ক্যাটেগরিঃ ধর্ম বিষয়ক

ইসলাম বিরোধী অপশক্তির উস্কানী এবং প্ররোচনার শিকার হয়ে যেসব নামধারী মুসলমান ভিন্নধর্মী আদম সন্তানের উপর অন্যায় ভাবে প্রতিশোধের নেশায় উম্মত্ত হয়ে উঠেছেন তাদের জন্য আমার এই আহবান। প্লিজ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই দেশে অশান্তি সৃষ্টি করবেন না। বিশ্বময় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ইসলামের আবির্ভাব হয়েছিল। আপনার এই উগ্রতা শেষ পর্যন্ত ইসলামের কোন উপকারেই আসবেনা। বরং ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের মাঝে বিভ্রান্তির জন্ম দেবে। আপনি কি জানেন, মহানবী সঃ মুসলিম প্রধান দেশে অমুসলিমদের পবিত্র আমানত হিসাবে ঘোষণা করেছেন? তাঁদের রক্তকে মুসলমানের রক্তের মত পবিত্র বলেছেন তিনি। অমুসলিমদের বিরুদ্ধে অন্যায় আচরন কারীর বিরুদ্ধে আল্লাহর আদালতে নিজে বাদী হয়ে মামলা করার ঘোষনা কি তিনি দেননি? আপনি কি জানেন না, তায়েফের মুশরিকরা আল্লাহর নবীর সঃ শরীর থেকে রক্ত বইয়ে দেয়ার পরও তিনি তাদের জন্য বদ-দোয়া করেন নি?

বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী আজ যারা সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছাড়াচ্ছে এরা মূলত ইসলামকে বিতর্কিত করার লক্ষ্যেই সেটি করছে। আপনার মত অবুঝ মানুষগুলোকে সন্ত্রাসের পথে ঠেলে দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে পুরো মুসলিম জাতিকে সন্ত্রাসী হিসাবে প্রমান করতে চায় ওরা। আপনি কেন তাদের এই অপচেষ্টার ক্রীড়নক হয়ে অহেতুক ইসলামের ক্ষতি করবেন? আপনি যদি প্রকৃত পক্ষে ইসলামের প্রেমিক হন তাহলেতো আপনার উচিত ভিন্নধর্মীদের আকৃষ্ট করার মত আদর্শ চরিত্রবান মুসলিম হিসাবে নিজেকে তাঁদের সামনে উপস্থাপন করা। ইসলামের আদর্শ ও মহানুভবতার কথা বলতে তাঁদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করা। ইসলাম কি কখনো ভিন্ন ধর্মের নবী-রাসুল আঃ এর বিরুদ্ধে দুর্ণাম করেছে? ইসলাম বরং ইহুদী-খ্রীষ্টানদের রাসুলসহ ১ লক্ষ ২৪ হাজার নবী রাসুল আঃ কে স্বীকৃতি দিয়েছে। কোন স্বীকৃত আলেম বা ইসলামী ব্যক্তিত্ব কি কোন দিন অমুসলিমদের বিরুদ্ধে বিষোধগার করেছে? আল্লাহ প্রতিটি মুসলিমকে সকল প্রকার উস্কানীর মুখেও ধৈর্য ধারন করার মত সুমতি দান করুন। আমীন।