ ধারার জন্ম দিয়েছিলেন সাবেক মেয়র তার আপাতঃ সমাপ্তি ঘটেছিল বিগত ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময়ে। দল ক্ষমতায় আসার পর মহিউদ্দিন চৌধুরীর অশুভ তৎপরতা আবার শুরু হয়। বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে শুরু হয় অযাচিত হস্তক্ষেপ। তার কথামত না চলায় দলীয় সরকারের ক্ষমতা ব্যবহার করে চাকুরী থেকে সাসপেন্ড করান বন্দরের শীর্ষ চার সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাকে। কিন্তু বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা আদায় করলেও বন্দরের মূল কাজে এতদিন খুব বেশী একটা হস্তক্ষেপ করতে পারছিলেন না মহিউদ্দিন চৌধুরী। অবশেষে বন্দরে বার্থ অপারেটর নিয়োগের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন তিনি। টেন্ডার প্রক্রিয়া বাতিল করতে ইতিমধ্যেই আবার বন্দর অচলের রাজনৈতিক কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে। যতদুর যানা গেছে নিজের ছেলের প্রতিষ্ঠান বর্তমান টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগীতায় টিকতে পারবেনা বলে মহিউদ্দিন চৌধুরীর এই আন্দোলন। এছাড়া তার অনুগত কিছু শ্রমিক নেতা বন্দরের কয়েকটি ছোট বার্থ এতদিন পর্যন্ত টেন্ডার ছাড়া অপারেট করে আসছিল। এবার বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই বার্থ গুলোও টেন্ডারের আওতায় আনতে চাইছে। তাতেই নারাজ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।